Robbar

ছাব্বিশের বইমেলা বাণীপ্রধান!

মেলার চারদিকেই শব্দের বাগান, স্বপ্নের দৃশ্য। চোখ কচলে, গায়ে চিমটি কেটে নিজেকে আশ্বস্ত করার প্রয়োজন নেই। যাহা ঘটিল, তাহাই সত্য। স্টলে স্টলে দলে দলে লোক যে ভেসে যায়।

→

বই পোড়ানোর চেয়ে গুরুতর অপরাধ বই না পড়া

এমন কথাই বলেছিলেন জোসেফ ব্রডস্কি। দেখা গেল বইমেলায় জ্বলজ্বল করছে এ-কথা। তৃতীয় দিন বইমেলায় গরম বেশি। প্রথম শনিবার। হল্লাও বেশি। হয়তো বিক্রিও। মেলার মাঠে ধীরে ধীরে নতুন, টাটকা বই ঢুকে পড়ছে। পাঠকেরাও আহ্লাদিত। কেউ কেউ দাম দেখে আঁতকেও উঠছেন। সব মিলিয়ে মেলা জমে উঠেছে। আজ রবিবার, কাল সাধারণতন্ত্র দিবসের ছুটি। আমাদের যদিও ছুটি নেই। বইমেলায় রোজ আমরা থাকছি। থাকছে আমাদের কড়চাও। পড়বেন কিন্তু!

→

বিয়ে এখন ক্লেশ নয়, ক্লিশে

স্বামী বিয়ের বাইরে পা ফেলে অন্য নারীর আঁচ পোয়াবে স্ত্রীকে জানিয়ে। স্ত্রী বিয়ের গণ্ডির বাইরে ভিন্ন পুরুষের ওম পোয়াবে স্বামীকে অবগত রেখে। যেমন এক রান্না রোজ খাওয়া যায় না। স্বাদ বদলের প্রয়োজন আছে। তেমনই আর কী! এতে কোনও অন্যায় নেই। এইটুকু মেনে নিতে পারলে বিয়েটা সহনীয় হয়ে উঠতেও পারে।

→

মধুসূদন দত্ত আর অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফীকে মিলিয়ে দিয়েছিল ‘নীলদর্পণ’

২৫ জানুয়ারি বাঙালির থিয়েটারে নিয়ে এসেছে অদ্ভুত এক সমাপতন। এই দিনে ‘রেবেল পোয়েট’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম। ঠিক তার পঁচিশটি বসন্ত পেরিয়ে, উত্তর কলকাতায় জন্ম নিলেন বাংলা রঙ্গমঞ্চের ‘নটচূড়ামণি’ অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফী। এই সমাপতন কি শুধুই গাণিতিক?

→

মালিককে গিয়ে বল, ‘ব‌ইমেলা’ এসেছে!

মেলার দ্বিতীয় দিন। তায় সরস্বতী পুজো। দুয়ের যুগলবন্দিতেই কি উইক-এন্ডে ব‌ইমেলা জমজমাট? উত্তর খুঁজতে আপনাকে ফেলুদা হতে হবে না। কারণ, যে মেলায় এক‌ই সময়, এক‌ই মঞ্চে হাজির থাকেন অঞ্জন দত্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্যর মতো ব্যক্তিত্ব, সেখানে ভিড় তো জমবেই। বইমেলার কড়চা। জানাচ্ছে রোববার ডিজিটাল। জানাবে রোজ।

→

ক্যানেস্তারা নয়, কনসার্ট

রাতের অন্ধকার কেটে বেরিয়ে আসছে রক্ত উর্দি, কাঁধের অ্যাপোলেট– পিতলের ঝালর। ঘনকৃষ্ণতনু ক্ল্যারিওনেট। উজ্জ্বল সোনালি কটিবন্ধে চিকন বাগপাইপার। ট্রা রালা লি রালা লা। দেড়শ টাকা রোজ। ট্রা রালা লি রালা লা। বড়বাজারের গুমটিতে ঠাসাঠাসি। ট্রা রালা লি রালা লা। সস্তা মদ। আয়রনি অফ সেলিব্রেশন।

→

ইতনা বেঙ্গলি বুকস!

কলকাতা বইমেলা ২০২৬। ঘুরে-ফিরে দেখা। ইতিউতি স্টলে ঢুঁ। মাইকে চিৎকার। বিস্মিত বালক-বালিকার মুখ। বইয়ের গন্ধভরপুর। নানা কারুকাজ। নতুন বই-পুরনো বই। পুরনো প্রিন্টের বই, যাহ ফক্কা, দেরি করে এলে মিস! সইসাবুদ, লেখক পাকড়াও, পাঠক পাকড়াও! প্রথম দিন কেমন গেল? জানাচ্ছে রোববার ডিজিটাল। জানাবে রোজ। বইমেলার কড়চায়।

→

প্রাচীন বঙ্গের নদীরূপা সরস্বতী পাড়ের কথা

হুগলি নদী থেকে উৎপন্ন সরস্বতী আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়েছে। এই প্রবাহপথে নদীকে ঘিরে আছে পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সব স্থান। সরস্বতী নদীর পাড়ে হুগলির চণ্ডীতলা। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ধনপতি সওদাগরের কথা জানা যায়। শোনা যায়, তাঁর পুত্র শ্রীমন্ত সওদাগর বাণিজ্যের কারণে সরস্বতী নদী পথে নৌকায় হুগলি নদী পেরিয়ে সমুদ্রযাত্রা করতেন। যাত্রাপথে চণ্ডীতলায় দেবী চণ্ডীর ঘট স্থাপন করে পুজো করেন। সেইস্থানে মন্দির নির্মাণ করে দেন।

→

হিন্দুত্ববাদীদের মনীষী আত্মীকরণের তালিকায় সুভাষচন্দ্র সর্বাগ্রে

সুভাষ বোস সেই সময়ে ভাবতে পারেননি যে, ভারত স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা এতটা রাজনৈতিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যে হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা আজ রামরাজ্যের কথা বলেন এবং ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের যখন মারা হচ্ছে তখন সুভাষ বোসের এই কথাগুলো প্রণিধানযোগ্য। তাই যাঁরা আজকে সুভাষ বোসের ‘উত্তরসূরি’ হিসেবে নিজেদের দেখানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা যদি একটু সুভাষ বোসের সম্পর্কে পড়াশোনার চেষ্টা করতেন, তাহলে হয়তো লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলতেন।

→

বিবাহের বিচিত্র উপহার

‘বিয়ের উপহার’ মানে কী? দিচ্ছেটা কে? যৌতুক, তত্ত্ব, এ-সবের মধ্যে ‘উপহারের’ ছদ্মবেশে কি গোপনে উল্লাস করে চলে পণপ্রথা? নাকি শুধুই বিবাহ-অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত-অভ্যাগতরা যে উপহার দিয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান, তা-ই শেষকথা? এ গদ্য বিয়ের বিবিধ উপহার নিয়ে এক সবিস্তার সরস কাহিনি।

→