Robbar

হিন্দুত্ববাদীদের মনীষী আত্মীকরণের তালিকায় সুভাষচন্দ্র সর্বাগ্রে

সুভাষ বোস সেই সময়ে ভাবতে পারেননি যে, ভারত স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা এতটা রাজনৈতিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যে হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা আজ রামরাজ্যের কথা বলেন এবং ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের যখন মারা হচ্ছে তখন সুভাষ বোসের এই কথাগুলো প্রণিধানযোগ্য। তাই যাঁরা আজকে সুভাষ বোসের ‘উত্তরসূরি’ হিসেবে নিজেদের দেখানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা যদি একটু সুভাষ বোসের সম্পর্কে পড়াশোনার চেষ্টা করতেন, তাহলে হয়তো লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলতেন।

→

প্রতিটি মাসই আন্দোলন, প্রতিটি দিনই স্লোগান

গত বছর এই ক্যালেন্ডারের বিষয় ছিল, আমাদের দেশের মানুষের খাবারের বৈচিত্র। ২০২৬ সালকে ধরলে, এই ক্যালেন্ডার এবার পঞ্চম বছরে। এবারে এই ক্যালেন্ডার চেষ্টা করেছে শিল্পের মাধ্যমে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের জীবন্ত গল্পগুলিকে তুলে ধরতে।

→

মানসিক রোগী, যৌনকর্মীদের তাড়া করছে বেনাগরিক সাব্যস্ত হবার আতঙ্ক

এতদিন লড়াই করে যে মানুষগুলো সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছেন, সেই কাজটাই তো বৃথা হয়ে যায়, যদি একজন মানুষ যদি একদিন সকালে উঠে দেখেন, তিনি সরকারের খাতায় বেনাগরিক হয়ে গেছেন। তখন তাঁর মনের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

→

দেশজুড়ে বিএলও মৃত্যু, সরকারের ভ্রান্ত নীতিই কি দায়ী?

যে বিএলও’দের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার দায়িত্ব হওয়া উচিত ছিল কমিশনের, সেই কমিশন কি তাঁদের কোনওরকম সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে? ২০০২ সালেও যে পদ্ধতিতে ভোটার তালিকায় সংশোধন হয়েছিল, সেই সময়েও কি এই সমস্ত বিএলওর নম্বর অঞ্চলের সবাই জানত?

→

একটি বানান ভুল কেড়ে নিতে পারে মানুষের জীবনও

কোচবিহারের খাইরুল শেখের তাঁর নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে যাওয়ার ভয় যে গ্রাস করেছিল তা নিশ্চিত করে বলা যায়। এই ভয়ের কোনও নাম কি মনস্ত্বত্ত্ববিদেরা এখনও দিতে পেরেছেন? রাষ্ট্র কি তা মেনে নিয়েছে? তাহলে এই ভয়ের প্রতিকার কী?

→

প্রধান বিচারপতিকে জুতো ছোড়া সংবিধানকেই পদদলিত করার চেষ্টা

দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়তো নম নম করে এই ঘটনার নিন্দে করেছেন, দেশের প্রায় সমস্ত বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু পিছন থেকে বহু মানুষ অভিযুক্ত রাকেশ কিশোরের ওই আচরণকে সমর্থন করছে, যার ফলেই তিনি এখনও বহাল তবিয়তে ঘুরছেন।

→

সোমা ঠাকুর বা রুবিনা বিবিদের উদ্বেগের অবসান ঘটাবে কে?

যাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁদের গরিষ্ঠাংশ কিন্তু সংখ্যাগুরু হিন্দু সম্প্রদায়েরই মানুষ। যাঁরা এই নির্বাচন কমিশনের নতুন ফরমানে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় আছেন মহিলারা এবং তা দু’ সম্প্রদায়েরই। এবং তাঁদের বেশিরভাগই অত্যন্ত গরিব এবং পিছিয়ে পড়া মহিলারা।

→

বাংলা ভাষা ভাগ হবে হিন্দু-মুসলমানে?

বাঙালি এইসব মামুলি ব্যাপারকে ধর্তব্যের মধ্যেও আনত না। মাত্র এক দশক আগেও এসব নিয়ে কেউ ভাবেনি। অথচ আজ বাঙালিকে এসব নিয়ে ভাবানো যাচ্ছে। কে ভাবাচ্ছে? বাঙালির একশ্রেণির লোকজন। যাদের মূল লক্ষ্য এই ভাষার হিন্দু-মুসলমান করে গোবলয়ের সঙ্গে তফাতটা আরও কমিয়ে আনা যাবে।

→

‘নাগরিকত্ব’ তত্ত্বে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েরাই, অসমের পুনরাবৃত্তি হবে বাংলা-বিহারেও?

একজন মহিলাকে যদি তাঁর নাগরিকত্ব এবং জাতীয়তাবাদের প্রমাণ করতে হয়, তাহলে সেটা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা কিছুদিন আগে অসম বুঝেছে, এরপর বিহারের মহিলারা হয়তো বুঝবেন। তারপরে বাংলার গ্রামগঞ্জের মহিলাদের পালা।

→

শোকগ্রস্তদের ‘পহেলগাঁওয়ের বিধবা’ সম্বোধন করে শোকে আবদ্ধ রাখাই কি মূল উদ্দেশ্য?

যে দেশ ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে অগ্রসর হওয়ার কথা ভেবেছে, সেই দেশে কেন ওই ২৬ জন মহিলাকে বারংবার ‘পহেলগাঁওয়ের বিধবা’ বলে সম্বোধন করা হবে এবং বোঝানো হবে তাঁদের সিথির সিঁদুর মুছে যাওয়ার জন্য তাঁরাই দায়ী, তাঁরা সরাসরি লড়াই করেননি বলেই আজ এই বিপদ হল?

→