

নানা কথা বলছিলেন একেবারে ডায়লগ বলার মতো করে। যেমনটা সিনেমায় এতকাল দেখে এসেছি।
ভাষা শিক্ষার প্রথম ভাগেই পড়ুয়াদের কাছে শ্রমের বিবরণে দেশটা যাতে বাস্তব হয়ে ওঠে সে চেষ্টাই করেছেন রবীন্দ্রনাথ।
সুভাষদার ৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাঁর জন্মদিন আমরা পালন করেছিলাম মস্কোয়, ননী ভৌমিকের বাড়িতে।
বিগ্রহ দর্শনে বিচ্ছেদ যন্ত্রণা ঘোচে, সেই বিশ্বাসে আজও ভিড় জমে যুগল কিশোর মন্দিরে।
যদি ভেবে থাকেন, ঝড়ের টানে ভেসে গিয়ে মুরারি মুখোপাধ্যায় দ্রোহকালের অশ্বারোহী হয়েছিলেন– ভুল করবেন!
সুরই আদতে মিত্রা, দর্পণা, মিনার, প্রাচী-র অন্ধকারের সীমা ছাড়িয়ে সিনেমাহল-কে করে তুলেছিল, সততই জনতার।
প্যাকেজ দিয়ে কেনা কৃত্রিমভাবে তৈরি শিশু, যার সব জিনগত সিলেকশনও প্যাকেজের রেট অনুযায়ী করা যায়।
পাশাপাশি এ-ও বলতে হবে, রবীন্দ্রনাথের আঁকা নারীমুখে যেমন অনেকে নতুন বউঠানের মিল খুঁজে পান, তেমনই কারও চোখে সেখানে উদ্ভাসিত ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর আদল। এই দ্বিতীয় মতে, চিত্রী রবি ঠাকুরের চোখে ওকাম্পোর ছায়া নিঃসন্দেহে আরও প্রবলতর, কারণ নতুন বউঠান সেখানে দূর গ্রহান্তরের বাসিন্দা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved