‘ডবল’-এর অযাচিত খুশি আবেশে মুড়ে রাখে শরীর। ডবল বলতে শুধুই ঋত্বিক, স্রেফ ‘কহো না…’।
দলীয় রাজনীতি সবসময় আনুগত্য দাবি করে, আর বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন স্বাধীন মানুষ। বিজন এবং ঋত্বিক– দু’জনেই এক অর্থে জনতার শিল্পী। সেকথা জনতা বোঝেনি, যে দেবতা তাঁদের মধ্যে এসেছিলেন খালি পায়ে। আজ মৃত্যুর এতদিন পরে তাকে কি মাল্যভূষিত করা হবে?
১৮৪৯ সালে মাত্র ৪০ বছর বয়সে পো-র দেহাবসান হয়। তবু আজও, এতটুকু হ্রাস পায়নি তাঁর প্রাসঙ্গিকতা। হরর-এর তত্ত্ব নিয়ে জীবদ্দশায় গভীরভাবে চর্চা করেছেন পো, রচনার গদ্যশৈলী এবং নান্দনিকতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন বিশেষভাবে।
ভারতীয় হেঁশেল, সে যতই আমিষ-বিমুখ হোক, কোফতা বিমুখ কিন্তু এক্কেবারেই না।
একবার বইমেলার গেট সাজানোর দায়িত্বে ছিলেন আমাদের বন্ধু আর্কিটেক্ট শোভনলাল ব্যানার্জী। সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’-এর কবিতার ছবি দিয়ে তৈরি হয়েছিল বিরাট কাটআউট। সে এক হইহই ব্যাপার।
অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ২০-২১ বছর বয়সি ছাত্রী আমার হাতটা ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল, ‘আমার ঠাকুমা এখনও মাঝরাতে চিৎকার করে ওঠে, কেঁদে ওঠে। আমি বড় হয়ে জেনেছি উনি দেশভাগ ভুলতে পারেননি।’
রবীন্দ্রনাথকে মনে রেখেও বলছি, এর আগে এমন করে প্রান্তিক মানুষদের ছবি আর কে-ই বা এঁকেছেন!
সার্কাস এখন আর অ্যাথলেটিজম, দৈহিক-মানসিক শৈলীর উদাহরণ নয়; কতকগুলো বিশৃঙ্খল, অভদ্র আচরণ বোঝানোর পরিভাষায় পর্যবসিত হয়েছে।
মোমবাতির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজের অজান্তেই ডানহাতের তর্জনী এগিয়ে যায় শিখার দিকে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved