

সংলাপ প্রক্ষেপণ কত সুদূরপ্রসারী হতে পারে, তা প্রমাণিত ওই জবানিতে। বড় মাপের অভিনেতা না হলে সংলাপ ‘কিংবদন্তি’র স্তরে পৌঁছতে পারে না। তিনি এ জিনিস অনায়াসেই করতে পেরেছেন।
রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন রথীন্দ্রনাথ ‘কাজের মানুষ’ হয়ে উঠুক। এই ‘কাজের মানুষ’ হয়ে উঠতেই নিজেকে বাবার আরব্ধ কাজে সমর্পণ করেন রথীন্দ্রনাথ। পিছনে পড়ে থাকে তাঁর নিজের স্বপ্নপূরণের ইচ্ছা। পিতার নির্দেশই হয়ে ওঠে তাঁর কাছে অপ্রতিরোধ্য, অবশ্য পালনীয়। রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে এই বিশেষ নিবন্ধ।
‘পদ্য খাইয়ে খাইয়ে আমাকে পদ্যপ করেছ’। এই লাইন ভারতবর্ষে দু’জন লিখেছেন– একজন মির্জা গালিব, অন্যজন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। দুশো বছর আগে গালিব লাইনটা লিখেছিলেন, ছাপতে দেননি, শক্তির হাতে দিয়ে জন্নত চলে গেছেন।
কত বড় বড় নায়ক-নায়িকা কেন্দ্রিক সিনেমায় বিশাল বিশাল পার্শ্বচরিত্রর পাশে, যাকে এখন ‘ensemble cast’ বলার চল হয়েছে, তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা থাকলেও রবি ঘোষের দিক থেকে চোখ ফেরানো যায় না। এতই স্বতঃস্ফূর্ত তাঁর অভিনয়।
কবির কোনও ভ্যানিটি ছিল না। যেখানে সেখানে বসে পড়তেন চায়ের ঠেকে। কেউ চাইলেই এক টুকরো কাগজে কোনও কবিতার লাইন লিখে দিতেন। তারপর সেটার কী হত, জানতেও চাইতেন না। এমনিই ছিল তাঁর সরল জীবন-যাপন। সেই প্রয়াত কবি অরুণ চক্রবর্তীকে নিয়ে এই বিশেষ স্মৃতিচারণা।
সলিল চৌধুরীকে নিয়ে কবীর সুমন, তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের একটি অংশবিশেষ, যা এতদিন অপ্রকাশিত ছিল। রোববার.ইন-এর পাঠকের কাছে হয়তো এ এক অপ্রত্যাশিত উপহার।
দারিদ্রে লালিত, আজন্ম বস্তুসুখে বঞ্চিত মেয়েটি যেন এক আশ্চর্যময়ী। সে দুয়ারের ভিখারিকে ভিক্ষা দেয় পিছনপানে সংকটের দিকে তাকাতে তাকাতে, মৃদু ভীত, অপারগ, যে সমস্যাগুলি সে এখনও পুরোপুরি বোঝে না, তাকে বুঝছে কিন্তু বুঝছে না... পিতৃতান্ত্রিক পরিবারে ভাইয়ের গুরুত্ব বেশি সে জানে।
প্রয়াত হয়েছেন উমা দাশগুপ্ত। ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা। সিনেমায় তাঁর প্রয়াণে কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন তাঁর প্রিয় ভাই অপু? শুটিংয়ে কী করতেন? জানাচ্ছেন সেই অপু।
সার্ত্র বলেছিলেন অলোকরঞ্জনকে– ‘কবিতায় অন্যভাবে কাজ করা যায়, কিন্তু গদ্য লিখতে গেলে সামাজিক দায়িত্ব নিতে হয়।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved