Robbar

Jagannath

মুসলিম কবির জগন্নাথভজন শরীরে তুলে নিয়েছিলেন কেলুচরণজি

মুসলিম কবি সালাবেগের ডাকে আজও বড়দারায় থামে পুরীর রথ। সালাবেগের জগন্নাথভজন ‘আহে নীল শৈল প্রবল মত্ত…’ পরম নিষ্ঠায় অভিনয় করতেন গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র। আটপৌরে দেহ, বিরলকেশ মাথা, সাদা ধুতি আর প্রায় রূপসজ্জাহীন মুখ, অলৌকিক হয়ে উঠত এক মুহূর্তে।

→

রথের রূপক

জগন্নাথের রথযাত্রা কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, তা আসলে মানুষ ও ঈশ্বরের, মানুষ ও মানুষের, মানুষ ও প্রকৃতির এবং জীবন ও মহাবিশ্বের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক জীবন্ত উদ্‌যাপন। পুরীর তিন রথ আমাদের শেখায় যে, জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে ভক্তি ও কর্মে, প্রকৃতি ও সভ্যতায়, ব্যক্তি ও সমাজে এবং আত্মা ও বিশ্বচৈতন্যের সমন্বয়ে।

→

জগন্নাথের শবরযোগ

শবরদের ধর্ম-ভাবনায় ত্রিমূর্তির উপাসনা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। ত্রিমূর্তি হলেন তানাপেনু, জাকেরিপেনু এবং মুরভিপেনু। শবর ভাষায় ‘পেনু’ শব্দের অর্থ ঈশ্বর। ওড়িশার শবর-প্রধান গ্রামগুলিতে জগন্নাথের নাম ‘জগনেলো’। শব্দটির অর্থ– কাঠের তৈরি দেবমূর্তি। শবর ভাষায় দেবতার নাম ‘সানাম’ এবং মূর্তিকে বলে ‘কিটুঙ্গা’। সকল কিটুঙ্গাদের মধ্যে জগনেলো হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি বিশ্বের অধিপতি হিসাবে বন্দিত।

→

জগন্নাথের স্নানযাত্রা গ্রীষ্মের দাবদাহের শেষে প্রভুর কাছে বর্ষা আগমনের অনুমতি

স্বাভাবিকভাবে কৃষি-ভারতের যাপনচিত্রও গাঁথা হয়ে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠানের চালচিত্রে। আজ জগন্নাথ মহাপ্রভুর স্নানযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ লেখা। তাছাড়াও, রোববার.ইন-এ আজ সারাদিন ঝরোঝরো শব্দ, চান নিয়ে মোট ৬টি লেখা, পড়তে ভুলবেন না যেন!

→