Robbar

পাতাবাহার

ইন্দুবালার খেরোর খাতা

১৫০ বছর আগের একটা মানুষ যেন ঘাড়ের কাছে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। শুরু থেকে একজন ব্যক্তি এবং তাঁর সঙ্গে সময়ের সম্পর্কের কথা পাঠকের অনুমান, যোগফল, সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারার স্বাধীনতা দেয়। এক নিঝুম দুপুরে আপন মনে হঠাৎ আবিষ্কারের সেই সুপরিচিত পদ্ধতিটিকে উসকে দেয় ছাপাইয়ের উৎকর্ষ।

→

কেবলই ‘ছবি’ নয়

বাংলা থিয়েটারে নারী চরিত্রে দীর্ঘদিন নিষিদ্ধপল্লির নারীরা অভিনয় করতেন। এঁদের মঞ্চে দেখার জন্য মারামারি চলত, কিন্তু সামাজিক প্রাপ্তি শূন্য। 'রঙ্গালয়' পত্রিকা এঁদের ছবি ছাপছে, তা হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে। এ নিছক জনপ্রিয়তা নয়, বরং সমাজের অপাংক্তেয় মানুষদের একই পরিবারভুক্ত করে নেওয়া। তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে সামাজিক দূরত্ব ঘোচানোর প্রক্রিয়া।

→

ডাকবাংলোর নিঝুম দিনরাত্রি

ডাকবাংলো মানেই কি কেবল তথ্য ও শুষ্ক ইতিহাসের ধারাবিবরণী? লেখক অভিষেক চট্টোপাধ্যায় নিজেই আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, ‘ডাকবাংলোর ইতিহাস, স্থাপত্য, প্রয়োজনীয়তা– সমস্ত কেজো তথ্যকে একত্রিত করলেও আরও একটি আঙ্গিক ছোঁয়া বাকি থেকে যায়, তা হল ডাকবাংলোর মজার গল্পকাহিনি।’

→

পুলকবেদনা জাগানো অবন-গগন সমন্বয়

তথ্যভ্রান্তি! দ্বিতীয় সংস্করণেও? অবন-গগন ঠাকুরকে নিয়ে, তাঁদের শিল্পচর্চা প্রসঙ্গে লেখা বই এত ভুলেভরা হবে কেন? প্রশ্নটি সহজ, উত্তর সম্ভবত ততটা সহজ নয়।

→

চলচ্চিত্রচর্চার অপার ভুবন

এই বইয়ের সূচনাবিন্দু যদি হয় আদিপর্বের সিনেমা, তারপর ক্রমে শহর ও পঞ্চাশের জনপ্রিয় ছবি, মধ্যপর্বে সে পৌঁছে যায় ক্রম-প্রসরমান ইমেজ কালচারে, টেলিভিশন আর গণপরিসরের অস্বস্তিকর নানা প্রশ্নে। কিন্তু শেষে গিয়ে সে আবার বেরিয়ে যায় আপাত-সময়পঞ্জী অনুসারী চলন থেকে।

→

যে বই হাতে অদ্রীশ বর্ধনের কথা মনে পড়ে যায়

কল্পকাহিনিকে কি আজকের বাংলা বাজার পাত্তা দেয়? এরই ফাঁকে স্পেকুলেটিভ ফিকশনের নামে কিছু ‘অশ্বডিম্ব’ প্রসব করে বিষয়টি আরও ঘেঁটে দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে কল্পনার আশ্চর্য জগতে ভাসতে যিনি চান, তিনি থোড়াই কলেজ স্ট্রিটের এই অশ্লীল রাজনীতিকে পাত্তা দেবেন!

→

নও শুধু পটে লিখা

শিল্পের লেখার সঙ্গে সাধারণ পাঠকের এক দূরত্বময় আলো-আঁধারির খেলা কি উতরোতে পারল এই বই? জানুন, কারণ সামনে বইমেলা। বইয়ের লিস্ট তৈরি করতে শুরু করেছেন তো?

→

বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে স্পন্দিত এক অন্য মহানগর-কথা

তীব্র কালসচেতন এই উপন্যাস আমাদের দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে আসন্ন একটি প্রকাণ্ড নিরালম্বতার দিকে, আর আমরা প্রায় কেঁপে উঠি নিজেদেরই নিয়তি-দর্শনে।

→

এক শিল্পী, এক বিজ্ঞান-অন্বেষকের স্বগতভাষণ

এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্‌সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।

→

ফুরিয়ে যাওয়া স্মৃতির চিরন্তন গল্প

নিজের জীবন ছেঁচে লেখক চোখের সামনে মেলে ধরেন রোদে ঝিকোনো মুক্তোবিন্দু। বিন্দু বিন্দু উচ্চারণেই যাদের সিদ্ধিলাভ।

→