

কিছু মানুষ থাকে আলো নিয়ে। তারা চলে গেলে শুধু একজন মানুষ হারিয়ে যায় না– আলোও নিভে যায় একটু একটু করে। রাহুলের চলে যাওয়াটা তেমনই।
আমাদেরও তো খইরুল, আমিনাদের পাশে দাঁড়িয়ে, আব্দুল হালিমের সাংকেতিক ভাষাকে নির্বাচন কমিশনের কানে তোলার দায়িত্ব ছিল, আমরা কি তা করলাম?
দীর্ঘকাল ধরেই বিশ্লেষকরা এই দ্বীপটিকে তাই ইরানের একটি ‘দুর্বলতম স্থান’ (ক্রিটিকাল উইক পয়েন্ট) হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন, যেখানে কোনও ধরনের আক্রমণ তেহরানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী পাল্টা জবাবের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
মিডিয়ামগ্ন যে-হিন্দু শিক্ষক বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, ওদের জন্যই ‘আমাদের’ দেশের এই অবস্থা, তিনি কি এতটা অপরায়ন ভিতরে বহন করে ক্লাসে তাঁর মুসলিম পড়ুয়াটিকে শ্রদ্ধা করেন মন থেকে?
নগরজীবনকে নিয়ে কবিতা লেখা প্রসূনের কাছে ‘দুঃসাধ্য’। তাই নগরজীবন নিয়ে কবিতাকে ‘আধুনিক’ বলে আসলে আধুনিক কবিতার চিরায়ত ঘাড়ে-চেপে-বসা ভূতটিকে ছাড়াতে চান। প্রসূনের উত্তর কলকাতার কেন্দ্রে বসে লেখা কবিতাজগৎ বঙ্গীয় আধুনিকতার সেই দীর্ঘ প্রতিষ্ঠিত প্রতিমার সুতো সন্তর্পণে কেটে বেরিয়ে আসে।
কার্স্ট্রি কভেন্ট্রি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অলিম্পিক্সের মহিলা বিভাগে অংশগ্রহণের শর্ত ‘আবশ্যিক লিঙ্গ পরীক্ষা’। জন্মগত নারীত্বের অধিকারীরাই শুধুমাত্র অলিম্পিক্সের মহিলা বিভাগে অংশগ্রহণ করবেন। অলিম্পিকে নবতম সংযোজিত শব্দটি হল ‘কমিউনিটার’। তাহলে কীভাবে অস্বীকার করব আমরা তৃতীয় লিঙ্গকে অথবা রূপান্তরিতদের?
ইরানের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালী। হরমুজের দখলদারি ঘুচিয়ে নিজস্ব প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করতে আমেরিকা লড়ছে ইরানের সঙ্গে। আর তার জেরে বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম ও সংকট হু হু করে বেড়ে চলেছে।
ম্যাসাচুসেট্সের ফেডারেল ইমিগ্রেশন আদালতগুলোতে প্রতি সপ্তাহে এক অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেটা হল অভিবাসী শিশুদের, প্রায়ই তাদের বাবা-মা ছাড়া, বিচারকদের সামনে হাজির হতে হচ্ছে নিজেদের বহিষ্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। বাচ্চাগুলো কী বুঝছে, কতটা বুঝছে, বোঝা যায় না– বসে থাকে আইনজীবীদের অফিসে পাথরের মতো নিরাবেগ মুখে।
মিয়া ব্যালার্ড নতুন লেখিকা। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সাই গার্ল’ প্রকাশ করেছেন হ্যাচেটে। সমাজমাধ্যমে পাঠকরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ব্যালার্ডের উপন্যাস আদৌ তাঁর নিজের লেখা নয়। বরং, এআই-এর লেখায় যতগুলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকতে পারে, সেসব এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। এত অভিযোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন একটাই– এভাবে কি এড়ানো যাবে এআই-এর সৃজনশীলতাকে?
‘ইউ আর নট ম্যারিইং আ মেইড, ইউ আর ম্যারিইং আ লাইফ পার্টনার।’ অতি সম্প্রতি একটি ডিভোর্সের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই মন্তব্য এক লহমায় টান মেরেছে ভারতীয় পরিবারের একেবারে অন্দরে– ‘বিবাহ’ নামক প্রতিষ্ঠানটির আসল চেহারা নিয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved