Robbar

রোজনামচা

সমাজ ‘স্পেশাল’ হতে পারেনি, তাই অটিস্টিক শিশুদের ‘স্পেশাল’ ভাবতে চায়

আজ অটিজম অ্যাওয়ারনেস ডে। জাতিসংঘ ২০০৭ সাল থেকে ২ এপ্রিল দিনটিকে সমাজে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির দিবস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসর্ডারে আক্রান্তদের নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার ‌ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ কি এখনও পিছিয়ে থাকবে?

→

এআই সব পারবে, কিন্তু বোকামিগুলো করতে পারবে না

এআই সব পারবে, কিন্তু মাসের শেষে কিছু কেনা নেই বলে হাতের কাছে যা আছে তাই দিয়ে যে পদ তৈরি– তার এলেম এআই-এর রেসিপি বুকের মধ্যে হবে না। এগুলোই শিল্প।

→

মাঝরাত্তিরে চাঁদের কাস্তে, ধারালো হচ্ছে আস্তে আস্তে

মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় হঠাৎ। জানলা দিয়ে তাকিয়ে দেখি, একটা অদ্ভুত একাকিত্বময় নখের মতো চাঁদ এসে হাজির।

→

মেয়েদের শরীরের সব দাগ মেয়েদের অর্জিত নয়

যদি দাগই মুছে ফেলো, স্মৃতিও মুছে ফেলা দস্তুর। পারবে পুরাতন প্রেম ছাড়া বেঁচে থাকতে? পারবে সেই আদিম ডাককে অস্বীকার করতে? বারবার জিতে যাওয়াগুলো ভুলে যেতে? সেইসব অপ্রেমের ভেতর নিজেকে খুঁজে পাওয়ার ওই আনন্দ ভুলে যেতে? কাটাগাছে হাত কেটে রক্তাক্ত, তবুও রাতের শেষে সেদিন বাঁকা চাঁদ উঠলে তুমিই তো আলোয় ভরে উঠেছিলে, আরও কিছুদূর এগিয়ে গিয়েছিলে। ফেরার রাস্তা ভুলতে চেয়েছিলে। আধেক আলো আর গোটা জীবন নিয়ে ফিরে এসেছিল সকাল হতে।

→

হত্যাকাণ্ডের পর চাঁদ উঠলেও আমাদের চোখ জ্বালা করে না

ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত নিথর শরীরগুলোতেও হয়তো অজস্র আদরের চাঁদের টিপ খুঁজে পেলেও পাওয়া যেতে পারে! কিন্তু চাঁদ প্রতি রাতজুড়ে কি সেই আদরের টিপ দেখতে সক্ষম?

→

আড্ডার বাড়ি ফেরা

আজ ইদের দিন, চাঁদের দিন– সে উপলক্ষে সকলের ‘চাঁদদা’– অনিরুদ্ধ লাহিড়ীর অপ্রকাশিত লেখাটি প্রকাশিত হল রোববার.ইন-এ।

→

নৈশ আতঙ্কের নীরব দর্শক

সাহিত্যকর্ম বা চলচ্চিত্রে অতিপ্রাকৃত অস্তিত্বের সঙ্গে চাঁদের সম্পর্ক বারেবারেই দেখানো হয়। তন্ত্রসাধনার ক্ষেত্রেও চাঁদের অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলা তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সর্বত্রই চাঁদ হয়ে উঠেছে রাতের প্রতিনিধি।

→

অভিজ্ঞতা-লাভের ইচ্ছা চাঁদের ওপিঠ পর্যন্ত পৌঁছেছিল মণীন্দ্র গুপ্তর

শিব-ত্রিকালেশ্বরের কপালের চাঁদ নয় শুধু, মণীন্দ্র গুপ্ত ক্ষমার কবিতা লিখতে গিয়ে কবির বাড়ির কপালেও চাঁদ দেখেছেন। দিগভ্রান্ত চাঁদ। জ্যোৎস্নার আবছায়ায় যখন স্পষ্ট করে আর-কিছুই বোঝা যায় না। বোঝা যায় না রাতের পাখি কখন উড়ে যায়! তখন কবিতা লেখার কথা মনে আসে।

→

সারাদিন নিমগ্ন গ্রন্থাগারে, বিকেলে সূর্যছোঁয়া গান

এই শতকের সূচনায় সন্‌জীদা খাতুন ফিরে এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। গবেষণার বিষয় করলেন রবীন্দ্রসংগীতের স্বরলিপির ইতিবৃত্তকে। তখন তাঁর অবস্থান পূর্বপল্লীর পঞ্চবটি বাসগৃহে।

→

রবীন্দ্রনাথের গানের প্রচলিত পর্যায় বিভাগকেই প্রশ্ন করেছিলেন সন্‌জীদা খাতুন

২৫ মার্চ প্রয়াত হয়েছেন সন্‌জীদা খাতুন। শান্তিনিকেতনের এই আশ্রমকন্যা ক্রমে হয়ে উঠেছিলেন ভাষার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের অভিমানের মুখ।

→