১৯৭০ বা ’৭১ সালে। নকশাল আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের মুখ, হত্যা-প্রতিহত্যা, বামপন্থার নানাখানা চেহারা আর নকশাল দমনের ভয়াবহতার প্রতিবেশে মারি ফারার কলকাতায় হাজির হয়েছিল। কেয়া আর অজিতেশ-এর অনুবাদ খরখরে গদ্যে সেদিন মারি-কে হাজির করেছিল।
তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।
শিকাগো, লস এঞ্জেলেস, ডেট্রয়েট, ফিলাডেলফিয়া, নিউ ইয়র্ক। এক দেশের মধ্যে এই ‘গ্রেট মাইগ্রেশান’-এ এক হার্লেমে তিন বর্গ মাইল এলাকায় এসে বসতি তৈরি করেন প্রায় ১,৭৫,০০০ জন। নন-স্কিলড শ্রমিক থেকে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সকলেই। এইখানে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের বসতি তাবৎ পৃথিবীতে সবচেয়ে ঘন।
সমরেশদা ‘স্বীকারোক্তি’ নামে ছোটগল্পটি লেখেন– সেই সময় থেকেই তাঁকে নিয়ে বিপুল বিতর্ক তৈরি হয়। ‘স্বীকারোক্তি’ গল্পটি কলকাতার কোনও পত্রিকায় ছাপা হয়নি। কী ঘটেছিল ‘স্বীকারোক্তি’ নিয়ে?
মেসির কলকাতা আগমনে ‘রিফান্ড’। ডার্বি বাতিল হলে ‘রিফান্ড’। ইন্ডিগো ফ্লাইট ক্যানসেল হলে ‘রিফান্ড’। রিফান্ড আর কত কিছুতেই! হবে না-ই বা কেন? পুঁজিপতিরা সবসময় গিলে খাবে মধ্যবিত্তর উজ্জ্বল স্বপ্নের দলা? কিন্তু শেষত আমরা যা রিফান্ড চাই, তা টাকাপয়সার নয়। লেনদেনের নয়। তবে কীসের?
মেসির ভারত সফরে শুধুমাত্র যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা ছিল না। অগোচরে আরও একটা জিনিস প্রবলভাবে ছিল। ক্ষমতা-অর্থের যৌথ উচ্ছৃঙ্খলতা।
ধর্মীয় উগ্রতার নামে লুটপাট আর বিপ্লবের নামে সংস্কৃতি ধ্বংস– এটাই ‘নতুন’ বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা। এখানে ধর্মীয় অবমাননার কারণ দিয়ে মানুষকে উলঙ্গ করে পুড়িয়ে উল্লাস করে মারা হয়। একুশ শতকে ২০২৫-এ এসেও বর্বর অন্ধকারময় যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। অথচ রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা নেই।
১৯৪৯ থেকে ১৯৮৮ সাল। দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে জামাল লিখেছেন। প্রথমে শিক্ষানবিশ হিসেবে, পরবর্তীতে অভিজ্ঞ পক্ষীবিদ হিসেবে তাঁর ভাবনা, অভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে ‘বোম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’ এবং ‘বেঙ্গল ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’র মুখপত্রে। এমনকী ‘দ্য নিউজ লেটার্স ফর বার্ড ওয়াচার্স’ সমীক্ষাপত্রেও।
ফুড ভ্লগিং তো এখন বাঙালির জীবনে হলুদ বসন্ত! একপেশে জীবনের দোটানায় না গিয়ে বাঙালি এখন মজেছে খাদ্যব্যবসায়। কারণ সে বুঝেছে, ফুড ভ্লগিংয়ের দৌলতে প্রচার তো হয়ে যাবেই এবং অন্যদিকে দশটা-পাঁচটার জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
আজ যদি শান্তিনিকেতনের উপাসনাগৃহ আঘাত পায়, আমি মনে করি, ঠিক তেমনই আঘাত পেয়েছে ছায়ানট।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved