Robbar

Buddhadeb basu

সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতা দিয়েই শুরু হয়েছিল দে’জের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ সিরিজ

বাংলা কবিতায় সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের আবির্ভাব চমকপ্রদই ছিল। বুদ্ধদেব এক-এক করে চিনিয়ে দিয়েছিলেন সুভাষের প্রথম কবিতার বইয়ের অভিনবত্বগুলি। তাঁর ধারণায় সুভাষ সম্ভবত প্রথম বাঙালি কবি যিনি প্রেমের কবিতা লিখে কবি-জীবনের সূচনা ঘটাননি। ‘পদাতিক’ বইয়ের প্রথম লাইন হল– ‘কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না?’

→

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

রবিঠাকুর নোবেলটা পেয়েছিলেন বলে সর্বভারতীয় স্তরে বাংলার এখনও এত মান। নইলে কে দেখতে যাচ্ছে নজরুল, মধুসূদন, জীবনানন্দ, বিভূতিভূষণ কী লিখেছিলেন, তাঁদের কী প্রতিভা ছিল! এঁরা প্রত্যেকেই নোবেলের যোগ্য। আমরা কোন্দল করতে গিয়ে তাঁদের ঠিকমতো তুলে ধরতে পারিনি। বাংলাদেশ ভাষার জন্য প্রাণ দিতে পারল, আমাদের শিলচর শহিদ হতে পারল, আর আমরা একটা মরণান্তক আন্দোলন করতে পারি না?

→

জয় এখন শেষজীবনের বুদ্ধদেব বসুর মতোই প্রশ্নাতুর

কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই।

→

বিফের মতো সুপাচ্য, পুষ্টিকর মাংস ভূ-ভারতে নেই, মেয়েকে চিঠিতে লিখেছিলেন বুদ্ধদেব বসু

একুশ শতকের ভারতে, এমনকী কখনও বাংলাতেও বিশেষ রাজনৈতিক মদতপুষ্ট ব্যক্তিরা হুংকার ছাড়েন আমিষ বর্জনের। খবরে প্রকাশ, দেশের কোথাও-কোথাও না কি নবরাত্রির সময় (হায়! আমরা আগে রামনবমী নয়, অন্নপূর্ণা পুজো বলতাম) হপ্তাভর আমিষ খাওয়া নিষিদ্ধ। কলকাতায় চিকেন প্যাটিস বিক্রেতা রিয়াজুলকে হেনস্তার খবরও অজানা নয়। কিন্তু বু.ব.-র লেখায় পড়ছি স্বয়ং বাল্মীকি তাঁর কাব্যে বনবাসী রাম-লক্ষ্মণকে প্রায়ই দেখিয়েছেন মৃগয়ায় পাওয়া রাশিকৃত পশু নিয়ে ঘরে ফিরতে।

→

শীতের প্রার্থনা, বসন্তের উত্তর: একদিন অথবা চিরদিন

এই কাব্যগ্রন্থের শীত দুঃসহ, রিক্ত, জীর্ণ পাতা ঝরাবার বেলা নিশ্চয়ই। আবার মনে হয় কবিজীবনের দিকে তাকালে মধ্যবয়সের এক অকাল বৈধব্য। আবার এই শীত জন্মান্তর। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন বীজের বসন্তের বার্তা।

→

হাতে লেখা বা ছাপা ‘প্রগতি’র ঠিকানাই ছিল বুদ্ধদেব বসুর পুরানা পল্টনের বাড়ি

বুদ্ধদেব বসু ঢাকা থেকে কলকাতা চলে যাওয়ার পরপর বাড়িটির মালিকানা পরিবর্তন হয়। বাড়িটি কিনে নেন কবি ও বিভাব পত্রিকার কর্ণধার সমরেন্দ্র সেনগুপ্তের পিতা বগলাপ্রসন্ন সেনগুপ্ত।

→

সাতবার প্রুফ দেখার পর বুদ্ধদেব বসু রাজি হয়েছিলেন বই ছাপানোয়!

আজকাল যেমন খবরের কাগজগুলোতেও আকছার এই ‘জ়’ লেখা হয়, তখন এর তেমন প্রচলন ছিল না। বুদ্ধদেব ছাড়া আর কেউ এমন বর্ণ ব্যবহার করতেন বলেও শুনিনি। ‘ব্লাউজ’ শব্দটিতে ‘জ’ নিচে একটা করে ফুটকি দেওয়া নিয়ে প্রেসের সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝিও হয়েছিল। তাই অর্ডার গেল ফাউন্ড্রিতে, নতুন হরফ তৈরি হয়ে এল।

→

সত্তরের উথাল-পাথাল রাজনৈতিক আবহাওয়ায় আমি প্রকাশনার স্বপ্ন দেখছিলাম

শুরুতে কিন্তু দে’জ-এর অতি পরিচিত লোগোটিও তৈরি হয়নি। তখনকার বইয়ের স্পাইনে অন্তত তিন রকমের লেটারিংয়ে “দে’জ” কথাটা লেখা হয়েছিল।

→

একটি দুর্গ ও অনেক দিনের পুরনো নির্জন এক টেবিল

হে লেখক, তোমার নিজস্ব মায়াবী টেবিলে বসে, তুমিও যেন একদিন লিখতে পারো, এক অপার সমুদ্র।

→

সমর সেনের মহুয়ার দেশ থেকে সোভিয়েত দেশে যাত্রা

সমর সেন নিজে মাত্র বছর পাঁচেকের মেয়াদে, এত অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের অন্তত গোটা বিশেক বই অনুবাদ করেছেন, আবার ওই পরিমাণ বইয়ের অন্যদের করা অনুবাদের রচনাশৈলীর সম্পাদনাও করেছেন।

→