আমার পূজনীয় মানুষদের নিয়ে আমি রসিকতা করি, জোক লিখি।
কমার্শিয়াল, আর্ট অনেক কিছু দেখেছি, কিন্তু ‘পথের পাঁচালি’-র মতো আর একটাও দেখিনি।
১৯৬৯ সালের ২১ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল এই ছবি। আজই এসআরএফটিআই-তে দেখানো হল ছবিটির রিস্টোর্ড সংস্করণ।
কোরানের পাশাপাশি, আমিন সাব পড়েছেন গীতা আর বাইবেলও। তিন ধর্মের মিল খুঁজে খুঁজে, শ্লোকের পর শ্লোক লিখে রেখেছেন পাতার পর পাতায়।
অলিখিত সাংবিধানিক অধিকারে, যেহেতু আমরা সিনেমা বুঝে ফেলি হামার আগেই, অতএব অথ সিনে-মায়ের কিছু বুলি।
আটের দশকে, দিনে ২৫ টাকা মাইনেতে, বাচ্চাদের পড়াতে চলে গেলেন তিনি, অজগাঁ নামালডিহায়।
এক অহমিয়া বাঁশি-বাদকের প্রেমকাহিনি বুনে, খাসি জনজাতির সঙ্গে দূরত্ব মুছতে চাইলেন ভূপেন হাজারিকা।
অসম্পূর্ণ বা অসমাপ্ত সিনেমা প্রসঙ্গে, দু’জনের নাম না বললে, ঘোরতর পাপ হতে পারে। হ্যাঁ, ঋত্বিক ঘটক আর গুরু দত্ত।
এবারের ফ্ল্যাশব্যাকে ডকুমেন্টরি কথা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved