Robbar

মিনি সিরিজ

শ্যামল গাঙ্গুলির দেখা একেকটা বাজার আসলে একেকখানা উপন্যাস

এ এক অন্য অনন্য গ্রন্থ। পড়তে পড়তে কেবলই মনে হয়, বাজার শুধু কেনা-বেচার জায়গা নয়। বাজার একজন জবরদস্ত হেডমাস্টার। আপনাকে মানুষ চেনায়। রুচি শেখায়। মানুষে মানুষে সম্পর্ক বোঝায়। সহানুভূতিশীল করে তোলে।

→

বিয়ে এখন ক্লেশ নয়, ক্লিশে

স্বামী বিয়ের বাইরে পা ফেলে অন্য নারীর আঁচ পোয়াবে স্ত্রীকে জানিয়ে। স্ত্রী বিয়ের গণ্ডির বাইরে ভিন্ন পুরুষের ওম পোয়াবে স্বামীকে অবগত রেখে। যেমন এক রান্না রোজ খাওয়া যায় না। স্বাদ বদলের প্রয়োজন আছে। তেমনই আর কী! এতে কোনও অন্যায় নেই। এইটুকু মেনে নিতে পারলে বিয়েটা সহনীয় হয়ে উঠতেও পারে।

→

ক্যানেস্তারা নয়, কনসার্ট

রাতের অন্ধকার কেটে বেরিয়ে আসছে রক্ত উর্দি, কাঁধের অ্যাপোলেট– পিতলের ঝালর। ঘনকৃষ্ণতনু ক্ল্যারিওনেট। উজ্জ্বল সোনালি কটিবন্ধে চিকন বাগপাইপার। ট্রা রালা লি রালা লা। দেড়শ টাকা রোজ। ট্রা রালা লি রালা লা। বড়বাজারের গুমটিতে ঠাসাঠাসি। ট্রা রালা লি রালা লা। সস্তা মদ। আয়রনি অফ সেলিব্রেশন।

→

বিবাহের বিচিত্র উপহার

‘বিয়ের উপহার’ মানে কী? দিচ্ছেটা কে? যৌতুক, তত্ত্ব, এ-সবের মধ্যে ‘উপহারের’ ছদ্মবেশে কি গোপনে উল্লাস করে চলে পণপ্রথা? নাকি শুধুই বিবাহ-অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত-অভ্যাগতরা যে উপহার দিয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান, তা-ই শেষকথা? এ গদ্য বিয়ের বিবিধ উপহার নিয়ে এক সবিস্তার সরস কাহিনি।

→

বিয়েবাড়ির ভোজবদল

কেটারিংয়ের ভোজ কলকাতার খুব হাতেগোনা বর্হিষ্ণু পরিবারে আগে থেকে চালু থাকলেও যতদূর মনে হয়, '৭৫-এর  জরুরি অবস্থার সময়ে গৃহস্থ যখন অনুষ্ঠানবাড়ির নিমন্ত্রিতের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হলেন, তখন থেকেই সম্ভবত মধ্যবিত্ত পরিসরেও এই ঘরোয়া পরিষেবাটির আউটসোর্সিং শুরু হয়।

→

বিয়ের চিঠি: রসিকতা থেকে কাব্যচর্চা

সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।

→

আমেরিকার মূল স্রোতে থেকেও বৈপ্লবিক ‘নিগ্রো’ অবস্থান খোয়াতে চাননি কৃষ্ণাঙ্গরা

আত্মপরিচয়ের রাজনীতির সুত্রপাতেই কবিরা যদি, আমি একজন কবি– একজন নিগ্রো কবি নই– এই দাবি করেন, শিল্পীরা যদি নিজেদের শুধু শিল্পী হিসেবে দাবি করতে যান, তাহলে আফ্রিকি উত্তরাধিকার ছেড়ে তাঁরা সমসত্ত্ব ও হেজিমনিক আমেরিকি আধুনিকতায় গ্রস্ত হয়ে যেতে পারেন।

→

শীতের দার্জিলিংয়ে নিজের সঙ্গে একা

আজকের ভাষায় ‘সোলো ট্রিপ’। একা নিজের সঙ্গে। তার রস পেতে গেলে একা হতে জানতে হয়। মুদ্রাদোষের মতো একা হওয়া। নইলে যাহা নগর কলিকাতা, তাহাই কনকনে দার্জিলিং। তা জানতেন ‘শীতে উপেক্ষিতা’র লেখক।

→

যে শীতে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ও

‘হিম পড়ে গেল’ রাজনৈতিক উপন্যাস নয়। অথচ তার নিগঢ়ে যে লুকিয়ে রয়েছে সেই বোধ। সেই হিংস্র সময়ের আভাস।

→

‘দস্তানা আর শীতের গল্প’ হেঁটে চলে, শেষ পৃষ্ঠা বরাবর, একা

আমাদের প্রেম, বিচ্ছেদ, উত্থান-পতনের দিনলিপি একটি দস্তানার আত্মকথার মতো লেখা হয়ে গিয়েছে। দস্তানাটি মরে যায়, ফের দগ্ধ ফিনিক্সের মতো পুনর্জন্মের কাছে ফেরে।

→