Robbar

allen ginsberg

অস্ত্রের বিরুদ্ধে ফুল

যতদিন পৃথিবীতে যুদ্ধ থাকবে, যতদিন বোমার আঘাতে শিশুরা কাঁদবে, ততদিন ‘ফ্লাওয়ার পাওয়ার’ দর্শন আমাদের মনে করিয়ে দেবে, মারণাস্ত্রের চেয়েও মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি স্থায়ী। শক্তির জোরে সাময়িকভাবে জয়ী হওয়া যায়, কিন্তু পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখতে গেলে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই শরণাপন্ন হতে হবে। সেখানেই মানুষের চূড়ান্ত মুক্তি।

→

আলোকস্তনী রাধিকা

বিদ্যাপতি লিখছেন: পীন পয়োধর রোচি উজোরি। ‘রোচি’ শব্দটি একাধিক অনুষঙ্গের বাহক। ‘রোচি’ আলো বা দীপ্তির অনুষঙ্গ। এবং রুচিযোগ্যতার অনুষঙ্গ। অর্থাৎ, রাধার উন্মুক্ত স্তন কখনও অশালীন নয়। সব থেকে অব্যর্থ এবং তারল্যের ইঙ্গিতবাহী শব্দটা হল ‘উজোরি’, অর্থাৎ রাধার স্তনে আলোর জোয়ার।

→

প্রাচ্যের ভক্তি আর পাশ্চাত্য মানবতার সেতু?

১৯৬৮ সালে ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশনে এবং দু’ বছর পরে ব্ল্যাক প্যান্থারদের বিদ্রোহী সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি অবিরাম কৃষ্ণনাম উচ্চারণ করেছিলেন। এই সময় প্রাচ্যপ্রীতির অর্থ কি পাশ্চাত্যকে পুরোপুরি বর্জন? আমার তো মনে হয়, তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ভক্তিরস এবং মানবতার ভিতর সেতুস্থাপন করতে উন্মুখ ছিলেন।

→

দৃশ্য-ধ্যানের কবি

উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস, অ্যালেন গিনসবার্গের দেখায় এনে দিয়েছিলেন সেই ভাবনার ছাপ যা বৌদ্ধ-দর্শনের সঙ্গে দ্বিরালাপে আরও ঋদ্ধ হল। তাঁকে নিয়ে গেল তাৎক্ষণিক দেখার কবিতা জগতে। গীতল নয়, বরং নিজের ভিতরকার অন্ধকার থেকে ঠিকরে বেরিয়ে দুনিয়ার অন্ধকারের সঙ্গে একাত্ম হওয়া।

→

হাউল থেকে বাউল

এ বছর অ্যালেন গিনসবার্গের শতবর্ষ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবোধ সরকারের গিনসবার্গ সম্বন্ধীয় যে বক্তৃতা, তারই কিছু অংশের তরজমা।

→