Robbar

Nabaneeta Dev Sen

প্রখর তবু তিক্ত নয়

নবনীতা আমাদের যুক্তিহীন, অনুভবহীন কিন্তু বদ্ধমূল পূর্ব-সংস্কার, প্রথা, তন্ত্র আয়নার মতো ধরেন, আর আমরা আত্মদর্শনে কেঁপে উঠি প্রায়! প্রখর তবু তিক্ত নয়, বরং তাঁর গল্পের গভীরে রইল করুণা, আর জীবনের অনিঃশেষ লাবণ্যে অনাহত বিশ্বাস।

→

প্রথম বইয়ের প্রচ্ছদ নিজেই এঁকেছিলেন নবনীতা দেবসেন

স্বপনদা (স্বপন মজুমদার) আমাকে বলেছিলেন নবনীতাদির প্রথম উপন্যাসটি পুনর্মুদ্রণ করার কথা। ১৯৮৬-র বইমেলার সময় আমি সেই উপন্যাস– ‘আমি, অনুপম’ নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম। ‘আমি, অনুপম’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে, ইমার্জেন্সির সময়।

→

টরে টক্কার শূন্য এবং ড্যাশের সমাহারে ব্যাঙের ‘গ্যাগর গ্যাং’ও অনুবাদ করে নিতে পারতাম

টেলিগ্রামের ভাষাটা ছোট করতে হত। কারণ প্রতিটি শব্দের জন্য পয়সা দিতে হত। এমনকী, কমা ফুলস্টপের জন্যও। নবনীতা দেবসেনের দশম বিবাহবার্ষিকীতে অর্মত্য সেন বিদেশ থেকে নবনীতাকে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন– ‘ট্রিট দিস পেপার অ্যাজ ফ্লাওয়ার।’

→

ক্যামেরার সামনে আড্ডা মেরেছি , আবার তাঁর অবিচুয়ারি প্রোগ্রামও করতে হয়েছে

‘কাছের মানুষ সুচিত্রাদি’, এই স্মরণ অনুষ্ঠানে সুচিত্রাদির মেয়ে মণিকুন্তলা এসেছিল তার ব্যক্তিগত শোকাবস্থাকে পেরিয়ে। ‘হে পূর্ণ তব চরণের কাছে’ নবনীতাদিকে স্মরণ করে।

→

যা করার নয়, যেখানে যাওয়ার নয়, সেইসব অগম্যগমনই একলা মেয়ের ঘোরাঘুরি

‘আকাশপজ্জন্ত ঠ্যাং’ মানে, যে মেয়ে কারও তোয়াক্কা না করে পথে বেরয়। আর সে মোটেও সতী নারী নয়।

→

আড়াল বেছে নিলেও সুচিত্রা চিরকালের মোহিনী

রুপোলি পর্দার মোহিনী আড়াল থেকে দর্শকদের পুজো পাওয়ার লোভ এবং মোহ অনায়াসে ছেড়ে দিয়ে প্রচণ্ড ভাবে সুরক্ষিত প্রিভেসির আড়ালে সমাজ-বিচ্ছিন্ন সাধারণীর জীবন কাটানোর মতো মনের জোর তো গ্রেটা গার্বো আর সুচিত্রা সেন ছাড়া কারুর দেখিনি।

→

অল্‌রাইট কামেন্‌ ফাইট্‌! কামেন্‌ ফাইট্‌!

এই লেখাটি ‘রোববার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ২৭.১০.২০১৯-এ। মৃত্যুর সঙ্গে বোঝাপড়া করছিলেন যেন নবনীতা দেবসেন। পাঠককে প্রথমবারের মতো জানালেন তাঁর অসুস্থতার কথা, মৃত্যুমুখিতার কথা। তবুও জীবনের প্রতি উচ্ছ্বাস কমেনি তাঁর। তাই এই লেখাটিও তাঁর শেষ লেখা নয়।

→