‘ফেরিওয়ালার মৃত্যু’ নাটকের মঞ্চসজ্জা করেছিলেন খালেদ চৌধুরী। আর আলোকসম্পাতে ছিলেন তাপস সেন।
রাজনীতির ক্ষেত্রে যেমন ছিল ‘বন্দেমাতরম’ তেমনি খেলার ক্ষেত্রে ‘মোহনবাগান’। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত একথা লিখেছিলেন ‘কল্লোল যুগ’-এ।
স্কুল গড়ার কাজে উমাদির সঙ্গে নিরঞ্জনবাবু ছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। স্কুল নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কও হত খুব। যাঁরা দেখেছেন তাঁরা বুঝতেন স্কুল নিয়ে কতখানি প্যাশন ছিল দু’জনের মধ্যে সেসব তর্কে। স্কুলের কাজে চিনুদা প্রত্যক্ষভাবে জড়াননি, কিন্তু তাঁর পূর্ণ সমর্থন ছিল।
নব্বই জুড়ে পণ্যর বিজ্ঞাপন যেমন খুড়োর কল ঝোলাচ্ছিল উপভোক্তার সামনে, তেমন স্বপ্নের নায়কও দর্শকদের থেকে দূরে চলে যাচ্ছিল একটু একটু করে।
তবু, রাষ্ট্রের এই অতি চেনা অমানবিক আচরণের মধ্যেও সাইবাবা যে কীভাবে বাঁচার রসদ, ভালোবাসার জোর খুঁজে পেতেন!
প্রয়াত হলেন কলকাত্তাইয়া, প্রবীণ সন্দেশী, সংগ্রাহক, বইপোকা পরিমল রায়। রইল একটি স্মৃতিচারণ।
আসলে গৌরীর মৃত্যু কেবল তাদেরই নড়াতে পেরেছে, গৌরী যাদের জন্য নিজের কলমকে হাতিয়ারের মতো ব্যবহার করেছিলেন।
সোজাসুজি প্রশ্ন ঠুকে দিলাম এআই চরণে। যাকে নিয়ে এই আলোচনা, সেই বলুক। জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা, তুমি কি সাহিত্যে নোবেল পেতে পারো?’ সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় যা হয় এআইয়ের, এবারও হল ঠিক তাই।
বহু কষ্টে পাওয়া স্বাধীনতাকে বালাই ষাট বলতেই যেন মাধবীলতা আমাদের মেসে এল।
আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস। আন্দোলনে অন্দর-বাহিরের সীমারেখা একটু একটু করে মুছে দিতে দিতে ঘরের মেয়েরা অনেকটা সময় কাটিয়েছেন রাস্তায়। তখন কে সামলেছে তাঁদের গৃহস্থালির কাজ, হেঁশেলের দায়িত্ব?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved