

রবিবাবুর গদ্য-পদ্য এক্কেবারে চারশো বিশ/ একটিও বই লেখেননি মহামতি সক্রেটিস।
তাঁকে ‘মানবতার শিল্পী’ বলা হয়। সে কারণে বিশ শতকে আধুনিক চিত্রকলা চর্চার যে জগৎ, সে সবের মধ্যে পুরোপুরি না গিয়ে তিনি আমাদের দেশ, এই অঞ্চল, এখানকার মানুষ, প্রকৃতি– এসব নিয়ে কাজ করেছেন। কাজ করেছেন দুঃখ-কষ্ট, অভাব অনটন নিয়ে। শুরুটা সেই তেতাল্লিশের মন্বন্তরে।
আমাদের মধ্যে যাঁরা রুশ ভাষা জানতেন, তাঁদের কেউ কেউ বরং উল্টে রুশি সহকর্মীদের বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনের জন্য কিছু পাঠ দিতেন।
রোগীর মাতৃৃভাষায় প্রেসক্রিপশন করা জরুরি। তা যদি চিকিৎসক না জানেন, দরকার স্পষ্ট ছাঁদের ইংরেজি হাতের লেখা।
নন্দকুমারের সঙ্গে হেস্টিংসের শত্রুতার জন্ম হয় অনেক আগেই, ক্লাইভের আমলে।
লিঙ্গ-যৌনতা ও মনস্তত্ত্বের বিবিধ প্রকরণ নিয়ে এমন গভীর নির্মাণ বিশেষত সিরিজ, এর আগে তেমন করে চোখে পড়েনি।
একমাত্র মানুষের গল্পই মানুষকে বলতে পারে, ইতিহাস নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাও থাকে মানুষের হাতেই।
আশু মজুমদারের বিক্ষত মৃতদেহ পরিবার বা বন্ধুদের হাতে তুলে না দিয়ে, কড়া প্রহরায় পুলিশের গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা শ্মশানে।
এ বছরের বুকার পুরস্কার বিজয়ী বই ‘কাইরোজ’-এ পূর্ব জার্মানির ইতিহাস এরপেনবেকের আগের বইগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সোজাসুজি, স্পষ্ট।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved