রবীন্দ্রনাথ সেই প্রায় কিশোরী অমৃতার প্রসঙ্গে অবহিত ছিলেন না– যিনি কি না পরবর্তীকালে ভারতের অন্যতম সেরা শিল্পী হয়ে উঠবেন।
তৃতীয় বিশ্বকে এইভাবে ধরেন সাংবাদিক, টিভি সিরিজ লেখক এবং ঔপন্যাসিক লরেন ব্যুক্স। একটি মেয়ে, যার দুর্ঘটনায় পা কাটা গিয়েছে, সে প্রযুক্তি সহায়তায় নতুন শরীর পায়। এবং তাকে বিশ্ববাজারে প্রমোট করা হয় সেরা দৌড়বীর হিসেবে।
মনে হচ্ছে, কোথাও একটা পৌঁছনোর আছে কিন্তু কোনওকালেই পৌঁছতে পারছি না। রবীন্দ্রনাথের মনে তাই প্রশ্ন জাগছে, ‘আমাদের অস্তিত্বই কি এইরকম অবিশ্রাম চলা, এইরকম অনন্ত সন্ধান?’
১৯৮২ সালে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রথমবার দেখা হয়েছিল মৃণাল সেন ও মার্কেসের। দু’জনেই সেই বছর ছিলেন জুরি।
আত্মসুখের স্নেহ জীর্ণ করে মা ও সন্তানের সম্পর্ককে, বিশ্বাস করতেন রবীন্দ্রনাথ।
মস্কোয় ছোট বড় যে কোনও বাঙালির কাছে, এমনকী বাংলা ভাষাবিদ রুশিদের কাছেও তিনি ছিলেন ‘ননীদা’।
শিকাগো ধর্মসভায় ভারতের ধর্ম ও দর্শনের জয়পতাকা উচ্চে তুলে ধরার প্রেরণা ও পথনির্দেশ স্বামীজি পেয়েছিলেন এই তীর্থ থেকে।
দুর্গাশঙ্কর মুখোপাধ্যায় সেই উপেক্ষিত বঙ্গ-ক্রিকেটার, তৃতীয় রিপু যাঁকে বশ করতে পারেনি।
শুধু... একজন প্রেমিক ছিল তাঁর। একজনই প্রেমিক ছিল তাঁর। কবিতা! শত অভাবেও কবিতা ছেড়ে যায়নি তাঁকে।
জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস বা সুবল মিত্রের অভিধানে ‘পাড়া’ খুঁজলে দেখা যাবে যে এই ধারণা মূলত গ্রাম বাংলায় ছিল, সেখান থেকে কলকাতা শহরে আগমন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved