সাবিত্রী সত্যিই বাংলা দেশের ঘাট-বাঁধানো টলমলে স্নিগ্ধ ডুব দেওয়ার সরোবর।
৮৮ বছর বয়সে গানে বেঁধে রাখলেন ভারতের চন্দ্রবিজয় নিয়ে। লিখলেন– ‘যাবে গো যাবে গো মানুষ মহা আকাশে।’
সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক কমিকসের প্রেক্ষিতে খুঁজলে বাংলা কমিকসে মেয়েদের উপস্থিতি নগণ্য, উপস্থাপন ততোধিক একমাত্রিক।
‘‘সুলতানা’স ড্রিম’’ লেখা হয়েছিল পশ্চিমের প্রথম ফেমিনিস্ট ইউটোপিয়া ‘হারল্যান্ড’ (Herland) রচিত হওয়ারও ১০ বছর আগে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে বিখ্যাত চলচিত্র নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ ‘ঘাটিয়া’ শব্দটি উপহার দিয়ে গেলেন, তা কি আর বাঙালি ফেলে দেবে?
অলিখিত সাংবিধানিক অধিকারে, যেহেতু আমরা সিনেমা বুঝে ফেলি হামার আগেই, অতএব অথ সিনে-মায়ের কিছু বুলি।
আমাদের নিয়তিসাধনার দিক জড়তার সহজ অনুসরণের দিকে নয়, অসীমের অভিমুখে।
শঙ্খ ঘোষের মতো মানুষের ক্ষেত্রে সম্পাদনার চিহ্ন দৈনন্দিনে তথা অভিব্যক্তির বিবিধ বিভঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্রিয়াশীল।
ছবিগুলো প্রিন্ট করিয়েছিলাম। দিয়েছিলাম ঋতুকে। ছোট্ট একটা প্রিন্ট। হাতে নিয়ে হেসেছিল।
বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ যারা পৃথক জাতিসত্তায় বিশ্বাসী, তারা কি নিজেদের ভারতীয় বলে গর্ববোধ করেন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved