

একটা স্টারডম, একজন মাচো অ্যাথলিট আর অনন্ত প্রচারের চূড়ামণি আর ফোটোগ্রাফারের বাইরে থাকে– একটা আড়াল। জেডেন অ্যাডামস সেই আড়াল থেকে আর ফিরলেন না।
ইউরোপ বনাম লাতিন আমেরিকার ঘরানার লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নির্ধারণ হবে কিছুদিন বাদেই। একথা সত্যি যে, লাতিন আমেরিকার ফুটবলে শিল্প এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণ, সেই ছবিটা বহু বছর ধরেই ধীরে ধীরে বদলে গিয়েছে অনেকটাই। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর উপনিবেশের ইতিহাস, অর্থনৈতিক শক্তি এবং অভিবাসন নীতির ইতিবাচক ফলে পুষ্ট হয়েছে তাদের বদলে চলা ফুটবল-সংস্কৃতি।
আবিশ্ব এই পাল্টে যাওয়া ফুটবল সংস্কৃতিকে স্টেফান লরেন্স এবং গেরি ক্রফর্ডের মতো গবেষকেরা অভিহিত করেছেন ‘ডিজিটাল ফুটবল কালচারস’ নামে। এখন বাঙালিও তার অংশীদার। না-ছুঁতে পারা ভৌগোলিক দূরত্ব সে মিটিয়ে নিয়েছে সমাজমাধ্যমে।
প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বাজেটের বিপুল আয়োজন, চূড়ান্ত আনন্দ-উল্লাস এবং নানা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের জৌলুসের উন্মাদনায় সকলে যখন মোহিত, তখন কেউ কি কল্পনা করতে পারছেন যে, ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দূষণকারী আসর হতে চলেছে!
নেমারের ‘পুরনো’রাই নেমারকে ‘পুরনো’ করে দিয়েছেন, বাতিলের দলে ফেলে। লিখেছেন রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved