

শুধু আপনারই বা কেন হবে, আমার আপনার সকলের মাথার নাম ‘স্মৃতিমণ্ডল’। স্মৃতি নামের মন্ডল পদবিধারী মেয়ের কথা বলছি না, বলছি এক সমাসবদ্ধ পদের কথা। স্মৃতিমণ্ডল।
১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।
রোববার-এ ফিরলেন জয় গোস্বামী। লেখা নয়, অনন্ত কথাবার্তা পরিসর। যে-কথা ছুঁয়ে থাকবে তাঁর নানা স্মৃতি ও অনুসঙ্গকে। সঙ্গে শৈবাল বসু।
কবিতা পড়া শেষ করে মঞ্চ থেকে নিষ্ক্রান্ত হচ্ছেন যখন শম্ভু মিত্র, সুভাষ মুখোপাধ্যায় স্মিত হেসে দাঁড়িয়েছেন তাঁর সামনে। আবৃত্তি কেমন লাগল জানতে চাইছেন শম্ভু মিত্র। সুভাষ জানালেন: ‘ভালো, তবে আমি পড়লে বোধহয় আর একটু ভালো হত।’
অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যক্ষাধিপতি কুবেরের নাম। স্বর্গের সম্পদনিধির দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটিতে। কুবের সম্ভবত প্রাক-বৈদিক দেবতা। বৈদিক যুগে তিনি প্রথম সারির দেবতাদের মতোই প্রভাবশালী ছিলেন। অনেকেই ‘কুবের’ শব্দটিকে অস্ট্রিক গোষ্ঠীর শব্দ মনে করেছেন।
কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?
দেওয়াল ঘেঁষে একটা টেবিল আর সামনে ফুটপাথে গোটা দুই-তিন যেমন-তেমন বেঞ্চি। বসে চায়ের গেলাসটা হাতে নিয়েছি, হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হল ছোট্ট এক মেয়ে। পায়ে চটি, সুন্দর ফ্রক। মাথায় উমরোঝুমরো চুল।
আমার মনটাও একটা সুবৃহৎ আয়না। মনের ভিতরে যেন ওই আয়নার ওধারের জগৎটা রয়েছে। অথবা, ঠিক উল্টোটা। আমার মনের ভেতরে যা আছে, সেটাই আসল জগৎ। বাইরের জগৎটা আসলে ওই ভিতরের জগতেরই প্রতিবিম্ব।
বহিরাগত বলে মনে হচ্ছে যাদের, তাদের আমরা বের করে দিচ্ছি না। উদারভাবে গ্রহণ করছি। তাদের ক্যাম্পের নিভৃতিতে রেখে পুণ্য করার সুযোগ দিচ্ছি। দেশের জন্য পুণ্য, দশের জন্য পুণ্য।
পিতৃহারা রানী ও তার দিদি অন্নপূর্ণাকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসবার ভাবনা রবীন্দ্রনাথের। অন্নপূর্ণা গেলেন গান শিখতে আর রানী ছবির মধ্যে খুঁজে পেলেন প্রাণ। তারপর কত বসন্তে, শরতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে মিতালি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মন বেঁধে দিলেন অন্তহীন আনন্দের সুরে, নন্দলাল বসু শেখালেন সেই আনন্দের রং নানা মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved