আগে কি এরকম ছিল? নির্বাচনের আগে এই অসৌজন্য, এই অপমানজনক, কখনও হিংস্র ভাষার ব্যবহার?
রাকেশ শর্মা চাইছেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সম্পদের সুষম বণ্টন।
ঠাট্টার ছলে চেহারা নিয়ে হুল ফোটানো এক ধরনের মানসিক বিকৃতি।
সন্তানপালন একটা যৌথ দায়িত্ব, পুরুষ টাকা আনবে এবং নারী সন্তান পালন করবে– এই ধারণা আজকের দুনিয়ায় বস্তাপচা।
সন্তানেরা কি পিটপিট চোখে বাবার অকর্মণ্যতা মাপে?
ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেটের অস্ত্র– তাঁর তারুণ্য ও বাঁচার বাসনা।
যৌনশক্তিবর্ধক বটিকার খোলাখুলি বিজ্ঞাপনে সমাজমাধ্যম ছেয়ে গেছে, তেমনই এই শহরের দেওয়ালে দেওয়ালে ‘পৌরুষ’ জোরদার করার পোস্টারও পড়ে।
ভারতীয় সেনাকে ভোট-রাজনীতির ময়দানে টেনে আনার চেষ্টা বিপজ্জনক হতে পারে।
লে-র মতো ছোট শহরে প্রতীকী অনশনে শামিল হওয়া এই জমায়েতকে বুঝতে হবে রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতি বিরাট প্রতিবাদরূপে।
নাগরিক দূরস্থান, মানবিক অবস্থানের স্থানাঙ্ককে জন্মের প্রমাণপত্র থুড়ি কাগজের টুকরোতে পর্যবসিত করেছে আজকের ভারতরাষ্ট্রের শাসকবর্গ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved