Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

অশ্লীল সংগীত থেকে প্রগলভতা– বাসর ঘর ছিল অন্দরমহলের মেয়েদের মুক্তাঞ্চল

যেমন বাসরযুদ্ধ ইতিহাস, তেমনই আগামিদিনে বাসর ঘরও ইতিহাস হবে, আধুনিকতার দমকা হাওয়ায়।

→

সরফরাজ ‘ধোঁকা’ দেয়নি, দেবে না

যে পথ আপনাকে এতদিন ছুটিয়ে মেরেছে, অপেক্ষার সেই হলদে সাইনবোর্ডগুলো ভুলবেন না সরফরাজ।

→

নির্বাক ছবির অস্তাচল ও সবাক ছবির উদয়াচল ধরা পড়েছিল যে সিনেপত্রিকায়

প্রথম সংখ‌্যাটি প্রকাশের সময় সম্পাদকের বক্তব‌্য ছিল কিঞ্চিৎ দ্বিধাজড়িত। একটি পৃথক গ্রন্থ হিসাবেই সংখ‌্যাটিকে ভাবছিলেন তাঁরা। সম্পাদকের নিবেদনে সেই সংশ‌য় স্পষ্ট– ‘আগামীবারে এই বই আরও বিরাট আকারে বাহির করিবার ইচ্ছা রহিল।... তবে এর সাফল‌্যের সবটাই নির্ভর করিতেছে চিত্র-প্রিয়দের সহানুভূতির উপর।...’

→

প্রকাশক-লেখকের কেজো সম্পর্কে বুদ্ধদেব গুহর বিশ্বাস ছিল না

বুদ্ধদেবদার কাছে শুনেছি তাঁর বাবা শুধু শিকার নয়, ফুটবলেও বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ময়দানে সবাই তাঁকে মনা গুহ নামে চিনত। বছর তিনেক মোহনবাগানের গোলকিপার ছিলেন। গোষ্ঠ পাল, উমাপতি কুমারদের সঙ্গে খেলেছেন।

→

খালেদ চৌধুরীর আঁকা ক্যানভাসে প্রাণের আলো জ্বেলেছিলেন তাপস সেন

‘ফেরিওয়ালার মৃত্যু’ নাটকের মঞ্চসজ্জা করেছিলেন খালেদ চৌধুরী। আর আলোকসম্পাতে ছিলেন তাপস সেন।

→

কলকাতার মাঠ যেভাবে দর্শক চেনায়

রাজনীতির ক্ষেত্রে যেমন ছিল ‘বন্দেমাতরম’ তেমনি খেলার ক্ষেত্রে ‘মোহনবাগান’। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত একথা লিখেছিলেন ‘কল্লোল যুগ’-এ।

→

রসিকতায় তর্ক-আড্ডা মাতিয়ে রাখতেন চিন্মোহন সেহানবীশ

স্কুল গড়ার কাজে উমাদির সঙ্গে নিরঞ্জনবাবু ছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। স্কুল নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কও হত খুব। যাঁরা দেখেছেন তাঁরা বুঝতেন স্কুল নিয়ে কতখানি প্যাশন ছিল দু’জনের মধ্যে সেসব তর্কে। স্কুলের কাজে চিনুদা প্রত্যক্ষভাবে জড়াননি, কিন্তু তাঁর পূর্ণ সমর্থন ছিল।

→

অ্যাংরি ইয়ংম্যান থেকে বিলেতফেরত মাচো নায়ক, বদলাচ্ছিল নব্বইয়ের হিরোরা

নব্বই জুড়ে পণ্যর বিজ্ঞাপন যেমন খুড়োর কল ঝোলাচ্ছিল উপভোক্তার সামনে, তেমন স্বপ্নের নায়কও দর্শকদের থেকে দূরে চলে যাচ্ছিল একটু একটু করে।

→

সাইবাবা এবং সাইবাবার স্বপ্নকে একসঙ্গে হত্যা করা যায় না

তবু, রাষ্ট্রের এই অতি চেনা অমানবিক আচরণের মধ্যেও সাইবাবা যে কীভাবে বাঁচার রসদ, ভালোবাসার জোর খুঁজে পেতেন!

→

‘ঘরে বাইরে’র সোনার মোহর বা ‘আগন্তুক’-এ পালযুগের মূর্তি, সত্যজিৎ রায়কে জোগান দিয়েছিলেন সংগ্রাহক পরিমল রায়

প্রয়াত হলেন কলকাত্তাইয়া, প্রবীণ সন্দেশী, সংগ্রাহক, বইপোকা পরিমল রায়। রইল একটি স্মৃতিচারণ।

→