আমি মনে করি, বাংলা ভাষায় খেয়াল রচনা, গাওয়া এবং শেখানো আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বময় কাজ।
রাজনৈতিক বিচক্ষণতা আয়ত্ত না করতে পারলে, দেশের জন্য শুধুমাত্র ভালোবাসার ফেরিওয়ালা হওয়া যথেষ্ট নয়।
এ আদতে যুদ্ধবিরতি না, গণহত্যাবিরতি। এই বিরতিটুকুতে পরবর্তী সমরনীতি ছকে ফেলা যায়, বন্ধুশিবির গুছিয়ে নেওয়া যায় এবং আর্থ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এঁচে নেওয়া যায়।
বস্তুত তীর্থ করার মধ্যে একটা বিশাল পরিশ্রম লুকিয়ে থাকে এবং সেই পরিশ্রমের সঙ্গে ছোটখাটো বিপদ। সেগুলো পার হয়ে মূল তীর্থে যাওয়াটাই তীর্থ করা।
সেই সময় মনে হয়েছিল গান লিখতে হবে। সুর করতে হবে। এবং খেয়াল যদি আমায় গাইতে হয়, বাংলাতেই গাইতে হবে।
খেয়ালের কোনও সংবিধান নেই, হ্যান্ডবুক নেই। দ্বিতীয় পর্ব।
অনেক দিন ধরে চমস্কি বলে আসছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বয়ংক্রিয়তা একটি কৃত্রিম জিনিস, মানুষের বিকল্প না।
স্বামী বিবেকানন্দ কিন্তু বাংলায় খেয়ালের পক্ষে ছিলেন। আশ্চর্য, আমরা স্বামী বিবেকানন্দর নাম মাঝে মাঝেই নিই, নানা অনুষঙ্গে, কিন্তু বাংলা ভাষায় খেয়ালের ব্যাপারে তাঁর যে বক্তব্য– সেটাকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিই না।
চন্দ্রযান, কোয়ান্টাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে মানুষ হয়েও ইঁদুরের মতো গর্তের ভিতর দিয়ে আদানি-আম্বানির জন্য কয়লা তুলে আনার শ্রমে কোনও রকম মহত্ব থাকতে পারে না, তা সে যতই জোরজবরদস্তি আরোপ করা হোক না কেন কদর্য অ্যাজেন্ডায়।
যুদ্ধপরিস্থিতির শেষ পর্ব। কিন্তু যুদ্ধ ততক্ষণ শেষ নয়, যতক্ষণ না মিলছে স্বাধীনতা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved