এতদিন লড়াই করে যে মানুষগুলো সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছেন, সেই কাজটাই তো বৃথা হয়ে যায়, যদি একজন মানুষ যদি একদিন সকালে উঠে দেখেন, তিনি সরকারের খাতায় বেনাগরিক হয়ে গেছেন। তখন তাঁর মনের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?
৮ পৌষের প্রতিষ্ঠাদিবস পালনের জন্য এই আলপনা চলত মেলা শুরুর আগের দিন পর্যন্ত। ছাতিমতলা থেকে শুরু করে ‘শান্তিনিকেতন বাড়ি’, ‘আম্রকুঞ্জ’, ‘ঘণ্টাতলা’, ‘মাধবীবিতান’ যেন আমার সমস্ত নান্দনিক ভাবনা-চিন্তার উৎসক্ষেত্র হয়ে উঠত। আম্রকুঞ্জ হয়ে উঠত ছবির পট– আমার সকল আনন্দের উৎস।
এমটিভি কিন্তু আসলে আমাদেরই বয়সি, আমাদের সঙ্গেই বড় হচ্ছিল সে। আমাদের সঙ্গেই সে-ও ঢুকেছিল টিনেজে। আমাদের মতো নব্বই-এর জাতকদের কান-মাথার খাবারে কার্বাইড জুগিয়েছিল। একটু টক্সিক, কিন্তু না-থাকলেও চলে না।
আমরা দূষণকে ‘শীতের সমস্যা’ মনে করি বলেই, বছরের বাকি সময়ে আমাদের প্রস্তুতি থাকে না। দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের নজরদারিতে শীতকালে তৎপরতা বেশি, কিন্তু গ্রীষ্ম বা বর্ষায় একই উৎসগুলো অবাধে দূষণ ছড়াতে থাকে। দূষণ যখন সারাবছরের সমস্যা, সমাধানও হওয়া উচিত সারাবছরব্যাপী।
যে বিএলও’দের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার দায়িত্ব হওয়া উচিত ছিল কমিশনের, সেই কমিশন কি তাঁদের কোনওরকম সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে? ২০০২ সালেও যে পদ্ধতিতে ভোটার তালিকায় সংশোধন হয়েছিল, সেই সময়েও কি এই সমস্ত বিএলওর নম্বর অঞ্চলের সবাই জানত?
গ্রামোফোন কোম্পানির ধ্বনি-প্রযুক্তিবিদ ফ্রেডারিক উইলিয়ম গেইসবার্গের নির্দেশে বাংলা থিয়েটারের ‘নেপোলিয়ন’ অমরেন্দ্রনাথ দত্তর ক্লাসিক থিয়েটারের গায়িকা-অভিনেত্রী শশীমুখীকে নিয়ে আসা হল যন্ত্রটির সামনে। সাগরপারের একটি চোঙামুখো হরবোলা যন্ত্রের উপস্থিতিতে বাঙালির নিছক বিনোদনী-গীতবিলাস ঠাঁইবদল করল সংগীত-সংস্কৃতিতে।
সাম্প্রতিক সমীক্ষার দেখা গিয়েছে নবপ্রজন্মের কিশোর বয়সেই মাদকের প্রতি আসক্ত হওয়া, যৌনতার প্রতি লালসা এবং অপরাধ জগতের প্রতি মারাত্মক ঝোঁক বেড়েছে। যা ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া কি তার মতো আরও হাজারো ছেলেমেয়ের উপর পারফরম্যান্স প্রেশার বা একরৈখিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার বাধ্যবাধকতা তৈরি করছে? না কি প্রকৃত জীবনে নিজেকে প্রকাশ করতে না পেরে ভার্চুয়াল দুনিয়া তাকে মুক্তির স্বাদ দিতে সক্ষম? এই প্রশ্ন হয়তো একুশ শতকের সবচেয়ে জরুরি ইস্যু।
নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে কর্মবিরতি এবং কর্মক্ষেত্র ও পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাও যে কর্মক্ষেত্রের নিতান্ত প্রয়োজনীয় শর্তাবলি, বেশি কাজ মানেই যে ভালো কাজ নয়, তা আমরা মানতে চাই না।
প্রতিকূল রাজনীতির কারণে হয়তো হীনম্মন্যতা একটুকরো অন্ধকারের মতো টিকে আছে। তাই মাঝেমধ্যেই বাঙালি-বিদ্বেষ মাথাচাড়া দেয়; এবং বাঙালির (এবং একইসঙ্গে ভারতের) আইকনদের ধরে ধরে আক্রমণ করা হয়। তাঁদের মধ্যে দু’জন মনে হয় এই আক্রমণের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হয়েছেন এ পর্যন্ত– এক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর দুই, রামমোহন রায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved