কৌতুক শ্রীবাস্তব নামের একটা কমেডিয়ান সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন যে, বুর্জ খলিফাকে ‘সতীশ টাওয়ার’ নামেও ডাকা যায়!
হাসি নামক জাদুকাঠির ছোঁয়ায় মুহূর্তের মধ্যে পাল্টে যেতে পারে সমস্ত প্রতিকূল পরিস্থিতি।
‘দহাড়’-এর একেবারে শেষে, ধৃত সিরিয়াল কিলার বিন্দুমাত্র অনুতাপ না রেখে সেই হুঁশিয়ারিই ছুড়ে দিয়েছিল– ভালো মেয়েরা সীমা পেরোয় না। আচ্ছা, কেবল সীমা পেরোলেই কি মেয়েরা হারিয়ে যায়? আর যারা ‘ভালো মেয়ে’ এই গোত্রনামেই কেবল পরিচিত হতে থাকে, সেখানেও কি থাকে না আরেকরকম হারিয়ে যাওয়া?
ভণ্ড সাধুর সংখ্যা এই ভারতে বেড়েই চলেছে, তার নেপথ্য কারণ কী?
যেহেতু রোবটাধিকার সংগঠন সেভাবে এখনও দানা বাঁধেনি, তাই মানবাধিকারের নিক্তিতে ব্যাপারটাকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে, যার কারণ হতে পারে কাজের স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ইত্যাদি ইত্যাদি।
মৃত্যুর কয়েকদিন আগে অব্দি প্যারিসের মানুষ দেখত ইসমাইল কাদারে লে রস্ত্যাঁ ক্যাফেতে বসে আছেন সকালবেলা। হাতে কলম। বিস্তীর্ণ লাক্সেমবার্গ উদ্যানের দিকে চেয়ে ভেবে নিচ্ছেন তাঁর পরবর্তী শব্দ।
বৃহস্পতিবার রাতেই কাজ শুরু করেন বৃহন্মুম্বই পুরসভার কর্মীরা। চলে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত। মেরিন ড্রাইভ থেকে সংগ্রহ করেন ‘মাত্র’ ১১,৫০০ কেজি জঞ্জাল!
সেতু মানে তো একদিকের সঙ্গে অন্যদিককে আঁকড়ে ধরা উন্নয়নও। তার সলিলসমাধি ঘটছে, প্রতিদিন। বিহার তা রাজ্যের নাম মাত্র। হতে পারে তা যে কোনও দিন, যে কোনও জায়গায়। আট লেন ন্যাশনাল হাইওয়ের সুখ মেশানো আচ্ছে দিন হোঁচট খায়। জেগে ওঠে। হোঁচট খায় ফের।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে গণপরিষদে দেওয়া জওহরলাল নেহরুর ‘আ ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’ ভাষণ চিরকালীন ভাইরাল। এ বার সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হল লোকসভায় মধ্যরাতে দেওয়া জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ বিমল আকোইজমের ভাষণ।
পিতৃতন্ত্রের ‘ভাঁওতাবাজি’-তে মেয়েমানুষকে ঠকানো অত সহজ নয়
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved