আটের দশকে, দিনে ২৫ টাকা মাইনেতে, বাচ্চাদের পড়াতে চলে গেলেন তিনি, অজগাঁ নামালডিহায়।
এক অহমিয়া বাঁশি-বাদকের প্রেমকাহিনি বুনে, খাসি জনজাতির সঙ্গে দূরত্ব মুছতে চাইলেন ভূপেন হাজারিকা।
অসম্পূর্ণ বা অসমাপ্ত সিনেমা প্রসঙ্গে, দু’জনের নাম না বললে, ঘোরতর পাপ হতে পারে। হ্যাঁ, ঋত্বিক ঘটক আর গুরু দত্ত।
এবারের ফ্ল্যাশব্যাকে ডকুমেন্টরি কথা।
রাধিকাজীবন কর্মকার, মাত্র ১৬ বছর বয়েসে, ঢাকা ছেড়ে কলকাতায় এসে, শিষ্যত্ব নিলেন ফটোগ্রাফার যতীন দাসের। দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা, আসন্ন দেশভাগ, সদ্য-বিবাহিতা স্ত্রী– কিছুই গ্রাহ্য না করে, গুরুর সঙ্গে পাড়ি দিলেন বম্বে। বম্বে টকিজের কয়েকটা সিনেমায় তাঁর কাজ দেখে, মুগ্ধ হলেন সেইসময়ের কনিষ্ঠতম ডিরেক্টর-প্রোডিউসার, ভবিষ্যতের ‘গ্রেটেস্ট শোম্যান’, রাজ কাপুর।
পুরো তামিল সিনেমার ইমেজটাই ভেঙে ফেললেন তিনি। পুরুষ মানেই ঢিসুম ঢিসুম নয়! নারী মানেই নয় মিনমিনে নাচ আর তুলতুলে সংলাপ!
বলেছিলেন দাদা কোন্ডকে। ডাবল মিনিংয়ের আড়ালে তিনি ঠুকতেন রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় নির্লজ্জতাকে।
সমকাম নিয়ে ভারতের প্রথম সিনেমাটা মুছেই যেত, চিরতরে। কিন্তু ফেরত পাওয়া গেল। কীভাবে?
যাঁদের লেখায় লিপ দিয়ে ‘সিন’ বিখ্যাত হল, কিন্তু লেখকরা ঠিক ততটা নন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved