

সকলের ছোট হওয়ায় দিদির ভালোবাসা আমি বরাবরই একটু বেশি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই সকলে আমাকে ডাকত ‘ছোট্ট মোহর’। আমিও নিজেকে তাই ভাবতাম। দিদির মুখে শুনেছি, কেউ আমাকে নাম জিজ্ঞেস করলেই, আমি নাকি বলতাম– ‘আমার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’।
বিএলও সুধাময়ীর দিকে খানিক তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকান। তারপর নুয়ে পড়া শরীরটার দিকে ফর্মটা এগিয়ে দিয়ে বলেন, সব ঠিক আছে। নিন, এবার টিপছাপ দিন। মুহূর্তে সোজা হয়ে যায় সুধাময়ী। তার চোখদুটো জ্বলে ওঠে।
পানাহি ২০০৩-এর কলকাতার বুকে, বাংলার মাটির মেয়ের পাল্টে ফেলা ছায়ায়, দাঙ্গাবাজ মানুষের প্রচারের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন হয়তো। আর আবার তিনি হাঁটবেন কান থেকে বার্লিন, অফসাইডে গোল করে আবার কারাগারের পথে। অবন ঠাকুর তাকিয়ে থাকবেন রিভার্স বঙ্গভঙ্গের এক ডিসটোপিয়ান ইতিহাসের দিকে।
ভোট এলেই নেতারা অদ্ভুত রকমের মাটির মানুষ হয়ে ওঠেন। তাঁরা বোঝাতে চেষ্টা করেন, দুর্জনেরা আর যাই বলুক, তারা আসলেই আমাদেরই লোক, আমাদের প্রতিনিধি। সেজন্যই এই বাসন মাজা থেকে শুরু করে দাড়ি কামানোর সংযোজন। একবারটি ভোট হয়ে গেলেই বোঝা যায়, কে যে কার আপন। কে কাকে ব্যবহার করছে আর কে ব্যবহৃত হয়ে চলেছে অনবরত।
কিছু মানুষ থাকে আলো নিয়ে। তারা চলে গেলে শুধু একজন মানুষ হারিয়ে যায় না– আলোও নিভে যায় একটু একটু করে। রাহুলের চলে যাওয়াটা তেমনই।
রোমান পুরুষরা মশারির ভেতরে থাকাকে কিছুটা ‘মেয়েলি’ বা আরামপ্রিয়তা মনে করে অবজ্ঞার চোখেই দেখতেন। রোমান কবি হোরাসও ক্লিওপেট্রার মশারি ব্যবহার নিয়ে সেই সময়ে ব্যঙ্গ বা উপহাস করতে ছাড়েননি।
আমাদেরও তো খইরুল, আমিনাদের পাশে দাঁড়িয়ে, আব্দুল হালিমের সাংকেতিক ভাষাকে নির্বাচন কমিশনের কানে তোলার দায়িত্ব ছিল, আমরা কি তা করলাম?
গ্যাল্ডিকাস ওরাংওটাং-দের শুধুই দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করেননি, তাদের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবন যোগ করে নিয়েছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে, কাদামাটির পথে, জোঁকের কামড়ে, অসুস্থতার ঝুঁকিতে– সবকিছুর মধ্যেই তিনি ছিলেন অবিচল। চার বছর পর National Geographic-এ তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়।
দীর্ঘকাল ধরেই বিশ্লেষকরা এই দ্বীপটিকে তাই ইরানের একটি ‘দুর্বলতম স্থান’ (ক্রিটিকাল উইক পয়েন্ট) হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন, যেখানে কোনও ধরনের আক্রমণ তেহরানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী পাল্টা জবাবের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
আখের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসুর সংস্কৃতির প্রসঙ্গ। অনেকেই বলেন, আখ প্রথম লাগায় অসুররা। অসুররাজ বলির পাঁচ পুত্র– অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, সুহ্ম, পুণ্ড্র। তাদের নাম অনুসারে পাঁচটি দেশের মধ্যে অন্যতম হল পুণ্ড্র বা উত্তরবঙ্গ। পণ্ডিতদের মতে ‘পুণ্ড্র’ শব্দের অর্থ এক জাতের আখ। যেমন দেশি আখের নাম ‘পুঁড়ি’।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved