Robbar

সাম্প্রতিকী

শিষ্যের গুরুদক্ষিণা পেয়েও গুরু নিঃসঙ্গ সম্রাট

অযোধ্যা ইভেন্ট অতিবাহিত হওয়ার এক পক্ষকালের আগেই আডবাণীকে দেওয়া হল ‘ভারতরত্ন’।

→

ক্যানভাসে খেলার ছবি, ধরে রাখছে সংগ্রামের ইতিহাস

অ্যান্ডির প্রতিটি ছবিই ঘুরেফিরে স্মৃতির কাছে আসে। এক দেশ থেকে অন্য দেশ, ধরে রাখতে চায় ইতিহাসকে।

→

তৃতীয় বিশ্ব থেকে উঠে আসছেন এক দাবাড়ু, যিনি আক্রমণাত্মক নীতির ধ্যানধারণা পাল্টে ফেলবেন

মায়া ও আজটেক সভ্যতায় দাবার প্রাচীন কোনও রকমফের নাকি প্রচলিত ছিল। কিন্তু ঐতিহাসিকরা তেমন কোনও নিশ্চিত প্রমাণ পাননি।

→

ফিরে দেখা ‘প্রতিক্ষণিকা’, বইমেলার দৈনিক বুলেটিন

পুস্তিকা নয়, আসলে একটি গোটা কাগজকেই চারভাঁজ করে ছাপা হত ‘প্রতিক্ষণিকা’। প্রথম বছর (১৯৮৬) প্রতিদিন থাকত একাধিক বই-বিষয়ক স্বাভাবিকভাবেই সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ এবং সাহিত্য বিষয়ে ধাঁধা, প্রথম নির্ভুল উত্তরদাতার নাম ছাপা হবে এবং তাঁকে একটি বই উপহার দেওয়া হবে এমন একটি প্রতিশ্রুতি-সহ। থাকত বইমেলার একটি ধারাবিবরণী থাকত।

→

রবি ঘোষের চোখের সামনেই তাঁর প্রথম বইয়ের পুরো লট পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল বইমেলায়

মেলার শেষ দু’দিন বা তিনদিন বেশিররকম ছাড়ে বই দেওয়া হত। নাম ছিল ‘বইবাজার’। ৮০% পর্যন্ত ছাড়ে বই পাওয়া যেত।

→

দুপুরের বইমেলায় ‘আজ জ্যোৎস্না রাতে’ শুনে আকাশের দিকে তাকালেন সত্যজিৎ রায়

কোরাস গানের সঙ্গে রুমাল উড়িয়ে হাততালি-সহ নাচতে দেখেছি কৃত্তিবাসের লেখকদের। তাঁদের মধ্যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও থাকতেন।

→

গাছেদের কাছে একটু-আধটু দাঁড়িয়ে থাকা শিখে নিই

গাছেদের জন্য একক, পুরুলিয়ার দুখু মাঝি পদ্মশ্রী পেলেন।

→

অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র-কে লিটল ম্যাগাজিনের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

একদিন দেখা গেল, তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র-কে হাত ধরে টানতে টানতে লিটল ম্যাগাজিনের ছাতার দিকে এগিয়ে চলেছেন কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। অশোক মিত্র সামান্য বিব্রত হলেও হাসছিলেন। একটি ছাতার কাছে তরুণ কবিদের স্টলের সামনে এসে থামলেন তাঁরা। অশোক মিত্র বললেন, ‘বীরেনবাবুর কবিতার বইগুলি আমি কিনতে চাই।’

→

এই বইমেলায় সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় গলায় মিনিবুক ঝুলিয়ে ফেরি করতেন

সুবিমল মিশ্র বড় বড় সাদা চুল নিয়ে, একটা সাদা কাগজ হাতে আমার পিছনে ছুটছে। আবেদন, একটা মুখাবয়ব এঁকে দিতে হবে।

→