ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে সমানতালে চার অচেনা নতুন ডায়লগবাজি করছে, চিত্রনাট্যে এমন দৃশ্যের অবতারণা সেই প্রথম।
আড্ডা চলতে চলতেই কখন যে তাঁরা এলিয়ে পড়েন, হেলান দেন পাশবালিশে– দর্শকের চোখের আরাম হয়।
বৈরাগ্য যেদিন জেগে উঠবে, সেদিন কামনা-বাসনার চিত্রপট ফেলে এক লহমায় আমরা বেরিয়ে পড়ব আসল রূপের সন্ধানে।
কবির নোবেল প্রাপ্তির সংবাদ পাওয়ার পরদিনই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের অধিবেশনে কবির তড়িঘড়ি ‘ডক্টরেট’ উপাধি দানের বিষয়টিকে অনুমোদন করা হয়।
ভেতরে গিয়ে আমি বোধহয় অনেক বেশি পেয়েছি, ওরা আমার থেকে যা পেয়েছে, তার তুলনায়।
সমাজমাধ্যমের যুগে সরকার আর সংবাদমাধ্যম সেভাবে পরোয়া করে কি না, সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
‘পাও’ প্রথমে হিন্দুদের কাছে বিধর্মীদের খাবার হলেও শিল্প বিপ্লবের সময়ে পরিস্থিতি বদলে গেল।
প্রতিবার পুজোর সন্ধ্যায় তাঁর জায়েরা যখন লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে ধুনো পোড়াত, অন্তঃপুরবাসিনী দিদার তখন চোখে জল।
শুরু হল চাঁদার জুলুম। তখন পুজোর নামে মধ্যবিত্তের আনন্দ উধাও। মায়ের আগমনের প্রতীক্ষায় যারা দিন গুনত আনন্দে তাদের মুখে নেমে এল রাশি রাশি নিরানন্দ। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘রচনাসংগ্রহ’ থেকে পুনর্মুদ্রিত।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নিয়মে যেভাবে বাড়ির মাথা একজন ‘পুরুষ’ বলে মান্যতা পেয়েছে, তার দেখানো পথেই আলোকিত হবে নারীর জীবন, তেমনই শাস্ত্রেও সেই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved