

ইউরোপ থেকে ফেরার খবর পেয়ে ম্যাগনোলিয়া ফুল নিয়ে রবীন্দ্রনাথ অভিনন্দন জানাতে গেলেন জগদীশচন্দ্রকে। কিন্তু সেদিন সস্ত্রীক জগদীশচন্দ্র কোথাও গিয়েছিলেন। তাঁর টেবিলের ওপর ফুলটি রেখে আসেন কবি। অবলার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বন্ধুত্বকে কোনও কোনও গবেষক ভিন্ন আলোকে ব্যাখ্যা করলেও তার মধ্যে সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায় না।
রবীন্দ্রনাথের বন্ধু হওয়া তো সোজা ব্যাপার নয়! জগদীশচন্দ্র হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ স্বীকার করেছেন যে, ঠাকুরবাড়ির বাইরে জগদীশচন্দ্র বসুই তাঁর প্রথম বন্ধু। স্বীকার করেছেন, তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের কোণ থেকে জগদীশচন্দ্র তাঁকে টেনে বের করেছিলেন।
গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যের জীবনকাহিনি আজ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, বড় কিছু করার জন্য সবসময় প্রাচুর্য বা বড় ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না, যা প্রয়োজন তা হল একাগ্রতা, নিষ্ঠা এবং চারপাশের প্রকৃতিকে ভালোবাসার এক সত্যান্বেষী মন।
নব্যবঙ্গীয় চিত্রকলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ‘প্রবাসী’ আর ‘মর্ডান রিভিউ’-এর পাতা ভরে উঠেছিল তাঁর লেখা চিত্র-পরিচিতিতে। অবনীন্দ্রনাথ ভারতমাতার ছবি আঁকলে, সেটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন ভগিনী নিবেদিতা। তাঁর মনে হয়েছিল, এটি নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারতীয় শিল্পভাষায়, দেশের মানুষের জন্যে আঁকা ছবি।
যার কাঁধে চেপে স্কুলে যেতেন জগদীশচন্দ্র বসু। পাঁচ বছর বয়সে জগদীশের জন্য একটি ঘোড়া কেনা হয়। ডাকাতের কাঁধ থেকে সেই টাট্টু ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়াতেন ফরিদপুর শহর।
অবলা বসু তাঁর জীবদ্দশায় অবিভক্ত বাংলাদেশে মহিলাদের জন্য মোট ৮৭টি শিক্ষাকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে গেছেন। প্রকৃতভাবে অবলা বসুকে চিনতে হলে আজ জন্মের ১৬০ বছর পরে তাঁর কাজগুলোই মনে রাখা ভালো। না হলে মনে অনেক প্রশ্ন ওঠে। অনেক প্রশ্ন। যার উত্তর হয়তো শেষ পর্যন্ত লেখা যায় না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved