Dopamine Shopping: Buying for Happiness। Robbar
Robbar
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অ্যাপ বোঝে মনোব্যথা?

পৃথিবীজুড়ে তৈরি হয়ে গিয়েছে বেশকিছু ‘ফেক শপিং অ্যাপ’। এর জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। সার্চ ইঞ্জিনে ‘ডোপামিন শপিং’ লিখে বাজার করার নতুন পথের সন্ধান চাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে হু হু করে। একটি নকল ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সংস্থার দাবি, তারা ইতিমধ্যেই সফলভাবে ‘মিটিয়ে’ দিয়েছে ২৫ লক্ষ লোকের খিদে। তা অবশ্যই পেটের খিদে নয়। মনের খিদে। আসলে বিনা অর্থে বাজার করার সুযোগ পেলে আর অত ঝঞ্ঝাট থাকে না। মন এবং পার্স– দুটোই পুষ্ট থাকে। বাজার করার এই নয়া পদ্ধতির নাম অনেকে দিয়েছেন ‘ডোপামিন শপিং’।

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৮:২৭   
Facebook WhatsApp Messenger

একটু বাটার চিকেন হবে না কি? না না, থাক। এই আইটেমটা বহুবার চেখে দেখা হয়েছে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয়। পাশেরটা একেবারে নতুন পদ। কোরিয়ান ফ্রায়েড চিকেন। ছবিটা জব্বর লাগছে দেখতে, মোবাইলের স্ক্রিনে। যেন সোয়া সসে স্নাত তুলোর বল। জোৎস্নার মতো উজ্জ্বল। ওপরে গাঢ় সবুজ রঙের কয়েকটা মোটা সুতো। নিশ্চয়ই ক্যাপসিকাম। মোহময় গার্নিশিং। এই জাদুখাদ্য হাতছাড়া করা মহাপাপ। আরও একটা গুরুগম্ভীর শব্দ রয়েছে ইংরিজিতে– ব্লাসফেমি! এটা তা হলে তাই। আর বিলম্ব নয়। অ্যাড টু কার্ট! এর সঙ্গে এক প্লেট সুশি প্ল্যাটার হবে না কি? চিংড়িগুলো যেন কথা বলছে ছবিতে। বলছে, ‘আমাকে সঙ্গে নাও।’ না, না। যেন বলছে, ‘চিরসখা হে, ছেড়ো না, মোরে ছেড়ো না।’ তুই তো আমার প্রাণের বন্ধু। অ্যাড টু কার্ট!

দামোদর শেঠের মতো মনে হচ্ছে নিজেকে? অল্পতে খুশি হওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। হয়ে যাক মার্গারিটা পিৎজা। টমাটো, মোজারেলা চিজ আর ফ্রেশ বেসিল পাতা। কী বললেন? অদ্ভুত মেনু হয়ে যাচ্ছে? একটার সঙ্গে অন্যটা জমবে না? পারম্পর্যের অভাব? সমাজের সাবেকি ব্যাকরণ মেনে খেতে হবে– তার কোনও মানে আছে কি? আমি নিজেই রচনা করব আমার ব্যাকরণ। বাসের পিছনে লেখাটার কথা মনে আছে তো? দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি। হি হি।

zoom

মনটা ভীষণ ফ্রেশ লাগছে খাবারগুলো কার্টে যোগ করে। সারা শরীরে হঠাৎ যেন বইতে শুরু করল অক্সিজেনের হড়পা বান। ওহে আমার উপরওয়ালা, কান পেতে রও। শুনে নাও। এ মাসের টার্গেট হল না বলে ফাইভ স্টারের ককটেল পার্টিতে আমাকে না নিয়ে যাওয়ার দুয়ো বাতাস, দূষিত হাওয়া অফিসময় ছড়িয়ে দিতে পারো তুমি। বুলশিট! আমি নিজেই নিজেকে খুশি করার, ট্রিট দেওয়ার ক্ষমতা রাখি। কী একটা কথা বলো না তুমি বারবার আমায়? ‘অওকাত হ্যায়?’ সেটা কতটা ‘হ্যায়’ তুমি বুঝতে পারছ তো এবারে? এই পার্টি, এই আনন্দক্ষণ, সবই তো ‘সুখের লাগিয়া’, তাই না? স্প্যাগেটি কার্বোনারার নাম শুনেছ? জানি তো! শোনোনি। গুগল করে দেখে নিও। ৮৯৯ টাকা দেখাচ্ছে এক প্লেট। আমি খাবো! বাঁধা গতে মুখ বুজে আর কাজ করে যাওয়া নয়। আমি নতুনত্বে বিশ্বাসী। সুতরাং, অ্যাড টু কার্ট!

উফফ্! তাজা অক্সিজেনে ক্রমশ ডুবে যাচ্ছি আমি। শেষপাতে একটু মিষ্টিমুখ না-হলে কোনও উপায় নেই। এই তো। মিন্ট চকোলেট চিপ আইসক্রিম। লা জবাব! আর দেরি নয়, ভর গো তোরা, কার্টে কার্টে ভর গো। অ্যাডেড! যতই অন্য ডেজার্ট কিংবা মিষ্টি থাক, আমার আবার একটু ফিরনি না হলে চলে না। এই যে! রাত সাড়ে ১১টায় মোবাইলের স্ক্রিন আলো করে চলে এল ফিরনি রয়্যাল। কোথায় ছিলে ওস্তাদ, কোথায় ছিলে? চলে এসো আমার কার্টে।

zoom

দাঁড়ান। একটা তৃপ্তির ঢেকুর তুলে নিই। জব্বর মেনুর জন্ম দিলাম, কি বলেন! চেক আউট করার সময় দেখলাম, একটা বিস্ফোরক অফার লুকিয়ে ছিল আমার জন্য। পর্দায় ঝলমল করে উঠল কয়েকশো তারা। স্ক্রিনের ডানদিক দিয়ে ঢুকে বাঁ-দিক দিয়ে বেরিয়ে গেল। ফুটে উঠল, ‘মেগা ডিসকাউন্ট অনলি ফর এ স্পেশাল পার্সন লাইক ইউ।’ আবার খেলে গেল তাজা বাতাস। ‘প্রসিড ফর ডেলিভারি’তে আঙুল ছোঁয়ানোর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ভেসে এল, ‘আপনার পছন্দের খাবারগুলি অত্যন্ত সুরক্ষার সঙ্গে, একরাশ ভালবাসা মিশিয়ে প্যাক করা হচ্ছে।’ আর মাত্র তিন মিনিটের অপেক্ষা। চালু হয়ে গেল কাউন্টডাউন টাইমার। স্ক্রিনে চলে এল ডেলিভারি-বয়ের নাম। সময় কমছে ক্রমশ। বাড়ছে আনন্দধারা। ঠিক আড়াই মিনিটের মাথায় বেজে উঠল মোবাইল। ‘স্যর, আপনার দরজার সামনে অপেক্ষা করছি আমি।’ অ্যাপ বলল, ‘আশা করি আপনাকে আমি আনন্দ দিতে পেরেছি। তা হলে এখন পরবর্তী অর্ডারে যাই? ট্রাই এগেইন?’

এবারে আসল কথায় আসি। কয়েকটি তথ্য জানিয়ে রাখি। আমাকে একটি টাকাও খরচ করতে হয়নি। আর, হ্যাঁ। ওই খাবারও আসেনি কখনও। আমি জানতাম, যাই অর্ডার হোক না কেন, আড়াই তিন মিনিটের মাথায় ডেলিভারি-বয়ের থেকে স্বয়ংক্রিয় ফোন আসবে। সে আসবে না কোনওদিন। যার কথা এতক্ষণ বলছিলাম, তা হল মন ভালো করার অ্যাপ। এ নেয় না কিছুই, শুধু দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আনন্দ হরমোন ডোপামিনের শাওয়ারের তলায় কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে পড়ার এটি এক আধুনিকতম উদ্যোগ।

zoom

মন খুলে বাজার করতে পারলেই কি অবসাদ কেটে যায়? ক্রমশ ভরে উঠতে থাকা শপিং-কার্ট কি আমাদের পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চাপিয়ে নিয়ে যেতে পারে সব পেয়েছির দেশে? জুলজুল করে দেখি, অ্যাপের রাজার দেওয়া বরে ঢেলে রয়েছে তেমন ব্যবস্থা। আসল বাজার না থাকলে ভুয়ো বাজার বিরাজ করুক। নকলই তোমার ইচ্ছা।

অন্য একটি অ্যাপে দেখলাম, খুব সীমিত সময়ের জন্য চালু হয়ে গিয়েছে টাইমার। অর্থাৎ, কিনে ফেলতে হবে এখনই। স্মার্টওয়াচটা পছন্দ হয়েছে? একদম বেশি ভাবনাচিন্তা নয়। ভরে দিন ভার্চুয়াল ট্রলিতে। মাসের বাজারটা এবার শুধুমাত্র অর্গানিক সামগ্রী দিয়ে করে ফেলতে পারলে কেমন হয়? দ্বিগুণেরও বেশি খরচ হবে। আরও বেশি হয়তো। হোক না! ‘তুমি কি নিয়ে এসেছিলে যা তুমি হারিয়েছ?’ আমরা কেউ তুতেনখামেন নই। অন্তিম যাত্রায় সঙ্গে থাকবে না ডেবিট ক্রেডিট কার্ড, মিউচুয়াল ফান্ডের রিটার্ন স্টেটমেন্ট। কানে কানে কে যেন বলে গেল, “জীবন একটাই। মেক ইট লার্জ।” লাখ দুয়েক টাকার এই ঘড়িটার থেকে চোখ সরছেই না একদম? ওই তো লেখা রয়েছে– লিমিটেড এডিশন, অনলি টু পিসেস লেফ্ট। ভরে ফেলা যাক শপিং ট্রলিতে, জলদি!

আরেব্বাস! দু’ লক্ষ সতেরো হাজার টাকার কেনাকাটা হয়ে গেল আজ? বেশ হয়েছে। হোক। ‘মেক পেমেন্ট’-এ ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে পর্দায় ফুটে উঠল, ‘সফলভাবে আপনার অর্ডার গৃহীত হল। আর এই শপিং অভিজ্ঞতার জন্য আপনার ডোপামিন লেভেল কত বেড়ে গেল জানেন? ৭০ শতাংশ।’

zoom

নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশের মতে, কিছু কিনব ভাবলেই শরীরের মধ্যে কুলকুল করে বইতে শুরু করে দেয় এক ম্যাজিক নদী। তাতে জল নেই। আছে স্পার্কলিং ওয়াটার। আঙুলের মৃদু স্পর্শে গ্যাজেট এবং মনের পর্দায় একইসঙ্গে জীবন্ত হয়ে ওঠে প্রোডাক্ট। আবহসংগীতে প্রচ্ছন্নভাবে চালু হয়ে যায়– ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’। কোনও সামগ্রী ভালো গেলে গেলে তাকে শপিং-কার্টে ভরে ফেলার মধ্যে মিশে থাকে প্রত্যাশা এবং সেটিকে হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা। কার্ট যত ভর্তি হয়, মনের গোপন, গহীন আনন্দ বেড়ে চলে। কোনও সামগ্রীর পাশে লিমিটেড এডিশন দেখতে পেলে উত্তেজনার পারদ বাড়ে আরও। বাস্কেটে ভরে ফেলি। বেজে ওঠে সুখশঙ্খ বিশ্বচরাচরে।

অনলাইন শপিংয়ের মধ্যে এক অদ্ভুত মজা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোনও পছন্দের প্রোডাক্ট আমরা যখন জুম করে দেখি, আমাদের মাথার মধ্যে জাঁকিয়ে বসতে থাকে প্রত্যাশা। কার্টে যোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বদলে যায় পুরস্কারে। অ্যান্টিসিপেশন থেকে রিওয়ার্ড। আর এই প্রত্যাশা-গুটিপোকার থেকে পুরস্কার-প্রজাপতির বিবর্তনে ডোপামিন এক মস্ত ভূমিকা নেয়। ‘অর্ডার কনফার্মড’ দেখিয়ে গ্যাজেটের পর্দায় যে মুহূর্তে বিরাট সবুজ রঙের রাইট-চিহ্নটি আসে, তুঙ্গে ওঠে আমাদের আনন্দ হরমোন। মার্কেটিংয়ের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, ‘আজকের অনলাইনের দুনিয়ায় শপিংয়ের আনন্দ শুধুমাত্র সামগ্রীটি পাওয়ার মধ্যে নেই। বরং, সেটি পাওয়ার আগের উত্তেজনার মধ্যেই লুকিয়ে থাকছে সিংহভাগ মজা।’ উপপাদ্যের শেষে ‘প্রমাণিত’ লেখার মতো লিখতে না পারা গেলেও মোটামুটি দৃপ্তভাবে বলা যায়, পছন্দের জিনিস শপিং-কার্টে যোগ করার সঙ্গে শরীরে আনন্দ হরমোন নিঃসরণের এক সমানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে।

zoom

একটি কথা খুব শোনা যাচ্ছে আজকাল। রিটেল থেরাপি। মানসিকভাবে ক্লান্ত, শ্রান্ত কোনও মানুষকে মুহূর্তে চাঙ্গা করতে এই থেরাপির না কি জুড়ি মেলা ভার। শপিংয়েই আনন্দ! তবে বাস্তবের বাজারে, আসল অ্যাপের বাজারে কার্ট ভরতে গেলে অর্থব্যয় হয়। ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বাজার করলেও ‘ক্যান স্প্রিং বি ফার বিহাইন্ড’-এর মতো স্টেটমেন্ট হাজির হয়ে যায় দ্রুত। এই বিল মনে জন্ম দিতে পারে আফসোসের। ‘কেন করলাম এরকম?’ বিনা অর্থে বাজার করার সুযোগ পেলে আর অত ঝঞ্ঝাট থাকে না। মন এবং পার্স– দুটোই পুষ্ট থাকে। বাজার করার এই নয়া পদ্ধতির নাম অনেকে দিয়েছেন ‘ডোপামিন শপিং’।

পৃথিবীজুড়ে তৈরি হয়ে গিয়েছে বেশকিছু ‘ফেক শপিং অ্যাপ’। এর জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। অনেকে হয়তো অ্যাপের নাম জানেন না এখনও। তবে সার্চ ইঞ্জিনে ‘ডোপামিন শপিং’ লিখে বাজার করার নতুন পথের সন্ধান চাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে হু হু করে। একটি নকল ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সংস্থার দাবি, তারা ইতিমধ্যেই সফলভাবে ‘মিটিয়ে’ দিয়েছে ২৫ লক্ষ লোকের খিদে। বলা বাহুল্য, এটি পেটের খিদে নয়। মনের খিদে। সংস্থাটি জানাচ্ছে, গত তিন মাসে তাদের পাশে থেকেছেন প্রায় এক লক্ষ ব্যবহারকারী, অ্যাক্টিভ ইউজার। মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টের এক অধ্যাপক বন্ধু এ-প্রসঙ্গে দিনকয়েক আগে বলছিলেন, ‘কনজিউমার বিহেবিয়ারের একেবারে মোক্ষম জায়গায় জাদুকাঠির ছোঁয়া লাগিয়ে দিয়েছে এই ধরনের অ্যাপ। চেক আউটের সঙ্গে শপিং সুখেও দাড়ি পড়ে। তখন শুরু হয় পেমেন্ট নিয়ে আফসোস। এর আগের জার্নিতেই তো আসল মজা। সেই মজাটা বালতি উপুড় করে দিতে এই নকল অ্যাপ একেবারে চূড়ান্ত সফল বলা চলে।’ দিনের শেষে আমার কাছে সামগ্রী নাই বা এল। কিন্তু তা কেনার বা অধিকার করার সফরের মধ্যে মিশে রয়েছে আনন্দ, আত্মশ্লাঘা এবং অহংবোধ। বেশ কয়েকটি অ্যাপ একেবারে শেষে একটি মেসেজ দেখিয়ে বলে– আজ কত টাকা বাঁচল। তা হল শপিং-কার্টে সংগৃহীত সামগ্রীর এমআরপি-র যোগফল।

zoom

তবে কোথাকার জল যে কোথায় গিয়ে মেশে কে জানে! বেশ কিছু খুঁতখুঁতে মানুষ আবার দাবি করা শুরু করেছেন, এমন অ্যাপের মাধ্যমে বিপণনবিদদের জন্য এক সার্ভে সমুদ্র-র সৃষ্টি করছি আমরা। আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের বিষয়ে আমরা তাঁদের জন্য বিনামূল্যে তৈরি করে দিচ্ছি ডেটা সম্ভার। সেই তথ্য অমনিবাস যে কোনওদিন বিক্রি হবে না, তার প্রতিশ্রুতি কই? রহস্যময়ী এই দুনিয়ার কতটুকুই বা জানি! নকল এবং আসল অ্যাপের মধ্যে কোনও গোপন আঁতাঁত ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে যায়নি তো?

আগামী দিন কি উপহার দেবে জানি না। কয়েক বছর পরে, আসল ফুড ডেলিভারির অ্যাপ খুললেই হয়তো প্রথমে ভেসে আসবে স্প্যাগেটি কার্বোনারা। আমি যে নতুনত্বে বিশ্বাসী ছিলাম! উপরওয়ালার উপরে রাগ দেখিয়ে অর্ডার করেছিলাম। রাগের সঙ্গে মিশে ছিল অভিমানও। মনের ব্যথা কি অ্যাপ বোঝে? হয়তো আমার আরও একটা অর্ডার থাকবে, জলের বোতলের। হয়তো আমার তখন তেষ্টা পাচ্ছে খুব। হয়তো আমি বাড়ির বাইরে তখন।

নকলের থেকে ‘শিক্ষা’ পেয়ে আসল হয়তো বলে উঠবে, ‘আগে কার্বোনারা কিনে ফেলো, তবে পাবে জল। আমি জানি তুমি কার্বোনারাকে ভালবাসো। কেনো। কিনতেই হবে। এখনই।’

………………

রোববার.ইন-এ পড়ুন অম্লানকুসুম চক্রবর্তী-র অন্যান্য লেখা

………………

Consumer Behaviour Digital Consumerism Dopamine Rush Dopamine Shopping Dopamine Shopping Habit Fake shopping App Mindful Shopping Modern Consumer Culture Online Shopping Psychology of Shopping Retail Therapy Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar Shopping Addiction

Share this article on