Robbar

পাঁচমিশালি

কৃপাময়ীর মুখে ব্রতকথার গল্প

কৃপাময়ী কর্মকার পটচিত্র আঁকেন। সাঁঝ পুজনীর ব্রতের আলপনা দেন, গড়েন যমপুকুর ব্রতের পুতুল। ব্রতের আলপনা, ছড়া বা মাটির পুতুলের আড়ালে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে এক বৃহত্তর সত্য, ধরা পড়ে বাংলার মেয়েদের আনন্দ, বেদনা, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের ইতিহাস।

→

ওয়ানস আপন এ ক্রাইম…

শিশুসাহিত্য হিংসাকে অনেক সময় নৈতিকতা দেয়, ন্যায্য বলে প্রতিষ্ঠা করে– সব মিলিয়ে এক ধরনের বৈধতা দান করে। তখন সেই আচরণ বা মনোভাবকে আমরা ‘হিংসা’ বলে চিনতেই পারি না।

→

করুণা ও বিদ্বেষের ধারাবিবরণী

লেখার জন্য যে ‘রিপোর্টাজ’ স্টাইল রেণুর সহজাত ছিলই, সেটাই উপন্যাসের ছাঁচে ঢেলে, তিনি খুলে-মেলে দেখিয়ে দিতে চাইলেন আঞ্চলিক মানুষ কীভাবে বাঁচে প্রতিদিন, দারিদ্র-শোষণ-সংস্কারের মধ্যেই, করুণা আর বিদ্বেষ মিলিয়ে নিয়ে।

→

ইতিহাসের রসচক্র

রথ টানলেই জিলিপি আসে। রসগোল্লা-সন্দেশের বাবুয়ানি তার নেই; তবু বাঙালি রথে জিলিপি খাবে না, এ হতেই পারে না। বাঙালির এত আপন যে মিষ্টি, তার শুরু না কি বাংলায় নয়, ইরানে। আর সে খাবারকে ভারতে জনপ্রিয় করেছিল মোঘল শাসকরা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলায় আসার রসচক্রটি ঠিক কেমন ছিল?

→

রথের রূপক

জগন্নাথের রথযাত্রা কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, তা আসলে মানুষ ও ঈশ্বরের, মানুষ ও মানুষের, মানুষ ও প্রকৃতির এবং জীবন ও মহাবিশ্বের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক জীবন্ত উদ্‌যাপন। পুরীর তিন রথ আমাদের শেখায় যে, জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে ভক্তি ও কর্মে, প্রকৃতি ও সভ্যতায়, ব্যক্তি ও সমাজে এবং আত্মা ও বিশ্বচৈতন্যের সমন্বয়ে।

→

মৃণালের অঞ্জন, অঞ্জনের মৃণাল

‘চালচিত্র এখন’ ছবিতে অভিনেতার ক্যানভাস রঙিন হয়ে উঠেছে অঞ্জনের চোখে ‘মৃণালদা’র যে প্রতিফলন হয়েছিল, তাই দিয়ে। সম্পূর্ণ মানুষটাকে নয়, বরং তাঁদের নিবিড় গুরু-শিষ্যের সম্পর্কটিকে অঞ্জন দত্ত তুলে ধরতে চেয়েছেন।

→

বাঁকুড়ার রথ পুতুলের মেলা

বাঙালির রথের মেলা আগে আলো করে থাকত মাটির পুতুল। সঙ্গে অবশ্যই থাকত কাঠের পুতুল, খেলনা গাড়ি ও তালপাতার সেপাই। আর বিকেলে পুতুলনাচের আসর। রথের মেলা থেকে পুতুল কিনেই গ্রামীণ বঙ্গজীবন ঝুলন সাজিয়ে তুলত। সেই ধারা কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে! তবু বিক্ষিপ্তভাবে সে আজও নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দিয়ে চলেছে।

→

অন্য জাতের গান

নব্বই-উত্তর গান নিয়ে এল বিষয়গত ভিন্নতা। অভাবনীয় সব স্থান, সামগ্রী ও চরিত্ররা। এমন সব সাধারণ মানুষজনের জীবনের আখ্যান যা আগে বাংলা গানের উপাদান বলে গণ্য হত না। কিন্তু তথাকথিত ‘জীবনমুখী’ গানে জাতপাতের প্রসঙ্গটি পেতে ২০১৯ অবধি অপেক্ষা করতে হল।

→

মানিকবাবুর চাল

বাদশাহ আকবর না কি দাবা খেলতেন রক্তমাংসের মানুষ সাজিয়ে। সেরকমই ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ী’ ছবিতে লর্ড ডালহৌসি থেকে শুরু করে দুই দাবাড়ু পর্যন্ত সব চরিত্রই দাবার ঘুঁটি হয়ে উঠেছিল সত্যজিতের কলমের ডগায়। কীভাবে? বিশ্ব দাবা দিবসে বিশেষ নিবন্ধ।

→

কলকাতায় ব্রুসলীলা

সত্তরের কলকাতার অলিগলিতে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিলেন ব্রুস লি। ‘এন্টার দি ড্রাগন’ ছবির মাধ্যমে। যদিও তখন তিনি আর জীবিত নেই। তবু ডিভিডি-ভিসিআর, পাড়ায় পাড়ায় ক্যারাটে ইশকুল আর রকের আড্ডায় একটা প্রজন্মের সকলেই আমরা ব্রুস লি হতে চেয়েছিলাম।

→