

বাংলা কবিতায় সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের আবির্ভাব চমকপ্রদই ছিল। বুদ্ধদেব এক-এক করে চিনিয়ে দিয়েছিলেন সুভাষের প্রথম কবিতার বইয়ের অভিনবত্বগুলি। তাঁর ধারণায় সুভাষ সম্ভবত প্রথম বাঙালি কবি যিনি প্রেমের কবিতা লিখে কবি-জীবনের সূচনা ঘটাননি। ‘পদাতিক’ বইয়ের প্রথম লাইন হল– ‘কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না?’
প্রেমের আরেক রকমারি-ঝকমারি– পার্টিপ্রেম। দলের আনুগত্য থাকা। চিরকাল। দল কী দিল-টিল, সেসব হিসেবে তেমন যায় আসে না। এমনকী, ভেঙে যাওয়া, ছিন্নভিন্ন হাল সত্ত্বেও, বহু পার্টিকর্মীই মফস্সলে ধরে রাখে আপনপার্টি। বুকের মধ্যে, একটা নিশ্চিন্দিপুর গজিয়ে ওঠে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েও পার্টি করতে করতেই তো প্রেম ঘটে যায় দুম করে। প্রেমই পার্টি, পার্টিই প্রেম। তাও, কেউ কেউ হাঁটে না মিছিলে, শোনা যায়, তারও দল আছে। কোথায়?
একটা চুমু বা ভালোবাসাকে সবসময় নরম করে দেয় আমাদের সমাজ। কিন্তু ভালোবাসার মধ্যেই তো থাকে না-মানার জোর, বদলে ফেলার স্পর্ধা– সেটা হারিয়ে যেতে দেওয়া অনুচিত।
স্কুল গড়ার কাজে উমাদির সঙ্গে নিরঞ্জনবাবু ছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। স্কুল নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কও হত খুব। যাঁরা দেখেছেন তাঁরা বুঝতেন স্কুল নিয়ে কতখানি প্যাশন ছিল দু’জনের মধ্যে সেসব তর্কে। স্কুলের কাজে চিনুদা প্রত্যক্ষভাবে জড়াননি, কিন্তু তাঁর পূর্ণ সমর্থন ছিল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved