মূর্তিতে শাসক হবেন কঠোর, শক্তির প্রতিভূ, বদলে ইনি গড়ে উঠলেন জ্ঞানচর্চার আলোয় আলোকিত এক ব্যক্তিত্ব হিসেবে। ইনি– ওয়ারেন হেস্টিংস। রিচার্ড ওয়েস্টম্যাকট গ্রেকো-রোমান ভাস্কর্যের হেলেনিস্টিক আদর্শে নির্মাণ করেন হেস্টিংসের মূর্তিটি।
নানা প্রতীকে ইংরেজ শাসককে দেবতা বানানো শুরু হয়। তাঁদের চিন্তনে সেদিন ক্যালকাটাই হল ‘ডিভাইন স্টেট’। আর সেই ডিভাইন স্টেটের মূর্তিতে ধরা রইল ইংরেজের ঐশী ক্ষমতার ভাবমূর্তি।
আজকের ঘাড়-নাড়া-বুড়ো পুতুলের তুলো দিয়ে মোড়ানো চুল ও দাড়ি যদি ফেলে দেওয়া যায় তবে অবিকল যক্ষের মতোই লাগবে।
বাঙালি একদিকে রবীন্দ্রনাথকে ভক্তি করে মাথায় তোলে, অন্যদিকে রঙ্গ করে পথে বসায়। একটি অন্যটির প্রতিক্রিয়া।
‘বঙ্গদর্শনে’র মতো একটি উচ্চমানের মাসিক পত্রিকা সচল থাকা অবস্থাতেই হঠাৎ সঞ্জীবচন্দ্র আর একখানি পত্রিকা প্রকাশ করলেন কেন?
নিঃশব্দ দীপাবলি। তামিলনাড়ুর ৭টি গ্রামে। কারণ? পরিযায়ী পাখিদের সমস্যা হবে।
পর্দায় যেখানে আলোর জীবনে হাজার চরিত্রের ভিড়, সেখানে অন্ধকারকে একটা ছায়াও সঙ্গ দেয় না। সেজন্যেই বোধহয় রামায়ণে রাবণছায়া বেশি মরমী।
পরশুরামের গল্পের ভূত কিংবা না-ভূতকে আমরা সহজেই চিনি, কিন্তু সেই পরিবেশটাও তো আজ ভূতই। ‘ভূশণ্ডীর মাঠে’র চরিত্রগুলিও ভূত। আমাদের চেনা স্বভাবের লোক বলেই মনে হয় তাদের। কিন্তু যে পরিবেশে তারা জীবনোত্তর জীবনযাপন করে গিয়েছে সত্যিই কি আজও তা আমাদের চেনা?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved