মেলার চারদিকেই শব্দের বাগান, স্বপ্নের দৃশ্য। চোখ কচলে, গায়ে চিমটি কেটে নিজেকে আশ্বস্ত করার প্রয়োজন নেই। যাহা ঘটিল, তাহাই সত্য। স্টলে স্টলে দলে দলে লোক যে ভেসে যায়।
কলকাতা বইমেলা ২০২৬। ঘুরে-ফিরে দেখা। ইতিউতি স্টলে ঢুঁ। মাইকে চিৎকার। বিস্মিত বালক-বালিকার মুখ। বইয়ের গন্ধভরপুর। নানা কারুকাজ। নতুন বই-পুরনো বই। পুরনো প্রিন্টের বই, যাহ ফক্কা, দেরি করে এলে মিস! সইসাবুদ, লেখক পাকড়াও, পাঠক পাকড়াও! প্রথম দিন কেমন গেল? জানাচ্ছে রোববার ডিজিটাল। জানাবে রোজ। বইমেলার কড়চায়।
এই উপন্যাসটি নানা প্রতিক্রিয়া জাগায়। প্রাক্তন নকশালরা বিরক্ত হন। আত্মহত্যার ঘটনাটি কষ্টকল্পনা মনে হয় কোনও কোনও লেখক-সমালোচকের। আমি শুনে হাসি। একেই বলে ‘ট্রুথ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন’।
বইটা শেষ করার আগে কেবলি মনে হচ্ছিল– হল না। আরও কী যেন দেওয়ার ছিল, বলার ছিল আরও কত কথা।
২০১০ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘পাতালঘর’। কচিকাঁচাদের ভালো লেগেছিল। সে কারণেই বই বিক্রি হয়েছিল ভালো। সেই বইয়ের প্রকাশক যদিও ব্যাজার মুখে জানিয়েছিলেন বিক্রি ‘মোটামুটি’।
সকলের চোখের সামনে নেমে আসুক অশরীরী বই, সকলের শ্রুতিতে বাজুক কানবই। সেটা হলে বেশ হয়।
বইমেলা তাই আমার কাছে মানুষের সঙ্গে থাকা। মানুষকে নিয়ে চলা। কারণ মানবসভ্যতায় বই ও মানুষ চিরকাল পাশাপাশিই চলেছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved