কৈশোরে শরদিন্দুর লেখা পড়ে মহেশ্বরবাবু কখনও ব্যোমকেশ হতে চেয়েছেন, আবার প্রথম যৌবনে মহেশ্বরবাবু কৃত্তিবাসী কবিদের জীবনদর্শনে আকৃষ্ট হয়ে নাম বদলে হতে চেয়েছেন কৃত্তিবাসা!
পুকুরের মতো এক পূর্ণাঙ্গ বাস্তুতন্ত্রের মধ্যমণি হয়ে বসে থাকেন শিব। মূলত বাস্তুতন্ত্রের রক্ষার প্রতীকী হিসেবে।
শিব বাঙালির আধ্যাত্মিক ও সামাজিক চেতনায় বারোমাস থাকেন। কখনও তিনি পিতা তো কখনও তিনি প্রেমিক, আবার কখনও হয়ে ওঠেন জীবনযুদ্ধে ক্রমাগত লড়ে যাওয়া মাঝ বয়সি বাঙালি পুরুষ।
শিবের ছবি ছাপা গণবস্ত্র, সঙ্গে ‘ব্যোম ভোলে’। অবশ্য ‘ব্যোম ভোলে’ মনে মনে উচ্চারণ করলেও কাশীর ঘাটে লালমোহনবাবুকে মনে পড়ে যায়। এক ডায়লগে কাশী।
তাঁর চিত্রভাষার স্বাতন্ত্র্য ও মেহিকোর নবলব্ধ আত্মপরিচয়ের রাজনীতিকে ইউরোপীয় আভা গার্দের হেজিমনি গ্রাস করুক, ফ্রিদা চাননি তা কখনও।
১৯৭০-এর দশকে সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর জাদু গদ্যে অন্য অনেক কথার মধ্যে শুনিয়েছিলেন ‘বিধবা গ্রাম’-এর কথা। এখনও এই শব্দবন্ধটি ভেসে বেড়ায় সুন্দরবনের আনাচে-কানাচে।
নানা রকমের বাঘের পুতুল। এখনও বেঁচে আছে এই বাংলায়। কিন্তু কতদিন?
বাঘ যে শুধুমাত্র বাঘ নয়, ক্ষেত্রবিশেষে মানুষও, কিংবা উল্টোটা– এই দর্শনের কাছেও পৌঁছে দেয় কবিতার উদাহরণগুলি।
এস্পেরান্তোর বাংলা তরজমা: যে আশা করে। এস্পেরান্তোর আশাবাদ মিশে থাক বাংলা ভাষার আদিগন্ত খেত জুড়ে। বিশ্ব এস্পেরান্তো দিবস উপলক্ষে বিশেষ লেখা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved