Robbar

bengali writer

সারাজীবন নিজেকে জানার জন্যেই লিখে গিয়েছেন সমরেশ বসু

‘উত্তরঙ্গ’ পড়ে উচ্ছ্বসিত ডি কে বলেছিলেন, এই উপন্যাসের লেখককে সোনার কলম দেওয়া উচিত। এবং সত্যিই তিনি সমরেশ বসুকে বাড়িতে ডেকে একটি দামি কলম উপহার দেন। সমরেশদার জীবনের প্রথম পুরস্কার⎯ একটা ফাউন্টেন পেন পাওয়া তখন তাঁর কাছে প্রায় স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতোই ছিল।

→

কামনা-বাসনার আলো-আঁধারি পেরিয়ে বিমল কর পৌঁছন ভালোবাসার ব্যাপ্ত চরাচরে

বিমল কর নিহিত সেই পাতালের মুখ– কখনও যা সামাজিক ঔচিত্যের বিধানে নাড়া দেয়– অকপটে খুলে ধরেন, কিন্তু আখেরে পৌঁছে দিতে চান কামনার স্থূল অন্ধিসন্ধি পেরিয়ে ভালোবাসার ব্যাপ্ত চরাচরে। গোপন কামনা-বাসনার খবরাখবর মেলে ধরা গেলে সেই সূত্র গোটা মানুষের কাছে নিয়ে যায়, প্রকৃত অবস্থান বোঝা যায় তাঁর।

→

অযত্নের লেখা কখনও ছাপতে দিইনি, বলেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর যে বিশেষ সাক্ষাৎকার আমরা গ্রহণ করি, সেখানে সুনীলের একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি ‘হো হো’ করে হেসে প্রসঙ্গান্তরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সুনীল বলেছিলেন, ‘এরকম শোনা যায়, আপনি নাকি একসময় রাস্তায় বাসে-ট্রামে কোনও সুন্দরী রমণীর দেখা পেলে কাউকে বুঝতে না দিয়ে তাঁকে নীরবে অনুসরণ করতেন?’

→