

কত বড় বড় নায়ক-নায়িকা কেন্দ্রিক সিনেমায় বিশাল বিশাল পার্শ্বচরিত্রর পাশে, যাকে এখন ‘ensemble cast’ বলার চল হয়েছে, তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা থাকলেও রবি ঘোষের দিক থেকে চোখ ফেরানো যায় না। এতই স্বতঃস্ফূর্ত তাঁর অভিনয়।
কবির কোনও ভ্যানিটি ছিল না। যেখানে সেখানে বসে পড়তেন চায়ের ঠেকে। কেউ চাইলেই এক টুকরো কাগজে কোনও কবিতার লাইন লিখে দিতেন। তারপর সেটার কী হত, জানতেও চাইতেন না। এমনিই ছিল তাঁর সরল জীবন-যাপন। সেই প্রয়াত কবি অরুণ চক্রবর্তীকে নিয়ে এই বিশেষ স্মৃতিচারণা।
সলিল চৌধুরীকে নিয়ে কবীর সুমন, তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের একটি অংশবিশেষ, যা এতদিন অপ্রকাশিত ছিল। রোববার.ইন-এর পাঠকের কাছে হয়তো এ এক অপ্রত্যাশিত উপহার।
দারিদ্রে লালিত, আজন্ম বস্তুসুখে বঞ্চিত মেয়েটি যেন এক আশ্চর্যময়ী। সে দুয়ারের ভিখারিকে ভিক্ষা দেয় পিছনপানে সংকটের দিকে তাকাতে তাকাতে, মৃদু ভীত, অপারগ, যে সমস্যাগুলি সে এখনও পুরোপুরি বোঝে না, তাকে বুঝছে কিন্তু বুঝছে না... পিতৃতান্ত্রিক পরিবারে ভাইয়ের গুরুত্ব বেশি সে জানে।
প্রয়াত হয়েছেন উমা দাশগুপ্ত। ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা। সিনেমায় তাঁর প্রয়াণে কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন তাঁর প্রিয় ভাই অপু? শুটিংয়ে কী করতেন? জানাচ্ছেন সেই অপু।
সার্ত্র বলেছিলেন অলোকরঞ্জনকে– ‘কবিতায় অন্যভাবে কাজ করা যায়, কিন্তু গদ্য লিখতে গেলে সামাজিক দায়িত্ব নিতে হয়।’
কাজেই চলুন হেঁটে আসা যাক। নির্বাণ বা এলডোরাডোর খোঁজে নয়, স্রেফ হাঁটার জন্যই। ভাবনা মিলুক বা না মিলুক। বিপ্লব আসুক বা না আসুক। সুগার কমুক বা না কমুক।
করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলে হয়তো একজন একা মা হিসেবে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়া চোখে জলভর্তি সর্বজয়ার চিত্রণ বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু অপরাজিত ছবিতে তিনি আগের থেকে আরও শক্ত, তাঁর চোখ দুটো স্থির। ১৩ নভেম্বর করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ লেখা।
আপনি চিত্রকে ‘এজিটেটর, অর্গানাইজর’ বলে গেছিলেন, তাঁর উত্তরসুরি কি আমরা হতে পেরেছি? হয়তো আপনার কাজ আমাদের গ্রামের ঘরের দেওয়ালে থাকে না, তবুও আজও গ্রামের আনাচেকানাচে আপনার ছবি কোনও কোনও দেওয়ালে নতুন রাজনৈতিক শিল্পীরা এঁকেই যান।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved