বিজ্ঞাপনের নিচে ঠিকানার জায়গায় আমাদের দে’জ পাবলিশিং-এর ঠিকানা, ১৩ নম্বর বঙ্কিম চ্যাটার্জি স্ট্রিট লেখা আছে। যদি খুব ভুল না করি তাহলে এই ‘সম্মিলিত গ্রন্থপঞ্জী’ দু-বার মাত্র প্রকাশিত হয়েছিল। ‘সম্মিলিত গ্রন্থপঞ্জী’ সংকলন ও ছাপার ভার ছিল বামাদার ওপর।
শেষ মুহূর্তে তিনি সম্পর্ক পাতালেন মৃতদের সঙ্গে। পরিবার-প্রিয়জনের থেকে দূরে মৃত্যুবরণের ক্ষত তিনি সারিয়ে তুলতে চাইলেন।
হাতে যত কম পয়সাই থাকুক না কেন, মাহমুদ-রশীদার খাবার টেবিলে সবার জন্য খিচুড়ি-আচারের ব্যবস্থা থাকতই।
মোটকথা দেখলাম, একটা আস্ত পৃথিবী রোজ রোজ ঘুরে যাচ্ছে অবলীলায়, অর্থ অনেক দৌড়েই কিছুতে যার সঙ্গে পেরে ওঠে না। এই ময়লাটে জীবন সময়মতো নিজেকে কেচে সাফসুতরো করে নিতে জানে দিব্যি। অবসাদ কিংবা ক্লান্তিতে ইউজ-অ্যান্ড-থ্রো হয়ে ওঠে না কিছুতেই।
হরিসাধন দাশগুপ্ত প্রোডাকশন্সের দু’টি উল্লেখযোগ্য তথ্যচিত্রের কাজে রাজার সঙ্গে আমি ছিলাম, দু’টির কাজই শান্তিনিকেতন নির্ভর।
লেখার টেবিলে বসলেই টেবিলটা আমাকে নিয়ে যায় আমার অতীতে। আমার আমাকে বলে, ‘তোর অতীতের পাপ, অপরাধ, নরকই তোর লেখার স্বর্গ। সব রত্ন লুকিয়ে আছে ওখানেই। তোর পক্ষে লেখার উপাদান আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়।’
পঞ্চাননতলার পাশে ফণী পোটোর বাড়ি বলে কি কেউ একটা লিখে দিতে পারত না! তাহলে আমিই করব এবার। এই লেখাটার মাধ্যমেই ইন্টারনেটে নাম তুলব ফণীজ্যাঠার।
সাহিত্যের সব দিকে ‘কলেজ স্ট্রীট’ হাত না বাড়ালেই ভালো। বলাইবাহুল্য এই মতামতকে আমরা আদপেই গুরুত্ব দিইনি।
১৯৫৬-তে তুর্কি বিপ্লবী কবি নাজিম হিকমত লিখলেন ‘I come and stand at every door’। পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের বিরুদ্ধে। লিখলেন একটি সাত বছরের মৃত শিশুর দৃষ্টিভঙ্গিতে। মৃত শিশুদের বয়স বাড়ে না, মৃত শিশু সভ্যতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে যুদ্ধের ভয়াবহতার চিহ্ন হয়ে।
মুখের চামড়া থেকে মেক-আপ তুলতে তুলতে চোখ কড়কড় করছিল। নিশ্চয়ই চোখের বালিই হবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved