jane austen was recogniged after her death | Robbar
Robbar
  • ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাব্যে উপেক্ষিতা

তাঁর জীবৎকালে ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ উপন্যাসটি ১৬ বছর অপ্রকাশিত পড়েছিল। কোনও প্রকাশক পাওয়া যায়নি! ‘নর্থাঙ্গার অ্যাবি’ উপন্যাসটি এক প্রকাশক নিজের কাছে ১৫ বছর রেখে দিয়ে ভুলেই যান এবং পরে বাড়ির লোককে ফেরত দিয়ে দেন। অন্য প্রকাশক পরে এটি ছাপেন। ততদিনে জেন অস্টেন পরলোকগত হয়েছেন।

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৯:১৪   
Facebook WhatsApp Messenger

আজ থেকে ২৫০ বছর আগে তিনি জন্মেছিলেন। ১৭৭৫ সালে। ইংল্যান্ডের এক গ্রামে। নাম জেন অস্টেন।

একজন খ্যাতনামা মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবেই তাঁর পরিচয় ইংরেজি সাহিত্যে। যদিও সেই খ্যাতি তাঁর মৃত্যু‌-পরবর্তীকালীন। জীবৎকালে তিনি তেমন আদৃত হননি সাহিত্যিক মহলে, বরং উপেক্ষাই পেয়েছিলেন। মহিলা বলে আলাদা সম্মানও পাননি। আর লেখক হিসেবেও সাদরে গৃহীত হননি, কেবল মহিলা হওয়ার কারণে!

zoom
জেন অস্টেন। প্রতিকৃতি: ক্যাসান্ড্রা অস্টেন

আমাদের দেশটা সে-সময় কেমন ছিল, কতজন লেখিকাকে আমরা পেয়েছিলাম, দেখা যাক। আঠেরো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের এই সময়টায় আমাদের দেশ হারিয়েছে তার স্বাধীনতা, ১৭৫৭ সালে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনে চলছে অত্যাচার, বেড়েছে দুর্ভিক্ষ, মারী-মড়ক-মন্বন্তর। এই পরিস্থিতিতে মেয়েদের সামাজিক অবস্থান সহজেই অনুমেয়। তাদের না আছে পড়াশোনা, না আছে স্বাধীনতা । ব্যক্তি-স্বাধীনতার ধারণা তখনও মানুষের মনে জন্মায়নি।

তবে এই একুশ শতকে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন জাগে– ইংল্যান্ড দেশটাতেও কি নারী-স্বাধীনতা ছিল? নবজাগৃতির দেশ ইংল্যান্ড– সেখানে কি মেয়েরা স্বাধীনতা পেতেন? না, পেতেন না তেমনভাবে। না-হলে একজন লেখিকাকে নিজের নাম গোপন করে অজ্ঞাতনামা হিসেবে তাঁর উপন্যাস ছাপতে হত না।‌ জেন অস্টেন তাঁর উপন্যাসগুলি অজ্ঞাতনামা হিসেবেই ছাপতে বাধ্য হয়েছিলেন।‌ কারণ সেই আঠেরো শতকের শেষভাগ বা উনিশ শতকের প্রথমভাগে ইংল্যান্ডে কোনও প্রকাশক একজন মহিলার নামে উপন্যাস ছাপতে রাজি হতেন না। শুধু তাই নয়, তাঁরা শর্ত দিতেন– হয় পুরুষের ছদ্মনাম নিতে হবে, নয় তো নিজের নাম গোপন করে অজ্ঞাতনামা লিখতে হবে।

zoom
জর্জ এলিয়ট। ফ্রেডরিখ উইলিয়াম বার্টনের এনগ্রেভিং

জেন অস্টেন অজ্ঞাতনামা হিসেবেই ছাপতেন। এ-প্রসঙ্গে আর একজন মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম উল্লেখ করা যায়। তিনি জর্জ এলিয়ট– নিজের নামের বদলে ছেলেদের এই নামটি নিয়ে লেখালিখি করতেন এবং তাঁর উপন্যাসগুলি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল তখনও এবং আজও তাই। কিন্তু ‘জর্জ এলিয়ট’ ছদ্মনামের আড়ালে রয়ে গেল তাঁর নিজের জন্মসূত্রে পাওয়া নাম– মেরি অ্যান ইভান্স। এহ বাহ্য। উপন্যাসগুলি বিক্রির টাকাও মহিলা বলে তাঁরা ঠিক সময়ে পেতেন না। প্রকাশকরা তাঁদের যথাযথ প্রাপ্য দিতে অনীহা দেখাতেন শুধু মহিলা হওয়ার কারণে।

ইংল্যান্ডে যখন লেখিকাদেরই এই সামাজিক পীড়ন সহ্য করতে হত, তখন সাধারণ মেয়েদের কী অবস্থা ছিল, তা সহজেই অনুমান করা যায়। তবে এদিক থেকে আমরা গর্ব করতে পারি যে, আমাদের দেশের লেখিকাদের অন্তত ছেলেদের ছদ্মনাম বা অজ্ঞাতনামা হয়ে লেখালিখি করতে হয়নি। বরং এর বিপরীত ঘটনাই দেখেছি। ষোল শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আমরা পেয়েছি কবি চন্দ্রাবতী প্রণীত ‘চন্দ্রাবতী রামায়ণ’– যা এই কবির নামেই সমধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল। ওই একই শতকে আমরা পেয়েছি, মুঘলকন্যা গুলবদন বেগমকে যিনি তাঁর দাদার জীবনচরিত ‘হুমায়ুননামা’ লিখেছিলেন ফারসি ভাষায়‌, যা কেবল চরিতনামা নয়, সে-সময়কার সামাজিক সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক দলিল।

zoom

আমাদের দেশে মেয়েদের লেখাপড়ার গণ্ডি ছিল উদারমনস্ক বাড়ির চৌহদ্দিতে,‌ ব্যক্তিগত উদ্যোগে। ইংল্যান্ডেও তা-ই ছিল। জেন অস্টেন নিজের বাড়িতেই লেখাপড়া শিখেছিলেন। মেধাবী জেন অস্টেন খুব অল্পবয়সেই লেখালিখি শুরু করেন এবং সমাজ পরিবার সময়ের চলমানতা তাঁকে প্রভাবিত করত। সেই সমস্ত বিষয়বস্তুই তাঁর উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট হিসেবে উঠে এসেছে, যা আজও সমান আদৃত হয়। তাঁর জীবৎকাল ছিল খুবই অল্প। মাত্র ৪৭ বছর তিনি বেঁচে ছিলেন। অবিবাহিতা ছিলেন, ছিলেন স্বাধীনচেতা, নিজের প্রতি আস্থাশীল। লিখে উপার্জন করে জীবন চালাবেন, এমনটাই বিশ্বাস করতেন। কিন্তু শুধু মহিলা হওয়ার কারণে তাঁর সৃষ্টি সে-সময় সর্বব্যাপী হয়ে উঠতে পারেনি।‌ তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ এখন সারা বিশ্বে বহুবার বহু ভাষায় চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে এবং হচ্ছে, টিভি সিরিয়াল নির্মিত হচ্ছে, এমনকী এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানাভাবে অস্টেনের পাঁচ-ছ’খানা উপন্যাস জনসমক্ষে আসছে। মানুষ সেগুলি দেখে একাত্মতা অনুভব করছেন। এগুলির উপজীব্য আজও সমান প্রাসঙ্গিক। কিন্তু তাঁর জীবৎকালে ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ উপন্যাসটি ১৬ বছর অপ্রকাশিত পড়েছিল। কোনও প্রকাশক পাওয়া যায়নি! ‘নর্থাঙ্গার অ্যাবি’ উপন্যাসটি এক প্রকাশক নিজের কাছে ১৫ বছর রেখে দিয়ে ভুলেই যান এবং পরে বাড়ির লোককে ফেরত দিয়ে দেন। অন্য প্রকাশক পরে এটি ছাপেন। ততদিনে জেন অস্টেন পরলোকগত হয়েছেন। তাঁর অন্যান্য জনপ্রিয় এবং বিশ্বমানের উপন্যাসগুলি ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’, ‘এমা’, ‘ম্যানসফিল্ড পার্ক’ আজও বহুল পঠিত। তাঁর সময়কার আর এক সাহিত্যিক ওয়াল্টার স্কট তাঁর উপন্যাসগুলিতে চিরকালীন জীবনভাষ্য খুঁজে পেয়েছিলেন এবং সেগুলির উচ্চ প্রশংসা করতেন। বস্তুত সেই সময়কার প্রচলিত উপন্যাসগুলো থেকে অস্টেনের উপন্যাস অনেকটাই আলাদা ছিল। ভাষা, প্লটের গঠনশৈলী, বলার ভঙ্গিমায় তিনি ছিলেন বাস্তববাদী। শ্লেষ, বিদ্রুপ, হাস্যরস এবং চরিত্রের অন্তর্জাত গোপন কথাটিও কৌশলী কথনভঙ্গিমায় প্রকাশ করতেন বলে চরিত্রগুলো সাধারণকে ছুঁয়ে যায়। সব মিলিয়ে তিনি আজও আকৃষ্ট করেন জীবনমনস্ক মানুষকে।

zoom

বস্তুত অস্টেনের উপন্যাসগুলো সমাজ, পরিবার, সম্পর্ক, বিবাহ ও ভালোবাসাভিত্তিক। সেই সময়ে ইংল্যান্ডের আইন মোতাবেক বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার পেতেন কেবল পুত্রসন্তানরাই। কন্যা-সন্তানদের কোনও অধিকার থাকত না পৈতৃক সম্পত্তির ওপর। সুতরাং মোটামুটি স্বচ্ছল বাড়ির কন্যাদের মাথায় থাকত ধনী পরিবারের ছেলেদের সঙ্গে বিয়ের প্রচেষ্টা। না হলে ভবিষ্যতের আর্থিক দুরবস্থার আশঙ্কায় থাকতে হত। আর এখানেই এসে পড়ত সেই চিরকালীন প্রশ্ন– বিবাহিত জীবনে অর্থ বড় না প্রেম বড়? অস্টেন সুকৌশলে অত্যন্ত মেধাদীপ্ত ভঙ্গিতে এই অর্থ আর বিবাহের সম্পর্কটি তুলে ধরেছেন তাঁর উপন্যাসে। ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ উপন্যাসে নায়িকা এলিজাবেথের চরিত্র চিত্রণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে প্রেমে বা বিবাহে অর্থের থেকেও ভালোবাসার গভীরতার মূল্য অপরিসীম। সমাজে উপযুক্ত মর্যাদা আর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা– সকল মেয়েরই কাম্য এবং সেটি যদি স্বামীসূত্রে লাভ করা যায়, তবে সেটি সোনায় সোহাগা। এই ছবি আমাদের দেশেও ব্যতিক্রমী নয়। তবে আজকের নারী স্বাধীনতার যুগে তেমনভাবে কোনও মেয়েকে স্বামীর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে দেখা যায় না, যেখানে মেয়েটি উপার্জনক্ষম। তবে এর সংখ্যাটি নেহাতই গৌণ, বলাই বাহুল্য। তবে অস্টেনের আমলে কি সব মহিলাই শুধু ধনী পুরুষকেই খুঁজে বেড়াত বিয়ে করার জন্য? না, ব্যাপারটা ততটাও তেমন নয়– কারণ এলিজাবেথের মতো দৃঢ়চেতা, স্পষ্টবক্তা চরিত্র তিনি তৈরি করেছেন– যার কাছে মনুষ্যত্ব, পারিবারিক বন্ধন, জীবনবোধের গভীরতা আর ভালোবাসাই প্রথম স্থানে থাকে। যুগে যুগে এই ব্যক্তিত্বময়ী মেয়েরা সমাজ-সংসারে থাকবেনই এবং তাঁরাই নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেন। তাঁরাই হয়ে ওঠেন চিরকালীন চরিত্র।

zoom

ফরাসি বিপ্লবের পরেও সাম্য প্রতিষ্ঠার কাজ সহজ হয়নি ফ্রান্সের প্রতিবেশী এই দেশটিতে।‌ সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতার ধ্বজা ওড়ানোর পরেও বাস্তবটা ততটা মসৃণ হয়নি। বরং বলা যায় ফরাসি বিপ্লব ঘটে যাওয়ার অব্যবহিত পরের ভয়ানক অরাজকতা সকল বিদ্বজনকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। ইংল্যান্ডে ওয়ার্ডসওয়ার্থ থেকে শুরু করে সকল সাহিত্যিক মানুষই বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। জেন অস্টেনও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। তার ছাপ পড়েছে তাঁর লেখায়, অন্যভাবে। ইংল্যান্ডের বৈষম্যমূলক আইনে মেয়েরা পিতৃসম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হত। জীবনতরণীতে টালমাটাল হয়ে পড়ত আর আর্থিক নিরাপত্তার জন্য নিজের স্বামী খোঁজার দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নিতে হত। সে দৃশ্য আমাদের দেশেও দেখছি আমরা। এই একুশ শতকেও। মেয়েরা পিতৃ-সম্পত্তির অধিকারী হলেও বাস্তবে তার কতখানি প্রয়োগ ঘটে– সেই সন্দেহ থেকেই যায়। মেয়েরা এখনও তাই বিবাহসূত্রে সম্পত্তিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। সেটা ২৫০ বছর আগেও যা ছিল আজও তা-ই আছে।

তবে অস্টেনের উপন্যাসের আবেদন আজও অমলিন কেন? কারণ সেখানে জীবনের নানা পরত রয়েছে। সেখানে লিডিয়ার (‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’) মতো চঞ্চলা হরিণী প্রেমিকা আছে, জেনের মতো প্রেমে লাজুক স্বল্পভাষী রমণী আছে, সেখানে শার্লটের মতো আষ্টেপৃষ্ঠে প্রেমে জড়িয়ে দায়িত্ববোধে ভরপুর মহিলা আছে; আবার আলপটকা মন্তব্য করে নিজেকে হাসির খোরাক করা জেনের মা মিসেস বেনেট আছে; সুযোগসন্ধানী স্বার্থপর আভিজাত্যের অহংকারী মহিলা ক্যাথারিন দ্য বার্গ আছে, ডার্সির মতো দায়িত্ববান প্রেমিক আছে, মিস্টার বেনলি-র মতো হালকা মেজাজের মানুষ আছে, উইকহ্যামের মতো দুষ্টুবুদ্ধির লোক আছে, আবার সিরিওকমিক মিস্টার বেনেটের মতো চরিত্রও আছে।

zoom

‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সবিলিটি’ উপন্যাসে তিন বোন আর তাদের বিধবা মায়ের জীবনের লড়াই দেখিয়েছেন। খানিকটা শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের ধারা পাওয়া যায় এই উপন্যাসে। সমাজের শ্রেণি বিভাজনের স্পষ্ট ছাপ আছে, আছে সামাজিক পরিস্থিতির সঙ্গে নৈতিকতার লড়াইয়ের প্রতিফলন।

‘এমা’ নামের উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি ঝলমলে মেয়ে এমা। তার সরলতা, বিশ্বাস, নিজের কাজের প্রতি একাগ্রতা আবার বিচ্যুত হওয়া সব মিলিয়ে এক হাস্যোদ্দীপক প্লট। এটি একটি কমেডি অফ ম্যানারস। ‘ম্যানসফিল্ড পার্ক’ উপন্যাসে কেন্দ্রীয় চরিত্র ফ্যানি প্রাইস সমাজের শ্রেণি বিভাজনের শিকার।‌ দারিদ্রের কারণে নিজের বাড়ি ছেড়ে তাকে ধনী আত্মীয়ের বাড়িতে অবহেলা সয়ে থাকতে হচ্ছে। মানুষের কপটতা, দম্ভ, নির্বুদ্ধিতায় মানুষ কত ভুল করে, নিজে যা ভাবে আর প্রকৃত চেহারার মধ্যে কত অমিল থাকে– সেগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ উপন্যাসে। বস্তুত অস্টেন মানুষের ভেতরের মনোভাবনাকে ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁর উপন্যাসগুলোতে। আবার প্রেম ও কৌতুকের মিশ্রণে জীবন যে অনেক সময়ই মধুর হয়ে ওঠে সে ছবিও আছে।

zoom

জীবনের ক্যানভাসে যিনি এত বিভিন্ন‌ শেডের চরিত্র এঁকে আজও আকৃষ্ট করছেন আমাদের, তিনি কিন্তু অজ্ঞাতনামা লেখিকা হিসাবে জীবদ্দশা শেষ করেছেন। দেখে যেতে পারেননি তাঁর উপন্যাসের জনপ্রিয়তা। স্বীকৃতি পেলেন মৃত্যুর পর। জীবদ্দশায় পেলে অর্থকষ্টটা হয়তো ঘুচত। বাঁচার ইচ্ছেটা থাকত। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে চলে যেতে হত না। জীবদ্দশায় স্বীকৃতি না পাওয়া, চরম দারিদ্রের মুখোমুখি হওয়া আর অকালমৃত্যু– বিশ্ব সাহিত্যের ইতিহাসে ঘটেই চলে। সমকালের ব্যর্থতা? আমাদের ‘রূপসী বাংলা’র কবির কথা মনে পড়ে যাচ্ছে?

কী আশ্চর্য!

Emma French Revolution George Elliot Jane Austen Pride and Prejudice Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar

Share this article on