ঈশ্বর আর প্রকৃতির এই পার্থক্যের রূপটি স্পষ্ট করতে রবীন্দ্রনাথ দাবাখেলার উল্লেখ করেছেন।
আমার কাছে বিসমিল্লার তথ্যচিত্রটা খুবই জরুরি, কারণ সেই প্রথম কোনও ছবিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে আমার নাম গিয়েছিল।
রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেবেন্দ্রনাথ কিশোরবেলায় যে ব্যবহার করতেন তা দ্বারকানাথ সুলভ নয়, রামমোহন সুলভ।
অনুবাদের সূত্রেই ননী ভৌমিকের সঙ্গে তৈরি হয়েছিল আত্মিক যোগ।
কৃত্তিবাস ওঝা বিরচিত ‘শ্রীরামের পাঁচালী’-তে উল্লেখ আছে দেবী যোগাদ্যার।
শুনেছি, চুনী গোস্বামী একবার তাঁর পিছনে লাগতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘শামু, তোর থেকে কালো বোধহয় কেউ হতে পারে না!’ মুচকি হেসে শ্যামসুন্দর নাকি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমার মতো গোটা দিন ধরে ব্যাটিং কর। তুইও কালো হয়ে যাবি!’
গোড়া থেকেই বাথ পার্টি সরকারের গোয়েন্দাদের শ্যেন-নজর পড়ল জামিল রন্জ্বার-এর ওপর, থোড়াই পরোয়া তাতে!
মধ্যবিত্ত বাঙালি জীবনে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের সুদূরপ্রসারী বেশ কিছু প্রভাবের মধ্যে বোধহয় অন্যতম বাঁধা মাস-মাইনের দশটা-পাঁচটার ‘চাকরি’র ভাবনা।
তিনটি বিষয় গোটা ছবিটিকে নিয়ন্ত্রণ করে গেল। এক, জমি বা ভূখণ্ডের হকদার থাকা, দুই, উৎপাদিত কৃষিদ্রব্যর ওপর গ্রামবাসীর অকৃত্রিম অধিকার ও লুটেরাদের সঙ্গে লড়াই, ও তিন, গ্রামজীবনের সারল্য ও তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকা তীব্র আত্মমর্যাদাবোধ।
এই হল সেই শিল্পের পথ, যেখানে আমি কৃচ্ছ্রসাধন করেছি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved