

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পেয়ারের লোকেদের ডেকে ডেকে জুতো উপহার দিচ্ছেন! ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (মাগা) টিমের হর্তাকর্তাদের প্রেসিডেন্টের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের চিহ্নই হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন ওই ‘ট্রাম্প শ্যু’।
সুপ্রিম কোর্টে ৩৩ জনের মধ্যে ১ জন মহিলা জাজ, এই পরিসংখ্যান নিতান্ত হাস্যকর এবং লজ্জাজনক। সারা বিশ্বে সবথেকে বেশি মহিলা বিচারপতি দেখা যায় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে; হাঙ্গেরি, স্লোভানিয়া, লাটভিয়া বা গ্রিসে মহিলা জাজরা ৭০% সিট অধিগ্রহণ করে থাকে। আমেরিকায় সেখানে ৫১ শতাংশ এবং ভারতে মাত্র ১১ শতাংশ।
২০২৩ সালে দলিত মহিলাদের অবস্থান ও পরিস্থিতি নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করার জন্য ভারতে আসেন তরুণ ফরাসি চলচ্চিত্রকার ভ্যালন্তাইনো। গোরখপুরে তথ্যচিত্রের কাজ চলাকালীন দলিত রমণীদের একটি প্রতিবাদ মিছিলে যোগদানের অভিযোগে স্থানীয় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। একমাস জেলে থেকে ভারত সম্পর্কে এখন তাঁর কী ধারণা হল?
কিছু কিছু ‘ভিড়’ হয়ে ওঠে রাজনৈতিক আগ্রাসনের আরেক চতুর মুখচ্ছবি। ভিড়ের মধ্যে সেই মিশে থাকা ভিড় আনন্দজল-ভরা চোখের চিৎকৃত ‘ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া’ বা ‘জনগণমন’র মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় ‘ভারতমাতা কি জয়’ কিংবা ‘জয় শ্রীরাম’। ভিড় থেকে আলাদা হয়ে ওঠে আরেক ভিড়।
‘আমার কাছে খবর আছে’– বলতে বলতে এই প্যাটার্নে অনেকেই মৃত্যুসংবাদ আগে জেনে এবং জাঁকজমক সহকারে ফোনে বা পাড়ার মোড়ে বলে অকারণ এক আজব গুরুত্ব পেতে চায়। এটা একটা সামাজিক ক্ষমতা দেখানোর বিচিত্ বহিঃপ্রকাশ।
আসলে যুদ্ধ যে কি রূপ নিতে পারে, এখনই তা অনুমান করা একেবারেই অসম্ভব। আমেরিকা কিন্তু ইতিমধ্যেই তাদের গোলপোস্ট বদলে ফেলেছে। ইরানের সিস্টেমটা বেশ পোক্ত। ইরান আর যাই হোক, ভেনিজুয়েলা নয় যে এক মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে এসে গোটা সিস্টেমটা বদলে দেওয়া যাবে!
২০২৬-এ সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং চলছে এই ‘ডিভোর্স ডাস্ট’। কতদূর যেতে পারে এই ডিভোর্স ডাস্ট? প্রতারণা হাতেনাতে ধরিয়ে দিতে পারে? প্রতারণা তো আমাদের ছায়াসঙ্গী আজ।
ফেরা তো আসলে প্রত্যাবর্তনও। হারিয়ে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ানো। যেমন করে ঘুরে দাঁড়ায় লড়াকু যোদ্ধা রঙ্গমঞ্চে নজর কেড়ে নেওয়া পার্শ্বচরিত্র। কিংবা নিঝুমপাড়ায় ফেরিওয়ালার ডাক।
এসআইআর কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়– খুঁচিয়ে তোলা এক হৃদয়বিদীর্ণ করা ক্ষত, যা নিয়ে আসে ভয়ংকর মানসিক ঝড়। মনোবিদরা একে বলবেন, ‘রি-অ্যাকটিভেশন অফ অ্যাটাচমেনট ইনজিওরি’, সম্বন্ধজনিত আঘাতের পুনঃসক্রিয়তা।
একটা বাঁদর ছানা একটি পুতুলকে জড়িয়ে আছে। চোখ ছলছল করছে ছোট্ট বাঁদর ছানার। একবার সে পুতুলটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত, আবার তাকে জড়িয়ে ধরছে। কখনও পুতুলের হাত ধরে আছে। প্রতিটা দৃশ্য অন্য একটা দৃশ্যের জন্ম দিচ্ছে। প্রতিটা মুহূর্ত, একটা বেঁচে থাকার গল্প বলছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved