

‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
ডরোথির ভূমিকা প্রায় নিঃশব্দে মুছে গিয়েছিল কেরির জীবনচর্যা থেকে। ডরোথি অসাধারণ হতে চাননি, সাধারণ স্ত্রী এবং মায়ের ভূমিকায় ভালো থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অসম্ভব একাকিত্বে পাশে পাননি স্বামীর সাহচর্য। যে মনোযোগ, ভালোবাসা এবং চিকিৎসা ডরোথির দরকার ছিল– তা থেকে উপেক্ষিত থেকেছেন আজীবন।
লাল চুল ও ফর্সা ত্বকের অধিকারী মানুষরা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং খুব সামান্য আলো থেকেও প্রচুর ভিটামিন-ডি তৈরি করতে পারে। উত্তর ইউরোপের অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোতে হাড়ের রোগ থেকে বাঁচতে এবং প্রজনন ক্ষমতা ধরে রাখতে এই বিবর্তন তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর প্রায় ২৮ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য হলেও ব্যবহার করেন ভয়েস কম্যান্ড। আর কথা বলে স্মার্ট ডিভাইস চালানোর বৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে দুনিয়াজুড়ে, তাতে আমাদের দেশ একেবারে প্রথম সারিতে।
সে যন্ত্র এক বাক্স বিশেষ, যার মধ্যে ভর্তি পুতুল। বাক্সের ওপরের গর্তে একটা ধাতব মুদ্রা বা ‘মোহর’ ফেললে সেটা গড়াতে গড়াতে নিচে আসত, আর ঘটে চলত একের পর এক ঘটনা, ক্রমান্বয়ে, ওপর থেকে নিচে। শেষে একটা পুতুল বেরিয়ে আসত হাফিজের কবিতা লেখা চিরকুট নিয়ে। সেই আজব যন্ত্রই কাব্য-যন্ত্র।
সমকালীন সমাজ-জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি, মজিলপুরের পুতুল-নির্মাণের চরিত্র হয়ে ওঠে। তাদের তুলির টানে বাংলার চিরাচরিত পটচিত্রের ব্রাশ স্ট্রোক খুব সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। পূর্বপুরুষের সেই ধারা এই ২১ শতকেও বজায় রেখেছেন মৃৎশিল্পী শম্ভুনাথ দাস।
প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল ‘কোম্পানি কা কেরানি কা বাড়ি’ হিসাবে, তারপর কিছুদিন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং শেষে সরকারি কাজকর্মের জন্য ভবনটি ব্যবহৃত হয়। আর স্বাধীন ভারতে এই লাল বাড়িটিই হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজ্য শাসনের মূল ভরকেন্দ্র ‘মহাকরণ’, আরেক নাম ‘রাইটার্স বিল্ডিং’।
এই রাজ্য কি আবার নতুন করে ঝুঁকি নেওয়া, উদ্ভাবন এবং শিল্পবান্ধব আত্মবিশ্বাসের ভাষা শিখতে পারবে? যদি পারে, তাহলে হয়তো একদিন সত্যিই বহু প্রবাসী বাঙালির কাছে ‘ফেরা’ শব্দটা শুধুই নস্টালজিয়া হয়ে থাকবে না, বাস্তব সম্ভাবনাও হয়ে উঠবে।
বৃষ্টি দিয়ে শুরু হয়ে এই উপন্যাস বৃষ্টি দিয়ে শেষ হয়, যেন এক বৃত্তই সম্পূর্ণ হল। অধ্যাপকের আক্ষেপ ছিল, যা কিছু ‘দামী’ সব ফেলে দিয়ে যা মূল্যহীন, তাকেই জড়ো করে চলেছি আমরা, সেই আমাদের ‘সুখ’-এর উপকরণ অথবা উপকরণের ‘সুখ’, তারই জন্য আমাদের রুদ্ধশ্বাস ছোটা।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরেও ইরানে নেকড়ের প্রতি সেই বিদ্বেষ থেমে থাকেনি। জরাথুস্ট্রবাদের সেই ‘অশুভ শক্তির প্রতীক’ হিসেবে নেকড়েকে দেখার মানসিকতা ইরানিদের অবচেতন মনে থেকে গিয়েছিল। ফেরদৌসী তুরানিও তাঁর শাহনামায় শত্রুদের নেকড়ের সাথে তুলনা করেছিলেন, যা এই প্রাণীর প্রতি ঘৃণাকে আরও উস্কে দিয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved