

এই রকম প্রেমপত্র কতদিন পড়েননি বলুন তো? জীবনে একবারও কি পেয়েছেন এমন চিঠি? এমন প্রেমের চিঠি পড়ার থ্রিল ও পরম-লগ্ন কি এসেছে জীবনে?
মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র, নবকৃষ্ণের কাছে একবার তিন লাখ টাকা ধার করেছিলেন। নবকৃষ্ণ জানালেন, উক্ত টাকা তাঁকে আর শোধ করতে হবে না। বিনিময়ে গোপীনাথ শোভাবাজারেই থাকবেন। বলাবাহুল্য রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ক্রুদ্ধ হয়ে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলে এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন। সে মামলার রায় হল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে গোপীনাথ ফেরত দিতে হবে।
মিশরে দেখেছিলাম অন্য মরুভূমির আবহ। ধুলোঝড়। পিরামিডের ধ্বংসাবশেষ। বিশাল ‘স্ফিংস’-এর নিচে দাঁড়িয়ে দেখেছি তার ক্ষয়ে যাওয়ার বিষন্নতা। অসহায় স্ফিংসের চোখ থেকে জল নয়, আলতো করে নিঃশব্দে খসে পড়ছে বালি।
বাংলা কবিতায় সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের আবির্ভাব চমকপ্রদই ছিল। বুদ্ধদেব এক-এক করে চিনিয়ে দিয়েছিলেন সুভাষের প্রথম কবিতার বইয়ের অভিনবত্বগুলি। তাঁর ধারণায় সুভাষ সম্ভবত প্রথম বাঙালি কবি যিনি প্রেমের কবিতা লিখে কবি-জীবনের সূচনা ঘটাননি। ‘পদাতিক’ বইয়ের প্রথম লাইন হল– ‘কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না?’
প্রিয়ম্বদা এসেছেন সুরেন্দ্রর নৈশপার্টিতে দুরুদুরু বক্ষে। কেননা সেই পার্টিতে আসছেন ওকাকুরা। যাঁর তিনটি বিখ্যাত বই-ই পড়েছেন তিনি। যাঁর সম্বন্ধে শুনেছেন অনেক গল্প। বিশেষ করে ওকাকুরার নারীপ্রীতির রূপকথা।
জমির ফসল বাঁচানোর জন্য চাষিরা এখনও মরা কাক অনেক সময় জমিতে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে অন্যান্য পাখি সেই মরা কাক দেখে খুব ভয় পায়। সেই কারণেই এর নাম ‘কাকতাড়ুয়া’ হয়েছে বলে মনে হয়। এভাবে ভাবলে বিষয়টা সহজ হলেও গলায় বেঁধা কাঁটার মতো প্রশ্নটা অনেকের মনে খচখচ করবে: কাকের প্রতিকৃতি না-করে মানবাকৃতি করা হল কেন?
ট্রফির সঙ্গে বিদ্বেষের এই পৃথিবীকেও জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। এমন সাফল্যবানকে ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব কুর্নিশ জানাবেন, সেটাই কাম্য। যুদ্ধের বিষবাষ্পে দুই হাস্যোজ্জ্বল মহারথীর ‘দোস্তি’ রক্তকরবী হয়ে ফুটলে ক্ষতি কি!
আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে সবাইকে তাজ্জব করে দিয়ে হাজির হয়েছিলেন ‘অগ্রন্থিত’ এক ‘শক্তি চট্টোপাধ্যায়’! কবিতা নয়, কবি স্বয়ং। কারণ তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন তাঁর ‘আমি’র আর কোনও অস্তিত্ব নেই, বিবরণ নেই, সত্তাভেদ নেই, একমাত্র তাঁর কবিতা ছাড়া। তিনি নিজেই দীর্ঘ এক কবিতা। অগ্রন্থিত।
জীবনের ব্যক্তিগত স্তরেও আসলে আমরা বহু তালা বয়ে বেড়াই। অভিমান, ভয়, অপরাধবোধ। এসব আমাদের ভিতরের কক্ষগুলো বন্ধ করে রাখে। বাইরে থেকে কেউ জোর করলে দরজা ভাঙতে পারে, কিন্তু ভাঙা দরজা নিরাপত্তা দেয় না। দরকার হয়, সমঝোতা, ক্ষমা, ভালোবাসার মতো একটি উপযুক্ত চাবি।
শিবরামের সঙ্গে প্রেমেন্দ্র মিত্রের বন্ধুত্ব কিন্তু তাতে নষ্ট হয়নি। বন্ধু ‘শিব্রাম’কে নিয়ে একাধিক লেখা লিখেছেন প্রেমেনদা। আবার ‘পাতালে পাঁচ বছর’ প্রথমবার প্রকাশের পরে শিবরাম লিখেছিলেন– ‘পাতালে বছর পাঁচেক’ নামে একটি গল্প।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved