
গত ১৫ বছরে তো বটেই, বিশ্ব নাট্য দিবসের এই ৬৪ বছরের ইতিহাসে, আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য একজনও বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্বেরও ডাক পড়ল না! ভারত থেকে সেই ২০০২ সালে গিরিশ কার্ণাড, আর ২০১৮ সালে পাঁচজন আঞ্চলিক লেখকের একজন হিসেবে রাম গোপাল বজাজ ছাড়া আর কোনও নাম নেই। কেন মশাই? আমাদের কি বলার মতো কোনও কথা ছিল না? আমাদের শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, বাদল সরকার বা তৃপ্তি মিত্ররা কি আন্তর্জাতিক মানের ভাবুক ছিলেন না?
চায়ে চুমুক দিতে দিতে স্মার্টফোনের স্ক্রিনটা যখন ওপরের দিকে ঠেলছেন, তখন একটু খেয়াল করে দেখেছেন কি, আপনার এই ছোট্ট যন্ত্রটা আপনাকে কীভাবে বোকা বানাচ্ছে? এই ধরুন, স্ক্রল করতে করতে আপনি দেখলেন কোনও এক অজানা শহরের ওপর বোমারু বিমান থেকে আকাশভাঙা আগুন ঝরে পড়ছে, একটা আধপোড়া পুতুলের পাশে বসে কাঁদছে এক অনাথ শিশু। দৃশ্যটা দেখে আপনার বুকের ভেতরটা হয়তো ছ্যাঁত করে উঠল। কিন্তু ঠিক তার পরের সেকেন্ডেই, আঙুলের এক আলতো ছোঁয়ায় আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠল কোনও এক ভ্লগারের নতুন রেস্তোরাঁয় বিরিয়ানি খাওয়ার হাসিমুখের ভিডিও। আপনি শিশুটির কান্না ভুলে গিয়ে বিরিয়ানির দোকানে ট্যাগ করা লোকেশনটা দেখতে শুরু করলেন।
এই যে মানুষের মৃত্যু, রক্ত আর হাহাকার– এগুলোর পাশাপাশি এক প্লেট বিরিয়ানি বা একটা চটুল নাচের ভিডিওকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া, এটাই হল আজকের যুগের অ্যালগরিদমের সবচেয়ে বড় ম্যাজিক। এই ম্যাজিক আমাদের অনুভূতিগুলোকে ভোঁতা করে দিচ্ছে। রাষ্ট্র বা ওই টেকনো-ক্যাপিটালিস্টরা চাইছে, আমরা যেন কোনও কিছু নিয়েই বেশিক্ষণ না ভাবি। আমাদের সত্তাটা যেন ওই এসআইআর (SIR) বা এনআরসি-র লাইনে দাঁড়ানো একটা ‘লজিক্যাল’ কিম্বা ‘ইললজিক্যাল’ ডেটাবেসে পরিণত হয়। আমরা ক্রমশ পরিণত হচ্ছি ৬৯ ঙ, মূর্ধন্য-ণয়ের ৬৫।

ঠিক এইরকম একটা অনুভূতিহীন, প্লাস্টিকের পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে, ২০২৬ সালের বিশ্ব নাট্য দিবসে হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা উইলিয়াম ডাফো (Willem Dafoe) একটা বড়সড় ঢিল ছুঁড়েছেন আমাদের এই শান্ত পুকুরে। ডাফো মশাই তাঁর বার্তায় খুব সুন্দর একটা স্মৃতিকথা শুনিয়েছেন। সত্তর দশকের শেষদিকে নিউ ইয়র্কের ‘ওস্টার গ্রুপ’-এ কাজ করার সময়, এমন অনেকদিন যেত যখন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের চেয়ে মঞ্চে অভিনেতার সংখ্যা বেশি থাকত! চাইলে তাঁরা শো বাতিল করতে পারতেন। কিন্তু করেননি। কারণ তাঁদের কাছে ওই অভিনয়টা কেবল ‘শো মাস্ট গো অন’ গোছের কোনও যান্ত্রিক স্লোগান ছিল না, ওটা ছিল ওই গুটিকয়েক দর্শকের সঙ্গে দেখা করবার এক অমোঘ দায়বদ্ধতা– ‘আ মিটিং উইথ দ্য পাবলিক’!
ডাফো তাঁর বার্তায় একটা অত্যন্ত জরুরি বেদনায় আঙুল বুলিয়েছেন। তিনি বলছেন, এই যে আমরা সারাদিন যন্ত্রের সঙ্গে কথা বলছি, যন্ত্রের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছি, এতে করে আসল ‘মানুষ’-এর সাথে ‘মানুষ’-এর যোগাযোগটাই হারিয়ে যাচ্ছে। যন্ত্রের ওপারে যে বসে আছে, সে আদতে কে– তা না জানার ফলে সমাজে আজ এক অদ্ভুত ‘সত্য ও বাস্তবতার সংকট’ (crisis of truth and reality) তৈরি হয়েছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই হয়তো আপনাকে নিখুঁত একটা স্ক্রিপ্ট লিখে দিতে পারে, গুচ্ছের তথ্য দিতে পারে, কিন্তু থিয়েটার যে ‘বিস্ময়’ বা ‘ওয়ান্ডার’ তৈরি করে, তা কোনও কোডিং দিয়ে বানানো সম্ভব নয়। কারণ থিয়েটার মানেই হল, একটা নির্দিষ্ট জায়গায় কিছু রক্তমাংসের মানুষের সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা, একসঙ্গে শ্বাস নেওয়া।

ডাফো সাহেব আরও একটা দারুণ কথা বলেছেন। তিনি বলছেন, আমরা হলাম সামাজিক প্রাণী। আমরা জন্মগতভাবে, একদম ‘জৈবিকভাবেই’ (biologically) এই পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকার জন্য তৈরি হয়েছি। আমাদের পঞ্চেন্দ্রিয়ের প্রতিটি ইন্দ্রিয় হল নতুন কোনও মানুষের সঙ্গে মোলাকাতের এক-একটা দরজা। ডাফো আমাদের সতর্ক করছেন, এই যান্ত্রিক আর সহিংস পৃথিবীতে থিয়েটার যেন কেবল একটা সস্তা বাণিজ্যিক ‘ডিস্ট্র্যাকশন’ বা মিউজিয়ামের মতো শুষ্ক প্রথা-সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান না হয়ে ওঠে। থিয়েটারকে হতে হবে এমন এক জীবন্ত পরিসর, যেখানে আমরা একে অপরের ওই ইন্দ্রিয়গুলোকে সজাগ করে চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করতে পারি– ‘আমরা কোথায় যাচ্ছি?’
ডাফোর এই কথাটা পড়ার পর, আমার হঠাৎ করেই একটা খুব পুরোনো তর্কের কথা মনে পড়ে গেল। অনেকেই তো বলেন, আমাদের এই যে বাংলা থিয়েটার, এর বয়স না কি ওই মেরেকেটে আড়াইশো বছর! ওই ১৭৯৫ সালে গেরাসিম লেবেদেফ সাহেব এলেন, ডোমোতলা স্ট্রিটে কাঠের তক্তা দিয়ে একটা প্রসেনিয়াম মঞ্চ বানালেন, আর আমরা সব হাঁ করে সাহেবদের অনুকরণ করে থিয়েটার করা শিখে গেলাম!

বলছি স্যর, সত্যিই কি তাই? আমাদের নাট্যচর্চার ইতিহাস কি কেবল ওই আড়াইশো বছরের ঔপনিবেশিক দান? একটু চোখ বন্ধ করে পিছিয়ে যান তো হাজার হাজার বছর আগে। যখন ইউরোপে প্রসেনিয়াম মঞ্চের কোনও ধারণাই তৈরি হয়নি, তখন আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশে ‘নাট্যশাস্ত্র’-র মতো একখানা মহাকাব্যিক গ্রন্থ লেখা হয়ে গেছে, যেখানে মানুষের প্রতিটি পেশি, চোখের প্রতিটি ইশারা আর আবেগের পুঙ্খানুপুঙ্খ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা আছে। আমাদের থিয়েটারের শিকড় ওই আড়াইশো বছরের কাঠের মঞ্চে নেই, আমাদের শিকড় ছড়িয়ে আছে সেই প্রাচীন আদিম জনজাতির আগুনের চারপাশে গোল হয়ে করা যৌথ নৃত্যের মধ্যে। আমাদের থিয়েটার বেঁচে আছে সেই কবেকার মনসা ভাসান, গম্ভীরা আর আলকাপের আসরে।

আর ডাফো সাহেব যে মানুষের সঙ্গে মানুষের ওই ‘সরাসরি সংযোগ’ আর ‘ইন্দ্রিয় দিয়ে মোলাকাতের’ কথা বলছেন, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ তো এই বাংলাতেই আছে। সেই কবে শ্রীচৈতন্যদেব যখন খোল-করতাল নিয়ে, জাতপাতের সমস্ত বেড়া ভেঙে রাস্তায় নেমে নগরসংকীর্তন করেছিলেন, সেটাই তো ছিল এই পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ‘ইমারসিভ থিয়েটার’! সেখানে মঞ্চ আর দর্শকের কোনও ফারাক ছিল না। খোল-করতালের শব্দ, ধুলো-ওড়া রাস্তার গন্ধ, আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরার যে তীব্র শারীরিকতা– তা তো ডাফোর ওই ‘বায়োলজিক্যাল এনগেজমেন্ট’-এরই সবচেয়ে সার্থক রূপ। আমাদের এই যে ‘আটপৌরে’ যাপন, আমাদের এই যে লোকায়ত সংস্কৃতি– এগুলো কোনও দিনই ওই এআই-এর মতো নিখুঁত বা ‘পারফেক্ট’ হতে চায়নি। এগুলো অমসৃণ, কাঁচা, ধুলোমাখা; আর ঠিক সেই কারণেই এগুলো বড্ড বেশি মানবিক।
অথচ, একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করেছেন? আমাদের এই হাজার বছরের পুরনো, ঘাম-মাটি-রক্তে মাখামাখি এত সমৃদ্ধ একটা নাট্য-ঐতিহ্য থাকা সত্ত্বেও, গ্লোবাল মঞ্চে আমরা চিরকাল ব্রাত্যই থেকে গেলাম! গত ১৫ কি ২০ বছরের বিশ্ব নাট্য দিবসের বার্তার লিস্টটা একবার গুগল করে দেখবেন। জন মালকোভিচ (২০১২), ব্রেট বেইলি (২০১৪), আনাতোলি ভাসিলিয়েভ (২০১৬), ইসাবেল হুপার (২০১৭), হেলেন মিরেন (২০২১), পিটার সেলার্স (২০২২), সামিহা আয়ুব (২০২৩), ইয়োন ফোসে (২০২৪) এবং এবার ডাফো। একঝাঁক আন্তর্জাতিক রথী-মহারথী! কিন্তু এই লিস্টে আমাদের নাম কোথায়?

গত ১৫ বছরে তো বটেই, বিশ্ব নাট্য দিবসের এই ৬৪ বছরের ইতিহাসে, আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য একজনও বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্বেরও ডাক পড়ল না! ভারত থেকে সেই ২০০২ সালে গিরিশ কার্ণাড, আর ২০১৮ সালে পাঁচজন আঞ্চলিক লেখকের একজন হিসেবে রাম গোপাল বজাজ ছাড়া আর কোনও নাম নেই। কেন মশাই? আমাদের কি বলার মতো কোনও কথা ছিল না? আমাদের শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, বাদল সরকার বা তৃপ্তি মিত্ররা কি আন্তর্জাতিক মানের ভাবুক ছিলেন না? ফোরাম থিয়েটারের প্রবক্তা বোআল ২০০৯ সালে নাট্য দিবসের বার্তা দিলেন। কিন্তু এশিয়াতে তাঁর ভাবধারা নিয়ে এলেন যে ভগীরথ, সেই সঞ্জয় গাঙ্গুলি এই ধারাকে ‘বাঙালি’ করে তুলে ইউরোপ আমেরিকার আফ্রিকার দেশগুলি চষে ফেলেছেন। সেই হিসেবে তিনি একজন সত্যিকারের আন্তর্জাতিক মানের নাট্যব্যক্তিত্ব। প্রবীর গুহ আরেকজন এমন মানুষ যিনি আমাদের নাট্যচর্চার ‘সহজিয়া পথ’-টিকে খুজলেন সারাজীবন। অথচ তাঁরা ডাক পাননি, পাবেন এমন আশাও করি না।

আসল কথা হল, ওই গ্লোবাল নর্থ বা পশ্চিমা বিশ্ব বরাবরই আমাদের এই তৃতীয় বিশ্বের শিল্পকে একটা ‘রিজিওনাল’ বা আঞ্চলিক তকমা দিয়ে সাইডলাইনে বসিয়ে রাখতে ভালোবাসে। আর তাছাড়া, আমাদের থিয়েটার তো ওই এআই-জেনারেটেড ছবির মতো নিখুঁত নয়, আমাদের তো গালভরা ইংরেজি ব্রোশিওর নেই। আমাদের থিয়েটার হয় মফস্সলের ভাঙা অডিটোরিয়ামে, কার্জন পার্কের ধুলোয়, কিংবা চলন্ত ট্রামের কামরায়। তাই বিশ্বের ওই এলিট ড্রয়িংরুমে আমাদের ডাক পড়ে না।
কিন্তু ডাক না পড়লে কি আমাদের লড়াইটা থেমে গেছে? আজ যখন ইউক্রেন থেকে গাজা হয়ে সুদান– গোটা বিশ্ব যুদ্ধ আর পুঁজিবাদের দাপটে কাঁপছে, তখন কিন্তু ওই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের বার্তার চেয়ে আমাদের এই ধুলোমাখা লড়াইটার দাম অনেক বেশি। পশ্চিমা বিশ্ব যখন ‘আর্ট ইজ পিস’ বলে ঘরের ভেতর বসে শান্তির স্বপ্ন দেখছে, আমাদের থিয়েটারকর্মীরা তখন সরাসরি রাস্তায় নেমে রাষ্ট্রযন্ত্রের চোখের দিকে তাকিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। ডাফো যেমনটা বললেন, মানুষ চেনা যাচ্ছে না বলে আজ ‘সত্যের সংকট’ তৈরি হয়েছে। আমাদের দেশেও তো ঠিক তাই! আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে রাষ্ট্র একটা সফটওয়্যার বা ডেটাবেস দিয়ে বিচার করতে চাইছে কে দেশের নাগরিক আর কে ‘ঘুসপেটিয়া’। রক্তমাংসের মানুষের মুখের চেয়ে রাষ্ট্রের কাছে কাগজের বারকোড বেশি সত্যি হয়ে উঠেছে।

ঠিক এই সময়ে দাঁড়িয়ে, আমাদের মফস্সলের কোনও এক ছন্নছাড়া নাট্যদল যখন পকেটের পয়সা খরচ করে, রাতে দেওয়াল লিখে, পরদিন মঞ্চে উঠে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে, তখন সেটাই হয়ে দাঁড়ায় এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ‘শান্তির বার্তা’। ডাফোর ভাষায়, ওটাই হল আসল ‘মিটিং উইথ দ্য পাবলিক’।
ডাফো সাহেব তাঁর বার্তার শেষে একটা মোক্ষম কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন থিয়েটার হল এমন এক ‘টোটাল আর্ট ফর্ম’ যা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়– ‘আমরা কী ছিলাম, আজ কী হয়েছি, আর আমাদের এই পৃথিবীটা আগামীতে ঠিক কেমন হতে পারত!’ আমরা, মানে এই ভারতীয় উপমহাদেশের থিয়েটারকর্মীরা, তো সেই কবে থেকেই এই কাজটা করে আসছি! আমাদের প্রশ্নগুলো কোনও মেকি বুদ্ধিবৃত্তিক অস্বস্তি বা ‘ইন্টেলেকচুয়াল ডিস্টার্বেন্স’ তৈরি করার জন্য নয়, আমাদের প্রশ্নগুলো অস্তিত্ব রক্ষার। অ্যালগরিদম আর ডেটাবেসের যুগে যখন মানুষের মুখ ঢেকে যাচ্ছে, যখন আমরা কেবল একটা ‘বারকোড’ হয়ে যাচ্ছি, তখন থিয়েটারই আমাদের সেই পুরোনো আটপৌরে যাপনে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

তাই বিশ্ব নাট্য দিবসে কে আমাদের স্বীকৃতি দিল, আর কে আমাদের গ্লোবাল মঞ্চ থেকে দূরে সরিয়ে রাখল– তা নিয়ে অভিমান করে আজ আর কোনও লাভ নেই। আমাদের থিয়েটার আড়াইশো বছরের ধার-করা প্রসেনিয়াম নয়, আমাদের থিয়েটার হাজার বছরের পুরোনো এক অনন্ত যৌথতার নাম। আসুন, ওই মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে চোখটা একটু সরিয়ে নিই। মঞ্চের ওপর পড়া ওই আলোটার দিকে তাকাই, যেখানে একজন জলজ্যান্ত মানুষ আপনার দিকে তাকিয়ে হাসছে, কাঁদছে, বলছে– ‘ছাই ঘেঁটে দেখে নিও, সাচ্চা থিয়েটার ছিল কিনা!’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved