লেখকের সঙ্গে দ্বিরালাপ প্রকৃতপক্ষে পাঠকের সঙ্গেও কথাবার্তা।
অভিভাবকদের মানসিকতার এই বদল ঘটল কীভাবে!
বাজার দেবতা এখন এমন মা চান, যিনি সর্বগুণসম্পন্না। তিনি রাঁধেন-বাড়েন, অফিসের অ্যাসাইনমেন্ট সামলান, বাচ্চা মানুষ করেন, আবার চুল-ত্বক রাখেন বার্ধক্য-বিবর্জিত।
আসলে মহিলা-কর্মীদের ছুটি না দেওয়া, ছুটি না দিতে চাওয়া, ছুটি চাইতে এলে উষ্মা প্রকাশ করা একটি মানসিকতা। এই মানসিকতা বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে, চলছে চিরকাল।
রবীন্দ্রনাথ আমাদের নির্বুদ্ধিতায় এবং তাঁকে লঘুমূল্যায়নের প্রবণতা দেখে হাসেন হয়তো। শঙ্খ ঘোষের হাত ধরে এইভাবে পরিচয় হল বশী সেন মহাশয়ের সঙ্গে। চোখের সামনে তিনি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলেন।
তবু কী আছে আমাদের মাটিতে, আমাদের হাওয়ায় কোন আশ্চর্য উন্মাদনা আমাদের অন্ধকারকে এমন সবুজ করে রেখেছে যে আমাদের পাড়ায় পাড়ায় এখনও ফুটে উঠছে একটা আঁকা শেখার স্কুল, একটা বিয়োগ শেখার স্কুল!
যদিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ঠাকুর’ নয় মোটেই, তবুও বাঙালি পুজোয় বিশ্বাসী।
রবীন্দ্রনাথের রচনার, বিশেষত তাঁর গান এবং কবিতার সংকলন-সম্পাদনার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা প্রয়োজন।
শুধুমাত্র মেধার জোরে নিম্নবিত্ত তার শ্রেণি বদলে ফেলতে পারত। এখনকার মতো তলার দিকে ঠাঁই পেয়ে অর্থের বিনিময়ে রোগীর নাড়ি টেপার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারা যেত না।
হয়তো আকাশের দিকে তাকাব না। আমাদের মনোযোগের স্থিতিকাল তিরিশ সেকেন্ড পেরবে না। যদি পেরতে পারি, তবে নিশ্চিত দেখতে পাব অগাধ গমখেতের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved