

হাঁটু কেটে রক্ত গড়াল, রুমাল বেঁধে ঘা লুকিয়ে রাখলেন অমিতাভ। ভয়ে কাউকে কিছু জানালেন না, পাছে কাজটা হাত থেকে চলে যায়।
মিলেনিয়াল প্রজন্ম হয়তো টেরও পাবে না, পোস্টারে একটা ‘A’ থাকলে, হৃদ-কুঠুরিতে ঘনাত কী কালবৈশাখী!
ভারতীয় অ্যাকশন ফিল্মকে সজোরে ঘুসি চালাল রাম গোপাল বর্মার ‘শিবা’। সাধারণ দর্শক থেকে ক্রিটিককুল– সকলেই হাঁ হয়ে গেলেন রামুর ডেবিউতে।
হিন্দি সিনেমায় যে সময়ে ধুন্ধুমার করছেন রাজ কাপুর, দেব আনন্দ, দিলীপ কুমার– সে সময়েই সমান্তরালে সাঁতরে চলেছিলেন ভারত ভূষণ।
লেখকের রোয়াব আজও নতশিরে মেনে চলেছে মাইসোরের মানুষ, কর্নাটকের সরকার।
স্টুডিও ঝকঝকে রাখতে গিয়ে, এককালে লোকজনের বমিও সাফ করেছিলেন রবিনা ট্যান্ডন।
এই হোটেলের সুইমিং পুলে সাঁতার শিখেছিলেন সায়রা বানু, সঞ্জয় দত্ত। এখানের হেলথ ক্লাবে নিয়মিত আসতেন শ্রীদেবী, রাকেশ রোশন, প্রেম চোপড়া, জিতেন্দ্র। কেরিয়ারের শীর্ষে, শহরে থাকলে, জিতেন্দ্রকে প্রায়ই পাওয়া যেত এ হোটেলের লবিতে; দেদার অটোগ্রাফ দিতেন।
কুমিল্লার কান্দিরপাড় আর তালপুকুরের আশপাশে আড্ডা মারতেন শচীন দেব বর্মন আর নজরুল ইসলাম। শোনা যায়, এখানেই নজরুল লিখেছিলেন, ‘বাবুদের তালপুকুরে...’।
‘গাইড’ নিয়ে আর. কে. নারায়ণকে সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন, ‘ভারতের ওইদিকটা আমি ঠিক ফোটাতে পারব না...’। ২৬ সেপ্টেম্বর, শতবর্ষে পা দেবেন দেব আনন্দ।
জনি ওয়াকারই ইন্ডাস্ট্রির প্রথম, যিনি রবিবারে কাজ করা বন্ধ করেছিলেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved