Robbar

পূর্ণেন্দু পত্রীর ‘শালিকের ঠোঁট’ ছেপে বেরল ‘শালিকার ঠোঁট’ হয়ে!

কাগজ বেরনোর পর দেখা গেল উপন্যাসের নাম হয়ে গেছে ‘শালিকার ঠোঁট’! পূর্ণেন্দুদা রেগে আগুন। পিঠে হাত দিয়ে সন্দীপন তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, ‘কী করবে ভাই বল! ছাপাখানার ভূত কাউকেই রেহাই দেয় না রে।’ পরে জানা গিয়েছিল এটা সন্দীপনদারই সূক্ষ্ম হাতের কাজ।

→

সাদা-কালো থেকে রঙিন হয়ে উঠল দূরদর্শন

শাশ্বতী বলল, ‘তোর কথা ভাবছি, এবার তুই কী করবি, কখনও তো ম্যাচিং ব্লাউজ দিয়ে শাড়ি পরিস না। যে কোনও শাড়ির সঙ্গে তোর ইচ্ছেমতো ব্লাউজ পরে নিস, সাদা-কালোয় অসুবিধে ছিল না, এবার তো রঙে বোঝা যাবে!’

→

কলেজ স্ট্রিটের ফুটপাথে বিক্রি হচ্ছিল পাতলা কাগজে ছাপা ‘কম্যুনিস্ট ম্যানিকেষ্ট’

লেখক-প্রকাশক-সম্পাদক মায় প্রুফ রিডার– কারুক্কে পরোয়া করে না ছাপাখানার ভূত! ভূতচতুর্দশী উপলক্ষে ‘ছাপাখানার ভূত’ নিয়ে প্রথম লেখা।

→

জোট-অঙ্কে ভোট-রঙ্গ

জোট আছে বলেই ঘোঁট আছে। আছে ভোটের রঙ্গ। তার টানেই বিদগ্ধরা পতঙ্গবহ্নি হয়ে ছোটে। ছুটে গিয়ে আগুনে পুড়ে মুখ কালো করে। ইতিহাস তার এলেম না বুঝুক, তাতে বয়েই গেল। আমপাবলিকের মন-মজলেই হবে।

→

আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?

এই অবিশ্বাস, অপ্রত্যয় এবং সংশয়ের যুগে হান কাং-এর উপন্যাস ‘গ্রিক লেসন্স’ ফিরিয়ে নিয়ে এল বাক্যহীন চক্ষুহীন অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো।

→

দীপ জ্বেলে যাওয়ার অঙ্গীকারের প্রতীক দীপাবলির পুতুল ‘দীপলক্ষ্মী’

দিওয়ালি পুতুল কখনও দীপলক্ষ্মী হয়েছে তো কখনও সে রাধা, আবার কখনও সে শাশ্বত আদি মাতৃকার প্রতীক হয়ে আমাদের মুক্তির আলো শত প্রতিকূলতার মধ্যে বহন করে চলেছে।

→

একটা বিদেশি সাবানের বিনিময়েও নাকি মস্কোয় নারীসঙ্গ উপভোগ করা যায়– এমনটা প্রচার করেছে ভারতীয়রা

পেরেস্ত্রৈকার প্রথম বছরেই গর্বাচ্যোভের মদ‌্যপান বিরোধী প্রচারের ফলে মদ‌্যপায়ীরা সাময়িকভাবে বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল। হোটেল-রেস্তোরাঁয় পর্যন্ত অ‌্যালকোহল দুর্লভ হয়ে পড়েছিল।

→

ভিটেমাটির এপার-ওপার, দুটোই যে সমান ‘বিপজ্জনক’

কেবলই পৃথিবী জুড়ে দৃশ্যের জন্ম হয়। অগুন্তি রিফিউজি কলোনির আকাশে এক ফালি চাঁদ।

→

সেল্ফ পোর্ট্রেটে অন্তরাত্মার খোঁজ করেছেন রেমব্রা ও ভ্যান গখ

রেমব্রা-র জীবন আর ভ্যান গঘের জীবনে যেন শত যোজন দূরত্ব! তবু যেন এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা দু’জনের জীবন।

→