উপন্যাস, ছোটগল্প, এমনকী রিপোর্টাজেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা-ভাষায়,ভাবে এবং প্রয়োগে স্বতন্ত্র। থিয়েটার, সিনেমা এবং মার্গসংগীতের পাশে অনায়াসে দ্যুতি ছড়াত সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথের 'এথিকোপলিটিক্যাল' চর্চা।
মহাশ্বেতাদির খুব ইচ্ছে কলকাতা শহরে শবর মেলা করবেন। পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শবররা কলকাতায় ছ’দিন থেকে মেলা করবে। আমায় ও আমার স্ত্রীকে তাঁর আদেশ– ‘তোমরাই করবে’। তখন ‘বিনোদন বিচিত্রা’ পত্রিকার পক্ষ থেকে কলকাতা তথ্যকেন্দ্রে এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হল।
১৯৮৩-’৮৪ সাল নাগাদ সম্ভবত মহাশ্বেতাদি পুরুলিয়া যান খেড়িয়া শবরদের হাল-হকিকত জানতে। বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সেই যে গেলেন, আজীবন সেখানকার আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে জুড়ে রইলেন ঘনিষ্ঠভাবে।
ঋত্বিক ঘটক জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার জিন্দাবাহার লেনের মামাবাড়িতে। এ বছর ঋত্বিকের জন্মশতবর্ষ পালিত হচ্ছে, আগামী বছর মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ পালিত হবে। ঢাকার যে বাড়িতে মহাশ্বেতা দেবী জন্মেছেন সেই বাড়িটি এখনও অক্ষত রয়েছে।
‘চলচ্চিত্র মানুষ এবং আরো কিছু’ বইটি প্রকাশের পরে পাঠকমহলে যথেষ্ট সাড়া পড়ে যায়। দু’-মলাটের মধ্যে ঋত্বিকের এতগুলো লেখা এর আগে কখনও আসেনি। তবে এ-কাজটিও সুরমা বউদি এবং ঋতবান ঘটকের সাগ্রহ অনুমোদন ছাড়া করা সম্ভব হত না।
মহাশ্বেতাদির নিজের সংগ্রহ, প্রকাশকের ঘরে থাকা বই নিয়ে কাজ শুরু হল। কিন্তু যেসব পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে সেই সব কাগজ কোথা থেকে পাওয়া যাবে! আবার মহাশ্বেতাদি যেসব পত্রিকার পাতা ছিঁড়ে রেখেছিলেন সেখানেও দেখা গেল নানা অসঙ্গতি। কোথাও দেখা গেল লেখার শেষাংশ নেই। বোঝাই যাচ্ছে, কতটা ‘সহজ’ দায়িত্ব অজয়দার কাঁধে এসে পড়েছিল!
‘তিন কন্যা’ ও ‘অধবা’ নামে দু’টি নভেলেট একত্রে গ্রথিত হয়েছিল দে’জ থেকে। বইটির পরিচিতিতে লেখা হয়েছিল– ‘রাজনীতি যখন জনকল্যাণের পথ ছেড়ে দলকল্যাণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন তা সমাজকে অবক্ষয়ের কোন নরকে পৌঁছে দেয়– তারই এক নিরাবরণ চিত্র… ‘তিনকন্যা’ ও ‘অধবা’…।’
১৩ আর ১৪ নভেম্বর কুর্চির উঠোনে ওদের শেখানো হল, মহাশ্বেতা দেবীর ‘অরণ্যের অধিকার’ আবৃত্তির সঙ্গে কখন, কারা, কীভাবে দাঁড়াবে স্থির মূর্তির মতো এক-একটা ছবির মতো। এই হল দু’-দিনের নাট্য-ওয়ার্কশপ। মন দিয়ে শিখছে ওরা। দ্বিতীয় দিনে রীতিমতো পোশাক পরে, বন্দুক, তির-ধনুক নিয়ে, গরাদের কাট-আউট আর সাল-তারিখের বাংলা আর মুন্ডারি ভাষার পোস্টার হাতে করে মহড়া হয়েছে। আজ ১৫ নভেম্বর ২০২৫, বিকেলে বিরসা মোড়ে ভগবান বিরসার মূর্তির পায়ের কাছে বিরসা স্মরণের অনুষ্ঠান হবে।
প্রায় কিশোরী বয়সে ‘বেঙ্গল ফেমিন’-এর মানুষদের মুখ কি সারাজীবন রয়ে গিয়েছিল তাঁর মনে? নিজের জীবনে মেয়েদের স্থান আর মেয়েদের শক্তির বোধ থেকে? তাই যখন যেখানে মানুষকে অপমানিত লাঞ্ছিত হতে দেখেছেন, অমন তীব্রভাবে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম? ভালোবাসায়? হ্যাঁ, তার মূলে ছিল আপ্রাণ ভালোবাসা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved