

আমরা যারা বিজয় দিবসে পৃথিবীর মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামে এক নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে বিপুল অহংকার ও গৌরব বোধ করেছিলাম, তারা মনে করেছিলাম, রাজনৈতিক সীমানা এক না হোক, সীমানাহীন এক বৃহৎ বাঙালি জাতি আছে। তা কি আজ প্রশ্নের মুখে?
হাজার বছরে জাকির হুসেনের মতো এক-আধটা শিল্পী জন্ম নেয়। তাঁকে দেখতে পাওয়া, তাঁর সঙ্গে স্টেজে পারফর্ম করা, বাজানো– আমার সৌভাগ্য।
তবে সব মধুরেরই শেষ না হয়েও শেষ হয় কখনও কখনও। দিনু ঠাকুরের জীবনের শেষভাগে একসময় এসে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় তিনি ১৯৩৩ সালে তাঁর সাধের শান্তিনিকেতন, সঙ্গীত ভবন ও সর্বোপরি রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন।
নিজেকে বর্ধিত করে, নিজে শাখা-প্রশাখাকে বিরাটভাবে ছড়িয়ে ফেলেও নিজের শিকড়কে তুমুলভাবে আঁকড়ে থাকার নামই জাকির হুসেন।
প্রয়াত কিংবদন্তি তবলাবাদক জাকির হুসেন। রোববার.ইন-এর তরফে রইল তাঁকে নিয়ে স্মরণালেখ।
১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ‘বিজয় দিবস’। সেই উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।
যে রসুলন কৃষ্ণপ্রেমের গানকেও জগৎ-জোড়া শ্রোতার কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, তাঁদের শুনিয়েছিলেন তাঁর প্রাণের চৈতি, ঝুলা, হোরি– ১৯৬৯ সালের আহমেদাবাদ দাঙ্গায় সেই রসুলনের বাড়িটিই জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে যায়।
স্মিতা পাটিলের মারাঠি ছবি ‘উমবার্থা’ (হিন্দিতে ‘সুবাহ’)-র প্রিমিয়ারের টাকা তুলে তিনি তুলে দিয়েছিলেন ‘উইমেন্স সেন্টার’কে একটা ঘর কেনার জন্য।
এই আশ্চর্য মানুষটিকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে তেমন চর্চা নেই। যাঁর 'খামোশ' হুংকারে ঢাকার রাজপথে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল দুর্ধর্ষ পাকিস্তানি সেনা, নামিয়ে নিয়েছিল বন্দুক, তিনিই লাল মওলানা ভাসানী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved