

নাসিরুদ্দিন শাহ জীবনকৃতি সম্মান পুরস্কার গ্রহণে অসম্মতি জানিয়েছেন। কেন? উত্তর সহজ, একজন অভিনেতার সফর কখনও ফুরয় না। সেই কাজ আমৃত্যু করে যেতে হয়। এমনই নিয়তি। তাই নাসিরুদ্দিন বিশ্বাস করেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়নি।
রোববার-এ ফিরলেন জয় গোস্বামী। লেখা নয়, অনন্ত কথাবার্তা পরিসর। যে-কথা ছুঁয়ে থাকবে তাঁর নানা স্মৃতি ও অনুসঙ্গকে। সঙ্গে শৈবাল বসু।
গল্পগাছায় বুঝতে পারতাম তাঁর বোধ ছিল প্রখর, অত্যন্ত ভালো পড়ুয়া, এবং প্রচুর ইউরোপিয়ান সিনেমা দেখেছেন। এবং এমনভাবেই দেখেছেন যে সেসব সিনেমার রেফারেন্স মনে অটুট থাকত। আমার কোনও ছবি দেখে বলে দিতে পারতেন, কোন দৃশ্যে বুনুয়েলের ছাপ, আর কোন দৃশ্যে চ্যাপলিন। প্রয়াত শ্যাম বেনেগাল, রইল একটি স্মৃতিলিখন।
বিয়েবাড়ির নহবতে সানাইয়ের সিডি বেজে উঠছে, বদলাচ্ছে মেনু, লুচির জায়গা নিচ্ছে লাচ্চা পরোটা, ভিয়েন বসছে না আর, ক্যাটারার এসে জেঁকে বসছে।
যে বিষয়গুলি প্রত্যক্ষত শ্রেণিগতভাবে কিষান-মজদুরদের স্পর্শ করে না, এমন অনেক বিষয় যা এই চাকরি করা ভদ্র সাধারণকে প্রত্যক্ষত স্পর্শ করে, তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকছেন লক্ষ্মণের সাধারণ মানুষ– একা, নিরুপায় কিন্তু সচেতন। খবরের কাগজের পাতায় সহ-সাধারণদের সচেতন করে দেওয়াই তাঁর কাজ।
মাথা গরম করে পরিচালকের বাড়িও গিয়েছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ! লিখছেন অম্বরীশ রায়চৌধুরী ও উদয়ন ঘোষচৌধুরী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved